ICC ODI Worldcup 2023
শ্রীলংকা

Team Image

ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাই বড় লক্ষ্য শ্রীলঙ্কার

১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপের আগে বৈশ্বিক এ টুর্নামেন্টে শ্রীলঙ্কা ছিল অপরিচিত একটি দল। বিশ্বকাপের প্রথম আসর থেকে তারা অংশ নিলেও হার-জিত নয়, অংশগ্রহণই বড় কথা- এই আপ্তবাক্যই ছিল তাদের জন্য প্রযোজ্য।

১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত প্রতি আসরেই তারা গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিলো। এই পাঁচ আসরে ২৬ ম্যাচে তাদের জয়ের সংখ্যা ছিল মাত্র চারটি। ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বেশির ভাগ সময়েই তারা শেষ দুই দলের এক দল হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছিলো।

এমন একটা দল নিয়ে নিঃসন্দেহে কেউ আশাবাদী হবে না। হওয়ার কথাও না; কিন্তু পরের আসর অর্থাৎ ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপে ক্রিকেটপ্রেমীরা দেখলো এই দ্বীপ দেশটির বিষ্ময়কর উত্থান। এক আসরে সবকিছু ভোজবাজির মতো করে পাল্টে দিল। অর্জুনা রানাতুঙ্গার হাত ধরে জয়সুরিয়া, ডি সিলভা, চামিন্দা ভাসা, মুরালিধরনরা বিশ্ব জয় করে ফেললো অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে। ক্রিকেট ইতিহাসে ওই একবারই শ্রীলঙ্কা সর্বোচ্চ সাফল্য পেয়েছে।

এরপর যে শ্রীলঙ্কা হারিয়ে গেছে তা নয়। সাফল্যের সর্বোচ্চ চূড়ায় তারা আর পৌঁছাতে পারেনি এটা ঠিক; কিন্তু একাধিকবার কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়েছে। পরের পাঁচ আসরের তিনটিতেই সেমিফাইনাল খেলেছে। দুইবার পৌঁছেছে ফাইনালে। ২০১১ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হেরে শিরোপা বঞ্চিত থাকতে হয়েছে।

তবে এ দলটির বর্তমান অবস্থা বেশ নাজুক। এমনিতেই সর্বশেষ আসরে দলটি মাঠের পারফরম্যান্সে সেই অতীতকে ফিরিয়ে এনেছে। বাদ পড়েছে গ্রুপ পর্ব থেকে। এবারের বিশ্বকাপের অবস্থা আরো নাজুক।

সাবেক এ চ্যাম্পিয়ন দলটি এবার আইসিসির নতুন নিয়মের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট থাকতে না পারায় বাছাই পর্বে অংশ নিতে হয়েছে। বাছাই পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়ে তারা চূড়ান্ত পর্বে উঠে আসে। ওই বাছাই পর্বের বাধা পার হতে না পারায় প্রথম দুই বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এবারের বিশ্বকাপে দেখা যাবে না। বাছাই পর্ব পার হতে শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয় নেদারল্যান্ডস।

বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শ্রীলঙ্কা তাদের মিশন হচ্ছে। ৭ অক্টোবর এ ম্যাচটি মাঠে গড়াবে। এরপর একে একে দ্বীপ রাষ্ট্রটি মোকাবেলা করবে পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডকে। ৯ নভেম্বর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি খেলবে তারা।

শ্রীলঙ্কা বিশ্বকাপের গত ১২ আসরে ৬৩ ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে জয়ের সংখ্যা ২৯। বিপরীতে তার হেরেছে ৩১ ম্যাচে। ওয়ানডের মোট সংখ্যাতেও তাদের হারের সংখ্যা বেশি। ৮৯৫ ম্যাচে অংশ নিয়ে ৪১০টিতে জিতেছে। আর হেরেছে ৪৪১ ম্যাচে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার বর্তমান সময়টা একটু অস্বস্তির হলেও তাদের সাফল্য কম নয়। একবার চ্যম্পিয়নসহ বিশ্বকাপে তারা তিনবার ফাইনাল খেলেছে। জয় করেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আর টি-২০ বিশ্বকাপের শিরোপা। টি-২০ বিশ্বকাপেও তারা তিনবার ফাইনাল খেলেছে। এশিয়া কাপে ছয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। আর রানার্স আপ ছয়বার। মোট ১২ বার এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেছে।

শ্রীলঙ্কার দলে এ মুহুর্তে বেশ কিছু দারুণ ক্রিকেটার প্রতিনিধিত্ব করছেন। যাদের যেমন বড় ইনিংস খেলার সামর্থ্য রাখেন, তেমনি তাদের সতীর্থরা বল হাতে দাপট দেখাতে পারেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন পাথুম নিশাঙ্কা, দিমুথ করুণারত্নে, কুশল মেন্ডিস, চারিথ আসালঙ্কা। তাদের সবারই বড় ইনিংস খেলার সার্মথ্য রয়েছে। বল হাতে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের কাঁপাতে প্রস্তুত মাথিসা পাথিরানা, মহেশ থিকসানা ও লাহিরু কুমারা।

আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিং অবশ্য শ্রীলঙ্কার উন্নতির কথা বলছে। বাছাই পর্যন্ত সবশেষ দশটি সিরিজে শ্রীলঙ্কার সাফল্যের কথা বলছে বেশি। দশ সিরিজের পাঁচটিতে জয় পেয়েছে তারা। এসব জয় আবার দুর্বল দলের বিপক্ষে নয়, বরং শক্তিশালী সব দলকে তারা নাস্তানাবুদ করেছে।
জয় পাওয়া পাঁচ সিরিজের তাদের প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া আর আফগানিস্তান। সঙ্গে থাকছে বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব। এ সময়ে তারা হেরেছে ইংল্যান্ড, ভারত ও নিউজিল্যান্ডের কাছে। ভারতের কাছে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে উভয় সিরিজে হেরেছে।

Captain Image

দাসুন শানাকা

জম্ম: ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯১; বয়স: ৩২ বছর

ব্যাকগ্রাউন্ড

ছোটবেলা থেকে ক্রিকেটে হাতেখড়ি দাুসন শানাকার। ক্রিকেটের প্রতি মোহ এতটাই বেশি ছিল যে, পড়াশোনাটা আর এগিয়ে নিতে পারেননি। সেন্ট পিটার্স কলেজ থেকে পড়াশোনার প্রাথমিক পর্ব শেষে মারিস স্টেলা কলেজে গিয়েছিলেন। কিন্তু ক্রিকেটের কারণে গ্রাজুয়েশন আর করতে পারেননি। ক্রিকেটকেই মূল পেশা হিসেবে বেছে নেন। ক্রিকেটের নেশায় জড়িয়ে পড়ায় তার সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি। একসমন জাতীয় দলেও ডাক পান। নিয়মিত আলো ছড়িয়ে চলেছেন জাতীয় দলের এ অলরাউন্ডার।

অধিনায়কত্ব

ওয়ানডে ক্রিকেটে দায়িত্ব দারুণ সব অর্জন নিজের করে নিয়েছেন দাসুন শানাকা। দলকে টানা ম্যাচ জয়ের কীর্তি গড়েছে তারা। অস্ট্রেলিয়া ২১ ম্যাচ জয়ে সবার উপরে। দ্বিতীয় স্থানে শ্রীলঙ্কা। এ সময়ে শানাকার দল টানা ১১ ম্যাচে প্রতিপক্ষকে অল আউট করার গৌরব অর্জন করেছে। টানা ১০ বার প্রতিপক্ষ অল আউট করে শ্রীলঙ্কার আগে শীর্ষে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ও অস্ট্রেলিয়া।

যত সাফল্য

অল রাউন্ডার শানাকা ডানহাতি বোলার ও ব্যাটার। বল হাতে দারুণ এক কীর্তি রয়েছে শানাকা। এক ওভার বোলিংয়ে বিনা রানে এক উইকেট নেওয়ার কীর্তি রয়েছে তার। রয়েছে অভিষেক ম্যাচে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড। দুটোই ওয়ানডেতে। তার নেতৃত্বে ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কা এশিয়া কাপ জয় করে।

টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব পেয়ে প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে হারায় তার দল। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানকে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ করে। ছয় বছরে টি-টোয়েন্টি শানাকার অধীনে শ্রীলঙ্কা প্রথম জয় পায়। তার অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আট বছরে প্রথমবারের মতো শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে সিরিজ জয় করে।

 

ব্যক্তিগত জীবন

দাসুন শানাকা ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে বান্ধবী চেভান্তিকে বিয়ে করেন। নেগোম্বার আভানরা গার্ডের হোটেলে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের বৈবাহিক জীবন শুরু হয়।

Coach Image

ক্রিস সিলভারউড

জম্ম: ৫ মার্চ, ১৯৭৫; বয়স: ৪৮

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

বয়স মাত্র ৪৮ হলেও ক্রিস সিলভারউডের কোচিং ক্যারিয়ারটা বেশ বড়। ২০১০ সালে কাউন্টি ক্লাব এসেক্সের হয়ে বোলিং কোচের দায়িত্ব নেন। লম্বা একটা সময় এ পদে থাকার পর ২০১৬ সালে দলটির প্রধান কোচ হিসেব পদোন্নতি পান। প্রথম বছরেই ব্যাপক সাফল্য এনে দেন দলকে। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম বিভাগে উন্নীত হয় এসেক্স। পরের বছর শিরোপাও জয় কর নেয়।

২০১৮ সালে ইংল্যান্ডে বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ তিন সিলভারউড। পরের বছরই প্রধান কোচ। তবে অ্যাশেজে তার বেশ কিছু সিদ্ধান্ত বিতর্কের মুখে পড়ে এবং ২০২২সালের মার্চ মাসে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। পরের মাসেই দায়িত্ব নেন শ্রীলঙ্কার।

সাফল্য

 কোচিং ক্যারিয়ারে দারুণ কিছু সাফল্যের দেখা পেয়েছেন ক্রিস সিলভারউড। ২০১৯ সালে তার অধীনেই ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ জয় করে। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে চুক্তির কিছুদিন পরেই এশিয়া কাপ শুরু হয়। সেখানে সিলভারউড পেয়ে যান সেরা সাফল্য। কাউন্টিতে এসেক্সের হয়েও বেশ সাফল্যের দেখা পেয়েছেন। ২০১৭ সালে জয় করেছেন কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ।

সম্ভাবনা

১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দলটি ক্রিস সিলভারউডের অধীনে আবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে। সে সামর্থ্য যে আছে তার প্রমাণ দিয়েছেন সিলভার। দারুণ এক মিশ্র অভিজ্ঞতা নিয়ে সিলভারউড বিশ্বকাপে আসছেন। একদিকে রয়েছে বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে এশিয়ার মাটিতে এশিয়া কাপ জয়ের অভিজ্ঞতা। ফলে পরিবেশ নিয়ে দুঃশ্চিন্তা কম সিলভারউডের। সব মিলিয়ে দারুণ এক সম্ভাবনা সামনে দাঁড়িয়ে। টানা দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি তার সামনে।

ব্যক্তিগত জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে সফল সিলভারউড। পরিবার থেকে সব সময় সমর্থন পেয়ে এসেছেন সিলভারউড। এমনকি স্ত্রী তাকে ক্রিকেটের স্বার্থে সমর্থন দিয়ে চলেছেন।

শ্রীলঙ্কা স্কোয়াড

দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), কুসল মেন্ডিস (সহ-অধিনায়ক), কুসল পেরেরা, পাথুম নিশাঙ্কা, দিমুথ করুনারত্নে, সাদিরা সামারাবিক্রমা, চারিথ আসালঙ্কা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, দুশান হেমন্থ, দুনিথ ভেল্লালাগে, মহেশ থিকসানা, কাসুন রাজিথা, মাথিসা পাথিরানা, লাহিরু কুমারা, দিলশান মাদুশাঙ্কা।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

ইনিংস

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০/৫০

দিমুথ করুনারত্নে

৪৪

৪৪

১৩০১

১০৩

৩২.৫২

১/১১

কুশাল মেন্ডিস

১১২

১০৯

৩২১৫

১১৯

৩২.১৫

২/২৫

পাথুম নিশাঙ্কা

৪০

৪০

১৩৯৬

১৩৭

৩৭.৭২

৩/৯

কুশাল পেরেরা

১০৯

১০৪

৩০৮৮

১৩৫

৩১.১৯

৬/১৫

সাদিরা সামারাবিক্রমা

২৩

২০

৬১৫

৯৩

৩২.৩৬

০/৫

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

লাহিরু কুমারা

২৬

৩৪

৩৩.৫৫

০/০

৩/২২

৬.৪২

দিলশান মাদুশাঙ্কা

১০

২২.১০

০/০

৩/১৫

৫.০২

মাথিশা পাথিরানা

১০

১৫

২৮.৭৩

১/০

৪/৩২

৬.৫৬

কাশুন রাজিথা

২৮

৩৫

৩৪.৭৭

১/০

৪/৭৯

৫.৯২

মাহিশ থিকশানা

২৭

৪৪

২৩.৪৫

৪/০

৪/২৫

৪.৫০

দুনিথ ভেলালাগে

১৫

১৯

২৫.৩৬

০/১

৫/৪০

৫.১৮

 অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

১০০/৫০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা.রেট

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

দাসুন শানাকা

৬৭

১২০৪

২২.২৯

২/৩

১০৮*

৯২.০৪

২৭

৩৪.১১

০/১

৫/৪৩

৫.৭২

চারিথা আশালাঙ্কা

৪১

১২৭২

৪১.০৩

১/৯

১১০

৮৯.২৬

২০.২০

১/০

৪/১৮

৪.৩৫

ধনঞ্জয়া ডি সিলভা

৮২

১৭২৫

২৬.৫৩

০/১০

৯৩

৭৮.৮০

৪৪

৩৯.৩৮

০/০

৩/৩২

৪.৯৫

দুশান হেমন্ত

৩৫

৩৫.০০

০/০

২২

১০০.০০

৪৯.৫০

০/০

২/৪৯

৫.২১

ওয়ানডে বিশ্বকাপে শ্রীলংকা : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: ১২
  • চ্যাম্পিয়ন: ১৯৯৬
  • রানার্স আপ: ২০০৭, ২০১১
  • সেমিফাইনাল: ২০০৩
  • কোয়ার্টার ফাইনাল: ২০১৫
  • সুপার এইট:
  • গ্রুপ পর্ব: ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৮৩, ১৯৮৭, ১৯৯২, ১৯৯৯, ২০১৯

সংক্ষেপে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

 হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

১৯৭৫-২০১৯

৮০

৩৮

৩৯

৩৯৮/৫

৮৬

বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার সেরা ১০টি ইনিংস

স্কোর

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

৩৯৮/৫

জয়

 কেনিয়া

ক্যান্ডি

১৯৯৬

৩৬৩/৯

জয়

স্কটল্যান্ড

হোবার্ট

২০১৫

৩৩৮/৬

জয়

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

 চেস্টার লি স্ট্রিট

২০১৯

৩৩২/৭

জয়

কানাডা

হাম্বানতোতা

২০১১

৩৩২/১

জয়

বাংলাদেশ

 মেলবোর্ন

২০১৫

৩২৭/৬

জয়

জিম্বাবুয়ে

পালেকেল্লে

২০১১

৩২১/৬

জয়

বারমুডা

পোর্ট অব স্পেন

২০০৭

৩১৮/৪

জয়

বাংলাদেশ

পোর্ট অব স্পেন

২০০৭

৩১৩/৭

জয়

জিম্বাবুয়ে

নিউ প্লাউমাউথ

১৯৯২

৩১২/১

জয়

ইংল্যান্ড

ওয়েলিংটন

২০১৫

বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার সেরা ১০ ব্যাটার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

কুমার সাঙ্গাকারা

৩৭

১৫৩২

১২৪

৫৬.৭৪

সনাথ জয়সুরিয়া

৩৮

১১৬৫

১২০

৩৪.২৬

তিলকারতেœ দিলশান

২৭

১১১২

১৬১*

৫২.৯৫

মাহেলা জয়াবর্ধনে

৪০

১১০০

১১৫*

৩৫.৪৮

অরবিন্দ ডি সিলভা

৩৫

১০৬৪

১৪৫

৩৬.৬৮

অর্জুনা রানাতুঙ্গা

৩০

৯৬৯

৮৮*

৪৬.১৪

উপুল থারাঙ্গা

২১

৬৯৭

১৩৩

৩৬.৬৮

রোশান মহানামা

২৫

৫৯৬

৮৯

৩৩.১১

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ

২২

৫৩৩

১১৩

৩৮.০৭

এারভান আতাপাত্তু

১৫

৫২১

১২৪

৪৩.৪১

বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার সেরা ১০ বোলার   

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

মুত্তিয়া মুরালিধরন

৪০

৩৪৩.৩

১৫

১৩৩৫

৬৮

৪/১৯

১৯.৬৩

লাসিথ মালিঙ্গা

২৯

২৩২.২

১১

১২৮১

৫৬

৬/৩৮

২২.৮৭

চামিন্দা ভাস

৩১

২৬১.৪

৩৯

১০৪০

৪৯

৬/২৫

২১.২২

সনাথ জয়সুরিয়া

৩৮

২১৯.১

১০৬০

২৭

৩/১২

৩৯.২৫

তিলকারতেœ দিলশান

২৭

১০১.১

৪৪৭

১৮

৪/৪

২৪.৮৩

অশান্তা ডি মেল

৯০.২

১৩

৪৪৯

১৮

৫/৩২

২৪.৯৪

প্রমোদ্য বিক্রমাসিংহে

১৭

১৩৬.১

৬২৫

১৬

৩/৩০

৩৯.০৬

অরবিন্দ ডি সিলভা

৩৫

১৩৫

৬৭১

১৬

৩/৪২

৪১.৯৩

থিশারা পেরেরা

১৬

১১২.৫

৬৬১

১৪

৩/২৪

৪৭.২১

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ

২২

৭৩.৪

৩৮৪

১৩

৩/৪১

২৯.৫৩

সময়সূচি