আফগানিস্তান

Team Image

চকম দেখানোর অপেক্ষা

আইসিসির সর্বশেষ তথা ১২তম পূর্ণ সদস্য। ইতিমধ্যেই সাদা পোশাকে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে ক্রিকেটের নবীন দেশটির এমনকি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচও জিতে ফেলেছে তারা। রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী, হযরতুল্লাহ জাজাই, মুজিব-উর রহমান কিংবা মোহাম্মদ শাহজাদদের মত তারকা ক্রিকেটারে ভর্তি একটি দল আফগানিস্তান। এবারের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে অনেক বড় আশা নিয়ে খেলতে যাচ্ছে তারা। শুধু তাই নয়, বড় কোনো দলকে চমকে দেয়ারও সামর্থ্য রয়েছে তাদের।

ক্রিকেটের সঙ্গে দেশটির পরিচয় উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে। কিন্তু আফগানিস্তান এমন একটি দেশ, যেখানে দখলদার বিদেশী বেনিয়াদের দৃষ্টি নিবদ্ধ সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে। উনবিংশ শতাব্দী বলুন আর বিংশ শতাব্দী বলুন, দখলদারদের দৃষ্টি কখনওই সরেনি আফগানদের ওপর থেকে। দীর্ঘ সময় সোভিয়েত শ্বেত ভল্লুকদের সঙ্গে লড়াই চালানোর এক দশক পর আবার মার্কিনীদের লোলুপ দৃষ্টি। সব মিলিয়ে দেশটিতে বিকাশ লাভেরই সুযোগ পায়নি ক্রিকেট।

তবুও বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে এসে নিত্য বারুদের গন্ধ আর বুলেট-বোমা-মাইনের শব্দ ভেদ করে দেশটিতে গজিয়ে উঠেছে ক্রিকেটের চারা। ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে। এখনও শৈশব পেরিয়ে হয়তো কৈশোরে পদার্পন করেছে আফগানদের ক্রিকেট। এরই মাঝে তারা যোগ্যতাবলে ঠাঁই করে নিয়েছে ক্রিকেটের বিশ্ব আসরে। এর আগে খেলে ফেলেছে তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও।

২০১৫ সালে প্রথম অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল যুদ্ধবিধ্বস্তদেশটি। এবার দ্বিতীয়বারেরমত ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে তারা। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপের জন্য র‌্যাংকিংয়ে সেরা ৮ দলের বাইরে থাকা বাকি দুই দল নির্ধারণের জন্য যে বাছাই প্রতিযোগিতা হয়েছিল, সেখানে অংশ নিতে হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং জিম্বাবুয়েকে। স্বাভাবিকভাবেই অংশ নিয়েছিল আফগানিস্তান এবং আয়ারল্যান্ডও।

সেই বাছাই প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ডকে পেছনে ফেলেই ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে নিয়েছে আফগানরা। তাদের সঙ্গে বাছাই পর্ব থেকে আসতে পেরেছেন কেবল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, নেপাল, আরব আমিরাত, হংকং, স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডসের মত দেশগুলোকে পেছনে ফেলে দিয়েছে আফগানরা।

বিশ্বআসরে অংশ নেওয়াই সবচেয়ে বড় কথা আফগানদের জন্য। সাফল্যের চিন্তা হয়তো একটু বেশিই হয়ে যাবে। তবু সাফল্য পেয়েছে তারা। গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল আফগানরা। সেই ম্যাচে স্কটিশদের ২১০ রানে বেধে রেখে মোহাম্মদ নবিরা জিতেছিল ১ উইকেটের ব্যবধানে।

এবারের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপেও স্বপ্ন দেখতেই পারে আফগানরা। এবারের বিশ্বকাপ যেহেতু লিগ পদ্ধতির। সবাই সবার সঙ্গে খেলতে হবে। আফগানদেরও ম্যাচ রয়েছে ৯টি। এর মধ্যে দু-একটাতে বাজিমাত করে দেয়া তাদের পক্ষে অসম্ভব কিছু নয় একেবারেই।

পাকিস্তানের রশিদ লতিফের হাত ধরেই মূলতঃ উত্থান আফগান ক্রিকেটের। প্রতিপক্ষের সাথে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনার সব মানসিকতাই তিনি তৈরি করে দিয়েছেন আফগান ক্রিকেটারদের মধ্যে। যদিও এখন রশিদ লতিফ নেই। ২০১৫ বিশ্বকাপে কোচের দায়িত্বে ছিলেন ইংল্যান্ডের অ্যান্ডি মোল। মাঝে কিছুদিন ছিলেন ভারতের লালচাঁদ রাজপুত, পাকিস্তানের ইনজামাম-উল হকরা। এখন দলটির অভিভাবকত্বের দায়িত্ব রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফিল সিমন্স।

একঝাঁক উদীয়মান তারকা রয়েছে আফগান ক্রিকেটে। যারা সারা বিশ্বকে চমকে দিতে পারে যে কোনো মুহূর্তে। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর লেগ স্পিনার রশিদ খান রয়েছেন আফগান দলে। অফ স্পিনার মুজিব-উর রহমানও সমান তালে প্রতিপক্ষের জন্য হয়ে ওঠেন ভয়ঙ্কর।

গুলবাদিন নাইবের নেতৃত্বে এখন চলছে আফগানদের চূড়ান্ত উত্থান পর্ব। সেই পর্বের শেষ ধাপ হতে পারে এবারের বিশ্বকাপ। সেখানে লড়তে প্রস্তুত মোহাম্মদ নবী, আসগর আফগান, হজরতুল্লাহ জাজাদের মত ক্রিকেটাররা। দারুন লড়াই করার মানসিকতাই আফগানদের বড় সম্পদ।

উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ক্রিকেটের সঙ্গে পরিচিত হলেও দেশটিতে প্রাতিষ্ঠানিকতা পায় ১৯৯৫ সালে। এ বছরই প্রথম আফগানিস্তান ক্রিকেট ফেডারেশন গঠিত হয়। এরপর ২০০১ সালে আইসিসির সহযোগি সদস্য এবং ২০০৩ সালে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সদস্য হয় আফগানিস্তান।

দেশটিতে একটি জাতীয় ক্রিকেট দলই গঠণ হয়েছে প্রথম ২০০১ সালে। এরপর ২০০৯ সালে তারা প্রথম বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অংশ নেয়। যদিও ২০১১ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জণ করতে পারেনি। তবে ২০১৩ সালে এসে আইসিসির ওয়ানডে মর্যাদা লাভ করে আফগানরা। এর আগেই ২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জণ করে তারা। যা ছিল দেশটির ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম কোন বড় আসরে খেলার অভিজ্ঞতা। এরপর ২০১২ এবং ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলার যোগ্যতা অর্জণ করে তানা।

আফগান দলটিতে যেমন অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রয়েছেন, তেমনি রয়েছে একঝাঁক তরুণ ক্রিকেটারেরও সমন্বয়। ১ জুন অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ম্যাচটি দিয়েই শুরু হবে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান।

Captain Image

গুলবাদিন নাইব

আফগানিস্তান ক্রিকেটের উত্থানের অন্যতম কারিগর ধরা হয় আসগর আফগানকে। যিনি দলটিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন যখন বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের অস্তিত্ব ছিলো না থাকার মতোই। সেখান থেকে আফগানিস্তানকে বড় দলগুলোর বিপক্ষে লড়াই করার মানসিকতা এনে দেয়ার বড় কৃতিত্বও ৩১ বছর বয়সী আসগর আফগানের।

শুরুতে তার নাম আসগর স্ট্যানিকজাই থাকলেও নিজ দেশের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসা এবং বিশ্ব দরবারে দেশের পরিচিত আরেকটু বাড়ানোর জন্য নামের ‘স্ট্যানিকজাই’ অংশ বাদ দিয়ে জাতীয়তা ‘আফগান’ জুড়ে দেন তিনি। যা প্রশংসিত হয় সারা বিশ্বব্যাপী।

আফগানিস্তান তথা পুরো ক্রিকেট বিশ্বই অপেক্ষায় ছিলো এবারের বিশ্বকাপে নিজ দেশকে নেতৃত্ব দেবেন আসগর আফগান। কিন্তু আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মাথায় ঘুরছিল ভিন্ন চিন্তা। তাই তো বিশ্বকাপের অল্প কিছুদিন আগে তারা সিদ্ধান্ত নেয় অধিনায়ক বদলের। আসগর আফগানকে সরিয়ে প্রথমবারের মতো অধিনায়কত্ব দেয়া হয় পেস বোলিং অলরাউন্ডার গুলবাদিন নাইবকে।

ক্রিকেট বোর্ডের এমন সিদ্ধান্তে সমালোচনার ঝড় ওঠে আফগানিস্তানের ক্রিকেটে। দলের সেরা দুই তারকা মোহাম্মদ নবি এবং রশিদ খান প্রকাশ্যে ধুয়ে দেন বোর্ডের কর্তাব্যক্তিদের। তবু বদল হয়নি সিদ্ধান্তের। তাই আসগর আফগান বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকলেও, দলের নেতৃত্ব দেবেন ২৮ বছর বয়সী গুলবদিন নাইব।

২০১৫ সালের এপ্রিলে মোহাম্মদ নবীর কাছ থেকে তিন ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব বুঝে পেয়েছিলেন আসগর আফগান। তার অধীনে আফগানিস্তান ৩১টি ওয়ানডে জেতে, ৪৬ টি-টোয়েন্টির মধ্যে জয় পায় ৩৭টিতেই। এমনকি চলতি বছর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়েও অধিনায়ক ছিলেন আসগর।

তার বদলে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে যাকে সেই গুলবদিন নাইবের বড় মঞ্চে তো দূরের কথা, জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেয়ার অভিজ্ঞতাই নেই। তাই লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারাত্নের মতোই বিশ্বকাপ দিয়েই প্রথমবারের মতো ওয়ানডে দলকে নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন ডানহাতি পেস বোলিং অলরাউন্ডার গুলবদিন নাইব।

১৯৯১ সালে আফগানিস্তানের লোগারে জন্ম নেয়া নাইবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় ২০১১ সালে। তারপর থেকে এখনো পর্যন্ত খেলেছেন ৫২টি ওয়ানডে ম্যাচ। ব্যাট হাতে ৫ ফিফটিতে করেছেন ৮০৭ রান, বল হাতে দুইবার ৪ উইকেট নিয়ে ঝুলিতে পুরেছেন ৪০টি উইকেট।

Coach Image

ফিল সিমন্স

সিমন্সের পুরো নাম ‘ফিলিপ ভ্যারান্ট সিমন্স। ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগোতে তার জন্ম ১৯৬৩ সালের ১৮ এপ্রিল। ক্যারিবিয়ান দলে ব্যাটসম্যান হিসেবে জায়গা পেলেও বেশ ভালো পেস বোলার ছিলেন সিমন্স, ছিলেন দুর্দান্ত ফিল্ডারও। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সিমন্সের অভিষেক হয় ১৯৮৩ সালে। এর ৫ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে প্রথমবার সুযোগ পান তিনি। ১৯৯৭ সালে উইজডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটারের খেতাবও মেলে সিমন্সের হাতে।

জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ২৬টি টেস্ট খেলে ২২.২৬ গড়ে সিমন্স করেছেন ১,০০২ রান। আছে একটি শতক ও চারটি অর্ধশতকও। ওয়ানডে ক্রিকেটে ১৪৩ ম্যাচ খেলে ৫ সেঞ্চুরি ও ১৮ ফিফটিতে ২৮.৯৩ গড়ে তার রান ৩,৬৭৫। এছাড়াও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও প্রায় ১২ হাজার রানের মালিক তিনি।

ইনজুরির কারণে খুব বেশি লম্বা হয়নি সিমন্সের ক্যারিয়ার। ২০০২ সালে ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেন তিনি। ২০০৪ সালে প্রথমবারের মতো কোনো জাতীয় দলের কোচ হন সিমন্স। দায়িত্ব নেন জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের।

এর কিছুদিন পর ক্রিকেটারদের সঙ্গে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের দ্বন্দ্ব শুরু হলে ক্রিকেটারদের পক্ষ নেওয়ায় বরখাস্ত হতে হয় সিমন্সকে। পরে দায়িত্ব নেন নিজ দেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সেখানেও জিম্বাবুয়ের মতো একই কারণে বরখাস্ত হলেন তিনি। এরপর ২০০৭ বিশ্বকাপ থেকে ২০১৫ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা আট বছর আয়ারল্যান্ডের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন সিমন্স।

মাত্র তিন মাস দায়িত্ব পালনের পর ভারতীয় লালচাঁদ রাজপুতকে বরখাস্ত করে সিমন্সকে নিয়োগ দেয় আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। আফগানিস্তানের কোচ হওয়ার আগে বাংলাদেশের কোচ হতে সাক্ষাৎকারও দিয়েছিলেন সিমন্স। ২০১৮ সালে আফগানিস্তান জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়া সিমন্সের সঙ্গে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে বিশ্বকাপের পর পরই।

তার অধীনে এখনও পর্যন্ত ২৩টি ম্যাচ খেলেছে আফগানিস্তান। যেখানে জিতেছে ১০টিতে আর হেরেছে ৮টিতে। আফগানিস্তানের একমাত্র টেস্টেও দলের প্রধান কোচ ছিলেন সিমন্স। তার অধীনে বিশ্বকাপে আফগানিস্তান দল কতটুকু কি করবে সেই জবাব দিবে সময়। তবে সিমন্সের অধীনে বিশ্বকাপে বড় দলগুলোর জন্য আফগানিস্তান যে আতঙ্ক হয়ে উঠতে পারে তা বলাই যায়।

আফগান স্কোয়াড

গুলবদিন নাইব, মোহাম্মদ শাহজাদ (উইকেটরক্ষক), নুর আলি জাদরান, হযরতউল্লাহ জাজাই, রহমত শাহ, আসগর আফগান, হাশমতউল্লাহ শহিদি, নাজিবুল্লাহ জাদরান, সামিউল্লাহ শিনওয়ারি, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান, দৌলত জাদরান, আফতাব আলম, হামিদ হাসান ও মুজিব উর রহমান।

আফগানিস্তান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : ১ বার
  • চ্যাম্পিয়ন : নেই
  • রানার্সআপ : নেই
  • সেমিফাইনাল : নেই
  • কোয়ার্টার ফাইনাল : নেই
  • সুপার সিক্স : নেই
  • প্রথম পর্ব : ২০১৫।

সময়সূচি

০১ জুন, ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম

ব্রিস্টল কাউন্টি গ্রাউন্ড

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ২০৭/০

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ২০৯/৩

ম্যাচ রিপোর্ট

অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী

০৪ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

সোফিয়া গার্ডেন, কার্ডিফ

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৫২/১০

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ২০১/১০

ম্যাচ রিপোর্ট

শ্রীলঙ্কা ৩৪ রানে জয়ী (ডিএল মেথডে)

০৮ জুন, ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম

কাউন্টি গ্রাউন্ড টন্টন

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৭২/১০ (৪১.১)

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৭৩/৩ (৩২.১)

ম্যাচ রিপোর্ট

নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী

১৫ জুন, ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম

সোফিয়া গার্ডেন, কার্ডিফ

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১২৫/১০ (৩৪.১)

দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ১৩১/১ (২৮.৪)

ম্যাচ রিপোর্ট

দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ উইকেটে জয়ী

১৮ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

ওল্ড ট্র্যাফোর্ড

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড

আফগানিস্তান আফগানিস্তান

২২ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

হ্যাম্পশায়ার বোল

ভারত ভারত

আফগানিস্তান আফগানিস্তান

২৪ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

হ্যাম্পশায়ার বোল

বাংলাদেশ বাংলাদেশ

আফগানিস্তান আফগানিস্তান

২৯ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

হেডিংলি

পাকিস্তান পাকিস্তান

আফগানিস্তান আফগানিস্তান

০৪ জুলাই, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

হেডিংলি

আফগানিস্তান আফগানিস্তান

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আরও

মোস্তাফিজের জোড়া আঘাত

মোস্তাফিজের জোড়া আঘাত

সাকিবের দ্বিতীয় শিকার পুরান

সাকিবের দ্বিতীয় শিকার পুরান

শুরুতেই ক্যারিবীয়দের গেম প্ল্যান নষ্ট করা চমক টাইগারদের!

শুরুতেই ক্যারিবীয়দের গেম প্ল্যান নষ্ট করা চমক টাইগারদের!

বিধ্বংসী লুইসকে ফেরালেন সাকিব

বিধ্বংসী লুইসকে ফেরালেন সাকিব