ভারত

Team Image

এবারও অন্যতম ফেবারিট

ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরে অংশ নেওয়া ভারত এবারের আসরেও অন্যতম ফেবারিট। অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং কোচ রবি শাস্ত্রির ভারতের সামনে এবার তৃতীয়বারেরমত বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম সুযোগ।

ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে হয়তো তারা এখন আর শীর্ষে নেই। তবে দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে টেস্টের শীর্ষে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের মাটি থেকে সিরিজ জয় করে আসার পর বিরাট কোহলিদের ওয়ানডে সামর্থ্য নিয়ে কোনোই সন্দেহ নেই। এমনকি ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে উঠে গিয়েছিল কোহলির ভারত। যদিও ওই ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরে শিরোপা জেতা হয়নি আর ভারতীয়দের।

দুই বছর আগের পাকিস্তানের সেই জৌলুশ এখন যেন আর নেই। কিন্তু ভারত উত্তরোত্তর উন্নতিই করে যাচ্ছে। সে হিসেবে ইংল্যান্ডে এবারও ভারতের সম্ভাবনা অনেক বেশি। ব্যাটিং-বোলিংয়ে সবচেয়ে ব্যালান্সড একটি দল ভারত। কোহলির নেতৃত্বে ১৪ জুলাই ভারতীয়রা শিরোপা তুলে ধরলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না।

সর্বশেষ ২০১১ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ আয়োজন করে ২৮ বছরের আক্ষেপের অবসান ঘটিয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত। সেবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারেরমত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ভারতীয়রা। মাঝে ২০১৫ বিশ্বকাপ গেলো। সেবার অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ধোনির দলকে। এবার ইংল্যান্ডে কি করে সেটাই দেখার বিষয়।

৫ জুন সাউদাম্পটনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে শুরু হবে ভারতের বিশ্বকাপ মিশন। এরপর ৯ জুন অস্ট্রেলিয়া, ১৩ জুন নিউজিল্যান্ড, ১৬ জুন পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বিরাট কোহলির দল।

সদ্য আইপিএল শেষ করা দলটির প্রায় প্রতিটি খেলোয়াড়ই রয়েছেন দারুণ ফর্মে। অধিনায়ক বিরাট কোহলির দল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু খুব বেশি ভালো কিছু করতে না পারলেও ব্যাট হাতে ফর্মেই ছিলেন কোহলি নিজে। দলের অন্যতম দুই সদস্য রোহিত শর্মা এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির দল তো খেলেছে ফাইনালই। রোহিত শর্মার ভাষায়, ‘আইপিএল আমাদেরকে বিশ্বকাপে সাহায্য করবে।’

সত্তর ও আশির দশকের ক্রিকেট পরাশক্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে কপিল দেবের নেতৃত্বে ভারত বিশ্বকাপ জিতেছিল ১৯৮৩ সালে। তবে এর আগে ১৯৭৫ ও ১৯৭৯- এ দুই বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। ১৯৮৩ সালে অবিশ্বাস্যভাবে বিশ্বজয়ের পর ২০০৩ সালে আরও একবার আশা জাগিয়েছিল ভারতীয়রা।

প্রথম পর্বে একটি পরাজয় ছাড়া বাকি সময়টুকু চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সমান পাল্লা দিয়ে তারা উঠেছিল ফাইনালে। কিন্তু ওই দিন বোলিং-ব্যাটিং বিপর্যয়ে তারা অসিদের কাছে ধরাশায়ী হয়। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১২৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যায়  সৌরভ গাঙ্গুলীর ভারত।

ওই বিশ্বকাপ ছিল কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের জন্য আরেকটি স্মরণীয় আসর। কারণ টুর্নামেন্ট সেরার পাশাপাশি এ বিশ্বকাপেই তিনি গড়েছিলেন এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৬৭৩ রানের অনন্য এক রেকর্ড। এর বাইরে ভারত ১৯৮৭ ও ১৯৯৬ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল।

তবে ২০০৭ বিশ্বকাপে শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ নিয়েও প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। পরেরবার ফেবারিট হিসেবেই শুরু করেছিল ভারতীয়রা এবং শেষ পর্যন্ত সেই বিশ্বকাপও ঘরে তুলে নিয়েছে তারা। ২০১৫ সালেও ভারত ছিল ফেবারিট। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে বিতর্কিতভাবে জয়ের পর সেমিতে গিয়ে আর পারেনি। বিদায় নিতে হয়েছিল।

এবার এমনিতেই অধিনায়ক বিরাট কোহলি রয়েছেন দুর্দান্ত ফর্মে। ফর্মে রয়েছে রোহিত শর্মা, মহেন্দ্র সিং ধোনি, শিখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, বিজয় শঙ্কররা কিংবা দিনেশ কার্তিকরা। ভারতের পেস বেটারিও এবার শক্তিশালী। মোহাম্মদ শামির সঙ্গে রয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার, জসপ্রিত বুমরাহ। পেস অলরাউন্ডার হিসেবে রয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। স্পিন অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা হতে পারেন কোহলির তুরুপের তাস। স্পিন ডিপার্টমেন্টে ইয়ুজবেন্দ্র চাহাল রয়েছেন দারুণ ফর্মে। তার লেগ স্পিন ভারতকে অনেকটাই এগিয়ে দেবে। সঙ্গে কুলদ্বীপ যাদব, কেদার যাদবও রয়েছেন দারুণ ফর্মে। সুতরাং, এই ভারত যে এবারও শিরোপার দাবিদার, তা অনায়াসেই বলে দেয়া যায়।

Captain Image

বিরাট কোহলি

২০০৮ সালে যুব ক্রিকেটে নিজ দেশকে চ্যাম্পিয়ন করার পর থেকেই সবার নজর ছিলো তরুণ বিরাট কোহলির দিকে। তখনই অনেকে ঘোষণা দিয়েছিলেন এই ছেলেই হবে ভারতের আগামীর অধিনায়ক, যার হাত ধরে অজস্র সাফল্য পাবে ভারতীয় ক্রিকেট দল।

শুভাকাঙ্ক্ষীদের এ কথা সত্যি হতে সময় লাগেনি খুব বেশি। প্রথমে নিজের ব্যাটের জাদুতে মুগ্ধ করেছেন গোটা বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীদের, বশ করেছেন প্রতিপক্ষ বোলারদের। পরে পেয়েছেন অধিনায়কত্ব, যা পালন করে যাচ্ছেন সফলতার সাথে।

সে ধারাবাহিকতায় এবারের বিশ্বকাপেও ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড থাকবে ৩০ বছর বয়সী বিরাট কোহলির হাতেই। ২০১১ সালের পর পুনরায় শিরোপা জেতার মিশনে দলকে নেতৃত্ব দেবেন সাহসী ও জেদি এ ক্রিকেটার।

বিরাট কোহলি প্রথমবারের মতো জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ পান ২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজে। সে সিরিজ শেষে জিম্বাবুয়েতে পাঁচ ম্যাচের সিরিজেও অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কোহলি। পরে নিয়মিত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ফেরায় ৮ ম্যাচেই শেষ হয় কোহলির অধিনায়কত্বের প্রথম ধাপ।

তবে ফের অধিনায়কত্ব পেতে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি তাকে। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের মাটিতে হওয়া এশিয়া কাপ এবং ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি। দুই দফায় মোট ১৭ ম্যাচে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করার পর ইস্তফা আসে কোহলির ক্যাপ্টেন্সি অধ্যায়ে।

২০১১ সালের পর ২০১৫ সালের বিশ্বকাপটিও দলের সাধারণ সদস্য হিসেবেই খেলেন কোহলি। তবে ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগেই পূর্ণাঙ্গ অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে যান তিনি। সে বছরের শুরুতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজ দিয়ে শুরু হয় কোহলির পাকাপোক্ত অধিনায়কত্ব অধ্যায়।

তার অধীনে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে রানারআপ হয় ভারত। কোহলি নিজে ব্যাট হাতে ৩ ফিফটিতে ১২৯.০০ গড়ে করেন টুর্নামেন্টের চতুর্থ সর্বোচ্চ ২৫৮ রান। এছাড়া অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর কোহলির ব্যাটের ধাঁর বেড়েছে বহুগুণে।

এখনো পর্যন্ত ওয়ানডে ক্রিকেটে ৬৮ ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোহলি। তার অধীনে ভারতের জয়ের সংখ্যা ৪৯টি, বিপরীতে হেরেছে মাত্র ১৭টিতে। জয়ের শতকরা হার ৭৩.৮৮, যা কিনা ভারতকে কমপক্ষে ২০ ম্যাচে নেতৃত্ব দেয়া অধিনায়কদের মধ্যে সেরা।

অধিনায়ক হিসেবে কোহলির ব্যাটিং পরিসংখ্যান ঈর্ষা জাগানিয়া। অধিনায়ক হিসেবে ৬৮ ম্যাচের মধ্যে ৬৫ ইনিংসে ব্যাট করে ১৯টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ১৪টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন কোহলি। ক্যারিয়ার গড় যেখানে ৫৯.৫৭, সেখানে অধিনায়ক হিসেবে ৮০.৮৪ গড়ে ৪১২৩ করেছেন তিনি।

১৯৮৮ সালে দিল্লিতে জন্ম নেয়া ৩০ বছর বয়সী কোহলি এখনো পর্যন্ত সবমিলিয়ে ভারতের হয়ে খেলেছেন ২২৭ ম্যাচ। এর মধ্যে ২১৯ ইনিংসে ব্যাট করে ৪১ সেঞ্চুরি এবং ৪৯ ফিফটিতে ভর করে ৫৯.৫৭ গড়ে ১০৮৪৩ রান করেছেন তিনি। এবারের বিশ্বকাপে ভারতের সেরা সাফল্য পেতে হলে ব্যাট হাতে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিতে হবে কোহলিকে।

Coach Image

রবি শাস্ত্রি

রবি শাস্ত্রির জন্ম ভারতের মুম্বাইয়ে। ১৯৬২ সালের ২৭ মে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। রবি শাস্ত্রির পুরো নাম ‘রবিশঙ্কর জয়ধ্রিতা শাস্ত্রি’। অল্প বয়সেই ক্রিকেটের সঙ্গে পথচলা শুরু হয় তার। খেলোয়াড়ি জীবনে ছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও বাঁ-হাতি স্পিনার।

স্কুল ক্রিকেটেই নিজের আগমনি বার্তা দেন রবি শাস্ত্রি। ভারতের সর্ব্বোচ্চ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার অভিষেক হয় মাত্র ১৭ বছর বয়সে। এর এক বছর পরই, ১৯৮১ সালে ডাক পান ভারতের জাতীয় দলে।

দেশের হয়ে ৮০ টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ৩৫.৭৯ গড়ে তিনি করেন ৩৮৩০ রান, টেস্টে তার উইকেট সংখ্যা ১৫১টি। ওডিআইতে ১৫০ ম্যাচ খেলে ২৯.০৪ গড়ে শাস্ত্রির রান ৩১০৮, উইকেট নিয়েছেন ১২৯টি। ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম সদস্যও ছিলেন তিনি। ভারতের জাতীয় দল ছাড়াও শাস্ত্রি ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে গ্ল্যামারগন ক্রিকেট ক্লাব ও অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিগে মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাবের জার্সি গায়ে মাঠে নামেন।

ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর ধারাভাষ্যের সঙ্গে যুক্ত হন রবি শাস্ত্রি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, আইপিএলের মতো আসরগুলোতে ধারাভাষ্যে কক্ষে নিয়মিতই দেখা গেছে তাকে।

২০০৭ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হেরে বিদায় নেয় ভারত। বিশ্বকাপের পরের সিরিজে টিম ম্যানেজারের আদলে প্রথমবার কোচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর ২০১৪ সালে সাবেক জিম্বাবুইয়ান কোচ ডানকান ফ্লেচারের বিদায়ের পর টিম ডিরেক্টর নামে ফের কোচিংয়ে ফেরেন রবি শাস্ত্রি।

দুই বছর পর আবার ফেরত যান নিজের পেশা ধারাভাষ্যে। এরপর নানা নাটকীয়তায় ভারতীয় ক্রিকেট লিজেন্ড অনিল কুম্বলের বিদায়ের পর আবারো ভারতের জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

রবি শাস্ত্রির সঙ্গে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের। বছরে সাত থেকে সাড়ে সাত কোটি টাকা বেতন পান শাস্ত্রি। যা শুধু ভারতেরই নয় পুরো বিশ্বের কোচদের মধ্যেই সর্ব্বোচ্চ। বিরাট কোহলিসহ লম্বা ব্যাটিং লাইন-আপের কারণে এবারের বিশ্বকাপেও ফেবারিট ভারত। সঙ্গে রবি শাস্ত্রির মতো কোচ থাকায় আরো একটু এগিয়ে থাকবে তারা। কঠিন পরিস্থিতিতে ঠাণ্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিতে পারার জন্য বেশ সুনাম আছে শাস্ত্রির।

ভারতীয় স্কোয়াড

বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ-অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, বিজয় শঙ্কর, মহেন্দ্র সিং ধোনি (উইকেটরক্ষক), কেদার যাদব, দিনেশ কার্তিক, ইয়ুজবেন্দ্র চাহাল, কুলদীপ যাদব, ভুবনেশ্বর কুমার, জসপ্রিত বুমরাহ, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, মোহাম্মদ শামি।

ভারত

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : ১১ বার
  • চ্যাম্পিয়ন : ১৯৮৩, ২০১১
  • রানার্সআপ : ২০০৩
  • সেমিফাইনাল : ১৯৮৭, ১৯৯৬, ২০১৫
  • কোয়ার্টার ফাইনাল : নেই
  • সুপার সিক্স : ১৯৯৯
  • প্রথম পর্ব : ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৯২, ২০০৭।

সময়সূচি

০৫ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

হ্যাম্পশায়ার বোল

দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ২২৭/৯

ভারত ভারত ২৩০/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

ভারত ৬ উইকেটে জয়ী (১৫ বল হাতে রেখে)

০৯ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

দ্য ওভাল

ভারত ভারত ৩৫২/৫ (৫০ ওভার)

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ৩১৬/১০ (৫০ ওভার)

ম্যাচ রিপোর্ট

ভারত ৩৬ রানে জয়ী

১৩ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

ট্রেন্টব্রিজ

ভারত ভারত

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট

কোনো বল মাঠে গড়ানো ছাড়াই পরিত্যক্ত

১৬ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

ওল্ড ট্র্যাফোর্ড

ভারত ভারত ৩৩৬/৫(৫০.০)

পাকিস্তান পাকিস্তান ২১২/৬ (৪০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

বৃষ্টি আইনে ভারত ৮৯ রানে জয়ী

২২ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

হ্যাম্পশায়ার বোল

ভারত ভারত

আফগানিস্তান আফগানিস্তান

২৭ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

ওল্ড ট্র্যাফোর্ড

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ভারত ভারত

৩০ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

এজবাস্টন

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড

ভারত ভারত

০২ জুলাই, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

এজবাস্টন

বাংলাদেশ বাংলাদেশ

ভারত ভারত

০৬ জুলাই, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

হেডিংলি

শ্রীলংকা শ্রীলংকা

ভারত ভারত

আরও

মোস্তাফিজের জোড়া আঘাত

মোস্তাফিজের জোড়া আঘাত

সাকিবের দ্বিতীয় শিকার পুরান

সাকিবের দ্বিতীয় শিকার পুরান

শুরুতেই ক্যারিবীয়দের গেম প্ল্যান নষ্ট করা চমক টাইগারদের!

শুরুতেই ক্যারিবীয়দের গেম প্ল্যান নষ্ট করা চমক টাইগারদের!

বিধ্বংসী লুইসকে ফেরালেন সাকিব

বিধ্বংসী লুইসকে ফেরালেন সাকিব