নিউজিল্যান্ড

Team Image

এবার আবারও ফাইনালের হাতছানি!

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড সব সময়ই সেমিফাইনালের দল হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু ২০১৫ নিজ দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে এসে সেই আক্ষেপ ঘুচিয়েছে তারা। এখন আর তাদেরকে শুধুমাত্র সেমিফাইনালের দল বলতে পারবে না কেউ। অন্তত একটা বিশ্বকাপের ফাইনাল তো খেলেছে তারা! ২০১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেও মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে আর অধরা শিরোপাটা ধরা হয়নি ব্ল্যাক ক্যাপসদের।

২০১৫ বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত বিশ্বকাপের ৬টিতেই সেমিফাইনাল খেলেছে কিউইরা। প্রতিবারই তারা আটকে গেছে শেষ চারেই। ২০১৫ সালে উপমহাদেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে। তার আগে ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের দলকে।

১৯৯৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড আটকে গিয়েছিল পাকিস্তানের কাছে। তার আগে একই ঘটনা ঘটেছিল ১৯২ বিশ্বকাপেও। সেবারও সেমির বাধা তারা টপকাতে পারেনি পাকিস্তানের কাছে হেরে বিদায় নেয়ার কারণে। তার আগে প্রথম দুই বিশ্বকাপে, ১৯৭৫ এবং ১৯৭৯ বিশ্বকাপেও সেমিফাইনাল খেলেছিল নিউজিল্যান্ড।

আইসিসি র‌্যাংকিংয়ে নিউজিল্যান্ড এবার রয়েছে চতুর্থ স্থানে। তবে আইসিসি র্যাংকিং যাই হোক, কিউইদের এবারের দলটি খুবই দুর্দান্ত। শিরোপা জিততে পারবে কি না জানা নেই, সে নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। তবে কিউইরা আবারও ফাইনালে উঠে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। তেমন একটি দল নিয়েই ইংল্যান্ড যাচ্ছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা।

ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ড দলটি কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বে দুর্দান্ত। খুবই ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল। কিন্তু মাঠে নিজেদের সময়মত প্রমাণ করতে না পারাটাই তাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং কোনো অংশেই তাদের ঘাটতি নেই। তবুও কেন যেন বড় মঞ্চে ঠিক পেরে ওঠে না তারা।

নিউজিল্যান্ড সর্বশেষ টানা ৭টি সিরিজ খেলেছে ঘরের মাঠে। এর মধ্যে তারা হেরেছে ইংল্যান্ড এবং ভারতের কাছে। পাকিস্তানের সঙ্গে ৩ ম্যাচের সিরিজ ড্র করেছে ১-১ ব্যবধানে। পাকিস্তানকে আরও একবার হারিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতেছে তারা।

১ জুন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ মিশন। পরের ম্যাচই তাদের, ৫ জুন বাংলাদেশের বিপক্ষে। ৯ ম্যাচের বিশাল ধাক্কা পেরিয়ে কিউইরা কতদুর যেতে পারে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বে এবারের নিউজিল্যান্ড দলটি দুর্দান্ত। ওপেনিংয়ে মার্টিন গাপ্টিল বিশ্বের অন্যতম সেরা ওপেনার হিসেবে পরিচিত। সর্বশেষ কয়েকটা সিরিজে তার সঙ্গে ব্যাটিং ওপেন করেছেন কলিন মুনরো। বিশ্বকাপেও গাপ্টিলের সঙ্গে মুনরোর ইনিংস ওপেন করার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যাটিংয়ে রয়েছেন উইলিয়ামসন নিজে, অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান রস টেলর, মিডল অর্ডারে টম ল্যাথাম, হেনরি নিকোলস, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, টম ব্লান্ডেল, জিমি নিশাম।

বোলিংয়েও যথেষ্ট শক্তিশালি কিউইরা। টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হেনরি, লকি ফার্গুসন, মিচেল সান্তনারদের পেস আগুন ঝরাতে পারে ইংল্যান্ডের মাটিতে। সাথে ইস শোধির স্পিন ঘূর্ণিও বিপদে ফেলতে পারে প্রতিপক্ষ দলগুলোকে। বিশ্বকাপের সব আসরে অংশ নিয়ে নিউজিল্যান্ড এখন পর্যন্ত ৭৯টি ম্যাচ খেলেছে। ৪৮ ম্যাচে জয়ের বিপরীতে আছে ৩০টি হার।

Captain Image

কেন উইলিয়ামসন

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকটা যত সম্ভব ভুলে থাকতে চাইবেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পরপর দুই ওয়ানডেতে শূন্য রানে আউট হয়ে শুরু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার পথচলা। তবু আস্থা হারায়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। যার প্রতিদান তিনি দিয়েছেন নিজের চতুর্থ ইনিংসেই প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০১০ সালের ১৪ অক্টোবর তারিখে ১০৮ রানের ইনিংস দিয়ে সেই যে শুরু কিউই ক্রিকেটে উইলিয়ামসন অধ্যায়ের, যা এখনো চলমান রয়েছে আপন মহিমায়। সে বছরের ১০ আগস্ট তারিখে ভারতের বিপক্ষে অভিষেক উইলিয়ামসনের। অভিষেক ম্যাচসহ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পরের ম্যাচেও রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন ডানহাতি এ টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান।

সেখান থেকে চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে নিজেকে পরিণত করেছেন দলের অবিচ্ছেদ্য অংশে। যার ফলে দু’বছরের মাথায়ই পেয়ে যান দলকে নেতৃত্ব দেয়ার দায়িত্ব। তবে প্রথম দফায় তাকে দেয়া হয় রঙিন পোশাকে দলকে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব। কারণ তখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে যাচ্ছিলেন তৎকালীন অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।

তার অধীনেই ২০১৫ সালের বিশ্বকাপটি খেলেন উইলিয়ামসন, দগ্ধ হন ফাইনাল হারের যন্ত্রণায়। ২০১৬ সালে ম্যাককালাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলে ব্ল্যাক ক্যাপসদের তিন ফরম্যাটের অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব পান উইলিয়ামসন। তাকে সামনে রেখেই পরবর্তী বিশ্বকাপ তথা আসন্ন ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করে কিউইরা।

তবে উইলিয়ামসনের অধিনায়কত্বে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আশানুরূপ সাফল্য পায়নি নিউজিল্যান্ড। গ্রুপপর্বে বাংলাদেশের বিপক্ষে আধিপত্য বিস্তার করেও শেষপর্যন্ত হেরে যাওয়ায় বিদায় নিতে হয় খালি হাতেই। তবু উইলিয়ামসনের ওপর থেকে আস্থা হারায়নি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

অবশ্য আস্থা হারানোর প্রশ্নই বা আসবে কেন? পুরোদস্তুর ব্যাটসম্যান উইলিয়ামসন সামনে থেকেই নেতৃত্ব দেন দলকে। অধিনায়ক থাকেন বা নাই থাকেন- তার ব্যাটের পারফরম্যান্সে পরিবর্তন আসে না তেমন। তাই তো এখনো পর্যন্ত ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১৩৯ ম্যাচে ৪৫.৯০ গড়ে ৫৫৫৪ রান করা উইলিয়ামসন অধিনায়কত্ব নিয়ে খেলা ৬৫ ম্যাচে প্রায় কাছাকাছি ৪৬.৬৮ গড়ে করেছেন ২৮০১ রান। পুরো ক্যারিয়ারে ১১টি সেঞ্চুরির মধ্যে আর্মব্যান্ড হাতে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৫টি শতরানের ইনিংস।

এতেই স্পষ্টত প্রমাণিত অধিনায়কত্বকে বাড়তি চাপ মনে করেন না তিনি বা এতে তার ব্যাটসম্যানশিপে প্রভাব পড়ে না তেমন। ভদ্রলোকের খেলা ক্রিকেটের বড় বিজ্ঞাপন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। আর সেই দলের অন্যতম সেরা ভদ্রলোক কেন স্টুয়ার্ট উইলিয়ামসন। তাই তো মাঠ ও মাঠের বাইরে দারুণভাবে আগলে রাখতে পারেন দলটিকে।

তাই বলে যে অধিনায়ক হিসেবে তার পরিসংখ্যান একদমই ফেলনা- তা কিন্তু নয়। এখনো পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৬৫ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন দলকে। বিপরীতে জয়ের সংখ্যা ৩৪টি, পরিত্যক্ত ম্যাচ রয়েছে ২টি, জয়ের শতকরা হার ৫৩.৯৬। আর ম্যাককালামের অবসরের পর অর্থাৎ ২০১৬ সালে পূর্ণ অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়ার পর ২৮ ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ১৬টিতেই মাঠ ছেড়েছেন হাসিমুখে, হেরেছেন মাত্র ১০টিতে।

এরই মধ্যে খেলোয়াড় হিসেবে ২০১১ এবং ২০১৫ বিশ্বকাপে খেলার অভিজ্ঞতা থাকা উইলিয়ামসনের নেতৃত্বগুণেই আস্থা রেখেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ১৯৯০ সালে নিউজিল্যান্ডের নর্থ আইল্যান্ডের টরাঙ্গাতে জন্ম নেয়া উইলিয়ামসন এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ক্রিকেটার।

নিজের প্রথম দুই ইনিংসে খালি হাতে ফেরার পর এখনো পর্যন্ত তিনি ব্যাটিং করেছেন আরও ১৩১টি ইনিংসে। ১১ বার তিন অঙ্ক ছোঁয়ার পাশাপাশি ৩৭ বার তার ব্যাট পেরিয়েছে পঞ্চাশ রানের মাইলফলক। রঙিন পোশাকে এরই মধ্যে দেশের ইতিহাসের ষষ্ঠ সর্বোচ্চ ৫৫৫৪ রান করেছেন তিনি, সঙ্গে খণ্ডকালীন অফস্পিনে নিয়েছেন ৩৫টি উইকেট। আসন্ন বিশ্বকাপে তার ব্যাটের পাশাপাশি অধিনায়কত্বের দিকেই বেশি আশা থাকবে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটপ্রেমীদের।

Coach Image

গ্যারি স্টিড

ব্ল্যাক ক্যাপস ডাগ আউটে বসে আছেন চল্লিশোর্ধ্ব মাঝবয়সী এক টেকো ভদ্রলোক। কুঁচকে যাওয়া কপালে চিন্তার বলিরেখা সুস্পষ্ট! ক্ষণে ক্ষণে স্বল্প চুলাবৃত মাথায় হাত বুলিয়ে পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির সাথে নিজের চিন্তাভাবনার সংযোগ করানোর ব্যর্থ-অব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছেন।

পাশে বসা সহকারী কোচ কিংবা অন্য কোন মেন্টরের সাথে নিচুস্বরে আলাপচারিতা ক্যামেরা, মাইক্রোফোন কিংবা বাদবাকী দশজনকে ফাঁকি দিলেও গ্যারি স্টিড নিজেকে ফাঁকি দিতে পারেন না!

এইতো গেল বছর আগস্টে নিউজিল্যান্ডের কোচ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তির পর খুব কমই সময় পেলেন বিশ্বকাপের জন্য নিজেকে তৈরী করে দল গুছিয়ে নেয়ার জন্য। একে তো কোচ হিসেবে অভিজ্ঞতার ভান্ডার সমসাময়িক আন্তর্জাতিক অন্য কোচদের মতো অতোটা সমৃদ্ধ নয়। তবুও স্টিড নিঃসন্দেহে একজন বিচক্ষণ কোচ।

ব্ল্যাক ক্যাপসদের প্রধাণ কোচ হিসেবে যোগ দেয়ার আগ পর্যন্ত ঘরোয়া লিগ এবং নিউজিল্যান্ড জাতীয় নারী দলের কোচ হিসেবে বেশ সফলই ছিলেন গ্যারি। নিউজিল্যান্ড নারী দলকে নিয়ে ২০০৯ বিশ্বকাপ রানার্সআপ এবং ২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন গ্যারি স্টিড।

নারী দল থেকে ইস্তফা দিয়ে গ্যারি নাম লেখান ঘরোয়া দল কেন্টারবারির হয়ে। কেন্টারবারির দায়িত্ব নিয়ে দলকে টানা ৪টি লিগ শিরোপা জেতান। এমন অর্জনের পরও আন্তর্জাতিক অর্জনে একপ্রকার অখ্যাতই ছিলেন গ্যারি স্টিড! তবে মাত্র ৯ মাসেই পাল্টে ফেলেছেন সে চিত্র।

নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে এই গ্যারি স্টিড দেখছেন বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন, যদিও দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কিছুটা শঙ্কায় রয়েছেন তিনি। তবুও বিশ্বকাপ নিয়ে বেশ আশাবাদী। দলের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত গ্যারির অধীনে নিউজিল্যান্ড খেলেছে ৪টি সিরিজ; যার মধ্যে দুটি জয় (শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশ) একটি ড্র (পাকিস্তান) এবং একটি হার (ইন্ডিয়া)।

ফলাফল চিন্তা করে গ্যার স্টিডকে বিচার করার সময় এখনো আসেনি। আসন্ন বিশ্বকাপে তার গেমপ্ল্যান, মাইন্ড গেম হয়ত ফলাফল পরিবর্তনে ব্ল্যাক ক্যপসদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দল নির্ভর কিউইরা কখনোই ব্যক্তিগত নৈপুণ্যকে বাধ্যবাদকতা হিসেবে ধরেনি, ঠিক সে রকম দর্শনের অনুসারী গ্যারি স্টিড নিশ্চয় ভাল কিছু দেবেন ব্ল্যাক ক্যাপসদের! সে আশাতেই বুক বেঁধে আছে নিউজিল্যান্ড!

কেন উইলিয়ামসন, মার্টিন গাপটিল, ট্রেন্ট বোল্ট, রস টেলরদের নিয়ে গড়া টিম নিউজিল্যান্ড নিজেদের দিনে হারাতে পারে যে কোনো শক্তিশালি দলকেই। অসামান্য টিম কম্বিনেশন, ডেডিকেশনের মিশেলে গ্যারি স্টিড হয়ত এবার করে ফেলবেন বেশ বড়সড় কিছু।

টেকো মাথার এই ভদ্রলোক হয়ত কিছুদিন বাদে লর্ডসর ডাগ আউটে বসে গেলবারের বিশ্বকাপ হাতছাড়া হবার হাহাকারকে উদযাপনে পরিণত করবেন, তখনও হয়ত কুঁচকে যাওয়া কপালের ভাঁজে জমা ঘামের স্রোতে নিজেকে বিসর্জন দিয়ে বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরবেন গ্যারি স্টিড!

নিউজিল্যান্ড স্কোয়াড স্কোয়াড

কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), মার্টিন গাপটিল, হেনরি নিকোলস, রস টেলর, টম লাথাম, কলিন মুনরো, টম ব্লান্ডেল, জিমি নিশাম, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, মিচেল স্যান্টনার, ইশ সোধি, টিম সাউদি, ম্যাট হেনরি, লুকি ফার্গুসন, ট্রেন্ট বোল্ট।

নিউজিল্যান্ড

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : ১১ বার
  • চ্যাম্পিয়ন : নেই
  • রানার্সআপ : ১ বার (২০১৫)
  • সেমিফাইনাল : ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৯২, ১৯৯৯, ২০০৭, ২০১১
  • কোয়ার্টার ফাইনাল : ১৯৯৬
  • সুপার সিক্স : ২০০৩
  • প্রথম পর্ব : ১৯৮৩, ১৯৮৭।

সময়সূচি

০১ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

সোফিয়া গার্ডেন, কার্ডিফ

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৩৬/১০

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৩৭/০

ম্যাচ রিপোর্ট

নিউজিল্যান্ড ১০ উইকেটে জয়ী

০৫ জুন, ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম

দ্য ওভাল

বাংলাদেশ বাংলাদেশ ২৪৪/১০

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ২৪৮/৮

ম্যাচ রিপোর্ট

নিউজিল্যান্ড ২ উইকেটে জয়ী (১৭ বল হাতে রেখে)

০৮ জুন, ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম

কাউন্টি গ্রাউন্ড টন্টন

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৭২/১০ (৪১.১)

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৭৩/৩ (৩২.১)

ম্যাচ রিপোর্ট

নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী

১৩ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

ট্রেন্টব্রিজ

ভারত ভারত

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট

কোনো বল মাঠে গড়ানো ছাড়াই পরিত্যক্ত

১৯ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

এজবাস্টন

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড

দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা

২২ জুন, ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম

ওল্ড ট্র্যাফোর্ড

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড

২৬ জুন, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

এজবাস্টন

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড

পাকিস্তান পাকিস্তান

২৯ জুন, ২০১৯, ০৬:৩০ পিএম

লর্ডস

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া

০৩ জুলাই, ২০১৯, ০৩:৩০ পিএম

দ্য রিভারসাইড ডারহাম

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড

আরও

মোস্তাফিজের জোড়া আঘাত

মোস্তাফিজের জোড়া আঘাত

সাকিবের দ্বিতীয় শিকার পুরান

সাকিবের দ্বিতীয় শিকার পুরান

শুরুতেই ক্যারিবীয়দের গেম প্ল্যান নষ্ট করা চমক টাইগারদের!

শুরুতেই ক্যারিবীয়দের গেম প্ল্যান নষ্ট করা চমক টাইগারদের!

বিধ্বংসী লুইসকে ফেরালেন সাকিব

বিধ্বংসী লুইসকে ফেরালেন সাকিব