একব্যক্তির দুঃশাসন চলছে : ফখরুল


প্রকাশিত: ০৮:৩৮ এএম, ১০ জুলাই ২০১৭
ফাইল ছবি

‘দেশে কোনো সরকার নাই। চলছে একব্যক্তির দুঃশাসন, একব্যক্তির শাসন। এ থেকে বেরিয়ে আসতে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ভয় দেখিয়েও কোনো লাভ নেই।’

সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনের ভাসানী ভবনে নগর বিএনপি (উত্তর) সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম ২০১৭ উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘সরকারের প্রধান অস্ত্র হচ্ছে মিথ্যা মামলা। তাই আসুন ঐক্যবদ্ধ হই। এখনও কোনো ভেদাভেদ নাই। একটাই কাজ এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা।’

প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না বলেই বিএনপি সহায়ক সরকার চায় বলেও এ সময় মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না এই দাবি অতীতে আওয়ামী লীগের ছিল। দেশের রাজনীতিতে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল যে, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জনগণ যাকে ইচ্ছে তাকে ভোট দিতে পারতো। কিন্তু এরা (আওয়ামী লীগ) অনির্বাচিতভাবে ক্ষমতায় এসে সেই তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করেছে। তাই সরকারকে বলব দাম্ভিকতা ও অহংকার ছেড়ে মানুষের কথা চিন্তা-ভাবনা করে আলোচনার ব্যবস্থা করুন। কারণ সবাই এখন সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিরাজনীতিকরণের মাধ্যমে দেশকে গণতন্ত্র ও রাজনীতির বাইরে নিয়ে যেতে এই সরকার উঠে-পড়ে লেগেছে। এদের চরিত্র দ্বিমুখী। মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে আর কাজ করে আরেক। তর্ক-বির্তক-যুক্তি বিশ্বাস করে না, পেশীশক্তি বিশ্বাস করে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমান সর্ম্পকে কটূ কথা বলে অথচ জিয়াউর রহমানই আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন।’

ফখরুল আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ চুতর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭২-র সংবিধানে বিচারপতি অভিসংশনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দিয়েছিল।

এমএম/এসআর/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :