নেপালে ২ কর্মকর্তা পাঠিয়েছে বোম্বারডিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:৪৩ পিএম, ১৪ মার্চ ২০১৮

ত্রিভুবণ বিমানবন্দরের পাশে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা তদন্তে সহায়তা করতে দুই কর্মকর্তাকে নেপালে পাঠিয়েছে কানাডার বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোম্বারডিয়ার ইনক। সোমবার নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বোম্বারডিয়ারের নির্মিত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বোম্বারডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ ৪০০ বিমানটি কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হয়।

এতে ওইদিন ঘটনাস্থলেই ৪৯ জন এবং মঙ্গলবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো দুজনের প্রাণহানি ঘটে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সবাদ সংস্থা রাষ্ট্রীয় সমাচার সমিতি (আরএসএস) বলছে, দুর্ঘটনায় ২২ নেপালি, ২৮ বাংলাদেশি, এক চীনা যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। নেপালের ইতিহাসের তৃতীয় বৃহত্তম বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা এটি।

বোম্বারডিয়ারের মুখপাত্র নাথালি সিফেনফেট বলেছেন, ‘বিমান নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট একজন তদন্ত কর্মকর্তা উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন। এছাড়া অপর এক কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ের তদন্ত কাজে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সকে সহায়তা করবেন।

এদিকে, প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনার পরবর্তী ঘটনা তদারকি করতে মঙ্গলবার বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল কাঠমান্ডুতে পৌঁছেছেন।

নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব সুরেশ আচার্য বলেছেন, বাংলাদেশ এবং বোম্বারডিয়ারের কর্মকর্তারা নেপালের তদন্ত কমিশনকে সহায়তা করবেন।

বোম্বারডিয়ার বলছে, গত বছর কিউ ৪০০ বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণে বেশ কয়েকবার সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। তবে এই দুর্ঘটনা নিয়ে মাত্র দু’বার প্রাণহানির ঘটনা ঘটলো।

২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নিওয়ার্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাফেলেঅ নায়াগ্রা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে কোলগান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। বিমানবন্দরে অবতরণের আগে পাশের একটি বাড়িতে আঁছড়ে পড়ায় বিমানটির সব আরোহীর প্রাণহানি ঘটে। বিমানটিতে ৪৯ আরোহী ছিল।

সূত্র : কাঠমান্ডু পোস্ট।

এসআইএস/আরআইপি