রিমোট কন্ট্রোল ট্যাঙ্ক আনছে চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৫৮ পিএম, ২১ মার্চ ২০১৮
রিমোট কন্ট্রোল ট্যাঙ্ক আনছে চীন

যুদ্ধক্ষেত্রে রিমোট কন্ট্রোল ট্যাঙ্ক হলিউডের মুভিতে হরহামেশাই দেখা যায়। কিন্তু বাস্তবে কোন দেশে এখনও এ ধরনের ট্যাঙ্কের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বহু দূরে কন্ট্রোলরুমে বসে রিমোটের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এসব ট্যাঙ্ক। এবার বাস্তবেই এমন অত্যাধুনিক সাঁজোয়া ট্যাঙ্ক আনছে চীন।

চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘আনম্যানড ট্যাঙ্ক’ আবিষ্কার করেছে বে্জিই। শুধু এরকম গ্রাউন্ড যান নয়, মানুষ ছাড়াও উড়বে এমন এরিয়াল যান বা সহজে বললে ড্রোনও এখন বেইজিংয়ের সামরিক সরঞ্জাম ভান্ডারে রয়েছে।

স্যাটেলাইট, এয়ারক্রাফট বা সাবমেরিন থেকে এসব ট্যাঙ্ক বা ড্রোন পরিচালনা করা যাবে। সরকারি টিভি চ্যানেলে এসব ট্যাঙ্কের সামরিক মহড়ার ফুটেজও দেখানো হয়েছে। এদের পোশাকি নাম টাইপ-৫৯ ব্যাটল ট্যাঙ্ক। এই সামরিক গাড়ি যুদ্ধক্ষেত্রে নামলে শত্রুর হামলায় একজন সেনারও কোনও ক্ষতি হবে না। কিন্তু তা শত্রু ঘাঁটি গুড়িয়ে দেবে।

এই মুহূর্তে আমেরিকা, জাপান বা ভারতের সঙ্গে চীনের যে সম্পর্ক তাতে প্রতিটি দেশই চীনের এমন খবরে আতঙ্কিত। তবে মহড়াতে ট্যাঙ্কের কিছু ত্রুটি ধরা পড়ায় এখনই সেটি সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিচ্ছে না বেইজিং। আরও কিছুদিন পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরই সেটি সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।

সোভিয়েত মডেলের এই টাইপ ৫৯ ট্যাঙ্ক ১৯৫০ সালে সর্বপ্রথম চীনা সেনারা ব্যবহার করে। তারপর থেকেই সে দেশে ওই ট্যাঙ্কের বিপুল উৎপাদন শুরু হয়। নিয়ম মেনে ওই ট্যাঙ্কের মডেলে বেশ কিছু পরিবর্তনও আনা হয়। কিন্তু এমন পরিবর্তনও যে আনা যাবে, দুঃস্বপ্নেও হয়তো ভাবেনি শত্রু দেশগুলো। সাধারণত এই ধরনের ট্যাঙ্কে ১০০ এমএম মর্টার, একটি ৭.৬২ এমএম মেশিন গান, একটি ১২.৭ এমএম অ্যান্টি এয়ারক্রাফট মেশিন থাকে। এক একটি ট্যাঙ্কে ৪ জন করে সেনা সদস্য থাকেন।

টিটিএন/এমএস