এবার যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদিকে সর্বাত্মক যুদ্ধের হুমকি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৪৬ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

তেহরানের বিরুদ্ধে সৌদি আরব কিংবা মার্কিন সেনাবাহিনীর যেকোনো ধরনের হামলা হলে তা সর্বাত্মক যুদ্ধে রূপ নেবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি এই হুমকি দিয়েছেন।

ইরানের এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমি একটি অত্যন্ত গুরুতর বিবৃতি দিচ্ছি। সেটি হলো আমরা যুদ্ধ চাই না। আমরা কোনো ধরনের সামরিক সংঘাত চাই না...কিন্তু আমরা নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষার জন্য চোখ বন্ধ করে থাকবো না। সৌদি আরব কিংবা মার্কিন সামরিক বাহিনী হামলা চালালে তার ফল কী হবে; সিএনএনের এমন এক প্রশ্নের জবাবে জাভেদ জারিফ বলেন, সর্বাত্মক যুদ্ধ।

গত শনিবারের সৌদি তেলক্ষেত্রে ভয়াবহ ড্রোন হামলার জবাব দিতে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তেলক্ষেত্রে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করছে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই হামলার সঙ্গে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্ঠতা অস্বীকার করেছে তেহরান। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সৌদির তেলক্ষেত্রে হামলার ঘটনাকে যুদ্ধাপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন।

বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নোটে জানান, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়া ছাড়াও আরো অনেক পথ রয়েছে তার হাতে। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে আরো বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন।

মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ বলেছেন, পম্পেও তথাকথিত বি-টিমের সদস্য। তেহরান বলছে, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান-সহ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও ট্রাম্পকে যুদ্ধের জন্য প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছে।

তেলক্ষেত্রে হামলার ঘটনাকে বিশ্বের জন্য পরীক্ষা বলে বুধবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বৈশ্বিক ইচ্ছার বাস্তব পরীক্ষা এই হামলা।

গত শনিবার সৌদির দুটি তেলক্ষেত্রে অন্তত ২৫টি ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে বলে দাবি করেছেন রিয়াদ। হামলায় যে ইরান জড়িত সেব্যাপারে কোনো ধরনের সন্দেহ নেই বলে জানিয়েছে সৌদি আরব।

এসআইএস/জেআইএম