কানাডায় ৬ একরের পুরো দ্বীপ পুরস্কার হিসেবে পেলেন প্রবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:০৭ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০১৯

বাবা-মাসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ২০ বছর ধরে বসবাস করছেন এক প্রবাসী। চুক্তিতে কখনও বাড়ি ভাড়া করার চিন্তাও করতে পারেননি তিনি। অথচ ভারতীয় এই প্রবাসী কানাডায় ছয় একর আয়তনের পুরো একটি দ্বীপের মালিক বনে গেছেন।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত পর্তুগিজ নাগরিক ব্রেন্ডন লোপেস এমিরেটস এনবিডির ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্যাংকের এক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কানাডায় একটি প্রাইভেট দ্বীপ পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন।

২৭ বছর বয়সী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ডিজে ওই দ্বীপের পাশাপাশি এক লাখ আমিরাতি দিরহাম পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি যে দ্বীপটি পুরস্কার পেয়েছেন; সেটির আয়তন প্রায় পাঁচটি ফুটবল মাঠের সমান এবং এই দ্বীপটি অবস্থিত কানাডার নোভা স্কোটিয়া অঞ্চলে।

অনলাইনে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই দ্বীপের বাজার মূল্য ৫০ হাজার থেকে এক লাখ মার্কিন ডলার। খালিজ টাইমসকে ব্রেন্ডন লোপেস বলেন, আমার নিজস্ব কোনো বাড়ি নেই; এমনকি এজারি চুক্তির ব্যাপারেও আমি জানি না। এখনও আমি বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস করছি। কিন্তু বর্তমানে আমি পুরো একটি দ্বীপের মালিক। আমি এটি বিশ্বাস করতে পারছি না।

‘আমি এক লাখ আমিরাতি দিরহাম জয়ের পর আমার মাথায় প্রথম চিন্তাটা এসেছিল, সেটি হলো এই অর্থ দিয়ে আমি আত্মীয়-স্বজনদের সহায়তা করবো। কিন্তু দ্বীপের ব্যাপারে এখনও আমি নিশ্চিত নই কি করবো। আমার বয়স মাত্র ২৭ বছর। আমার বয়সী মানুষেরা এরকম একটি পুরো দ্বীপ পেলে কী করবে সেটিও আমার জানা নেই। আমার জীবনের বেশিরভাগ সময়ে নিজের জন্য একটি পুরো কক্ষ কখনও পাইনি।’

লোপেস এখন দ্বীপটি একনজর দেখার জন্য কানাডার নোভা স্কোটিয়া ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। দ্বীপটি দেখার পর আসলে কি করবেন সেব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

চলতি বছরের এপ্রিলে আমিরাতের ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্যাংক এমিরেটস এনবিডি ‘লিভে’র সহায়তায় একটি ক্যাম্পেইন শুরু করে। এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে লিভের ব্যবহারকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ লিভিয়ন পয়েন্টধারীদের প্রত্যেক মাসে বাছাই করা হয়। এছাড়াও বিক্ষিপ্তভাবে আরো ১৫ জনকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য বাছাই করে কর্তৃপক্ষ। পরে ২০ প্রতিযোগীকে অনুষ্ঠিত হয় চূড়ান্ত পর্ব। এই পর্বে সবাইকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ওই প্রবাসী।

এসআইএস/পিআর