এবার ধর্মগুরু বললেন, বাঘের কারণেই সন্ত্রাস, গরু হোক জাতীয় পশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:২৫ এএম, ২২ নভেম্বর ২০১৯

গরু, গরুর দুধ এসব নিয়ে বর্তমানে ভারতে আলোচনা লেগেই থাকে। ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতারা প্রায়ই হাজির হন শুনতে অদ্ভূত সব তত্ত্ব নিয়ে। এই তো কদিন আগেই গরুর দুধে সোনা তত্ত্বে হাসির খোরাক হয়েছেন একজন।

এবার বিশ্বেসাতীর্থ স্বামী নামে ধর্মগুরু দাবি করলেন, গরুকে জাতীয় পশু আর বাঘকে জাতীয় প্রতীক করা হোক। বিশ্বেসাতীর্থ স্বামী হলেন কর্ণাটকের উদুপির পেজাওয়ার মঠের প্রধান। গরুর কসাইখানা পুরোপুরি বন্ধ করা, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ আইন চালু করার দাবিও জানান তিনি।

এই হিন্দু ধর্মগুরু বলেন, ‘বাঘকে জাতীয় পশু ঘোষণা করার কারণেই দেশে সন্ত্রাসবাদের বাড়বাড়ন্ত হয়েছে। আমরা যদি বাঘের বদলে গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করি তাহলে দেশে শান্তি আসবে। কারণ গরু হলো সব ভারতীয় নাগরিকের মা। তাকে জাতীয় পশু ঘোষণা করা হলে দেশে আর কোনো সন্ত্রাসবাদীর জন্ম হবে না।’

গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করার পাশাপাশি গঙ্গা নদীর শুদ্ধিকরণে আরও গুরুত্বারোপ করার কথা উল্লেখ করেন বিশ্বেসাতীর্থ স্বামী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একসময় গঙ্গা আমাদের পবিত্র করত। দুর্ভাগ্যের বিষয় তাকে আমরা এতটাই দূষিত করেছি যে আজকে সেই গঙ্গাকেই শুদ্ধ করতে হচ্ছে।’

জীবদ্দশায় রাম মন্দির তৈরি হওয়া দেখে যেতে পারবেন বলে আশাপ্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর আগে অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হওয়া দেখে যেতে চাই। দেশও রাম রাজ্যে পরিণত হোক।’

এনএফ/পিআর