মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন সেই অগ্নিদগ্ধ ধর্ষিতা তরুণী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:১৪ এএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

থেমে গেল জীবনের লড়াই। ভারতের উত্তরাঞ্চলে ধর্ষণ মামলার শুনানির জন্য আদালতে যাওয়ার সময় ২৩ বছর বয়সী এক নারীর শরীরে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়। হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ওই নারী মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল থেকেই তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে। রাত ১১টা ৪০ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান অগ্নিদগ্ধ ওই তরুণী।

লক্ষ্ণৌর একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়তে লড়তেই উন্নাওয়ের ওই তরুণী (২৩) পুলিশকে তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে গণধর্ষণ মামলার শুনানির জন্য উন্নাও থেকে রায়বেরেলি যাচ্ছিলেন ওই তরুণী।

সকালে বাইশওয়াড়া বিহার স্টেশনের দিকে রওনা হতেই হরিশংকর ত্রিবেদী, শুভম, কিশোর, শিবম ও উমেশ তার পথ আটকায়। অভিযুক্তরা প্রথমে ওই যুবতীর মাথায় আঘাত করে। পরে গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে। আঘাতের পর মাটিতে পড়ে যেতেই তার গায়ে পেট্রল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে করতে ছুটতে থাকেন। এই অবস্থায়ই প্রায় এক কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছেন তিনি।

এক বছর আগে উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ের একটি গ্রামে গণধর্ষণ করা হয় ওই তরুণীকে। ওই ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় আদালতের নির্দেশে গ্রামেরই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই জামিনও পেয়ে যায়। মামলার শুনানির জন্য আদালতে যাওয়ার পথে ওই তরুণীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে ওই অভিযুক্তরাই।

টিটিএন/এমএস