শপথ অনুষ্ঠানে মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন কেজরিওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৫৮ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল তৃতীয়বারের মতো দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আগামীকাল দিল্লির রামলীলা ময়দানে খোলা আকাশের নিচে শপথ নেবেন। তিনি তার শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দিল্লির বিজেপিদলীয় সাত লোকসভার আইনপ্রণেতা ও বিধানসভার আট বিধায়ককে।

এনডিটিভির অনলাইন প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়ে বলা হচ্ছে, কেজরিওয়াল আমন্ত্রণ জানালেও আগামীকাল রোববার নিজের সংসদীয় আসন উত্তরপ্রদেশের বারাণসি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাই ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কেজরিওয়ালের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না। বাকি এমপি আর বিধায়করাও থাকবেন না বলে ধারণা।

তবে আম আদমি পার্টি গত বৃহস্পতিবার জানায়, ভারতের জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনে ‘বিজেপিকে হারিয়ে’ ভূমিধস বিজয়ের পর তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কেজরিওয়ালের শপথ অনুষ্ঠানে দিল্লির বাইরে অন্য কোনো প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কিংবা রাজনৈতিক নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

দিল্লির ৭০ আসনবিশিষ্ট বিধানসভার ৬২ আসনে জয় পাওয়ার পর আগামীকালর দিল্লির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত রামলীলা ময়দানে শপথ নিচ্ছেন ৫১ বছর বয়সী কেজরিওয়াল। আপের দিল্লি শাখার আহ্বায়ক গোপাল রাই প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘বাইরের কোনো মুখ্যমন্ত্রী কিংবা নেতাকে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।’

তিনি বলেন, দিল্লির মানুষ কেজরিওয়ালেই তাদের আস্থা রেখেছেন, তাই সেসব মানুষকে নিয়েই খোলা ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন কেজরিওয়াল। দলে কেজরিওয়ালের পর দ্বিতীয় নেতা এবং দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীষ সিসোদিয়া বলেছেন, ‘আপ দিল্লির সবাইকে শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে।’

গত মঙ্গলবার দিল্লি বিধানসভার ফলাফল ঘোষণার দিন কেজরিওয়াল বলেন, ‘দিল্লি, আপনারা চমৎকার কাজ করেছেন। আমি আপনাদেরকে ভালোবাসি।’ এপর দুদিন পর কেজরিওয়াল ঘোষণা দেন, মুখমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বারের মতো শপথ নিলেও তার দ্বিতীয় মেয়াদের মন্ত্রিসভায় কোনো রদবদল করছেন না তিনি।’

দিল্লি বিধানসভার দখল নিতে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি এবার আদাজল খেয়ে নেমেছিল। দলীয় আড়াই শতাধিক এমপিকে নির্বাচনী প্রচারণায় নামিয়েছিল দলটি। ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। কিন্তু আটটির বেশি আসন তারা পায়নি। গতবারের মতো এবারও কংগ্রেসের আসন শূন্য।

এসএ/এমএস