অক্সফোর্ডের টিকা বানরের দেহে সফল সেপ্টেম্বরে বাজারে আনতে চায় ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:১৫ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২০

যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্বিবিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের তেরি নভেল করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটি বানরের দেহে প্রয়োগে আশাব্যাঞ্জক ফল মিলেছে। ভ্যাকসিন দেয়ার পর বানরের শরীরে করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে প্রবেশ করানো হলেও সেটি সংক্রমণ ঘটাতে পারেনি বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এদিকে, বানরের দেহে কার্যকর হওয়ায় আগামী চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে এই ভ্যাকসিনের ব্যাপক উৎপাদন শুরু করতে চায় ভারত।

মঙ্গলবার বিশ্বের সর্ববৃহৎ টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ভারতের দ্য সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া বলছে, ব্রিটেনে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে থাকা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের তৈরিকৃত করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটির অন্তত ৬ কোটি ডোজ চলতি বছরই উৎপাদনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সিরামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আদার পুনাওয়ালা বলেছেন, চ্যাডক্স১ এনকোভ-১৯ নামের এই ভ্যাকসিনটি এখনও করোনার ভ্যাকসিন হিসেবে প্রমাণিত হয়নি। তারপরও বানরের দেহে প্রয়োগে কার্যকর হওয়ায় এবং মানবদেহে পরীক্ষার অগ্রগতিতে সিরাম ইনস্টিটিউট ভ্যাকসিনটি উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলের মনটানা প্রদেশের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের রকি মাউন্টেন ল্যাবরেটরিতে ওল্ড ওয়ার্ল্ড প্রজাতির ছয়টি বানরের দেহে অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করা হয়। পরে এই ছয়টি বানরের শরীরে ব্যাপক পরিমাণে নভেল করোনাভাইরাস প্রবেশ করানো হয়। এর ২৮ দিন পরও বানরগুলো একেবারে সুস্থ ছিল।

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটি প্রয়োগের সঙ্গে জড়িত যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক ভিনসেন্ট মুনস্টারের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।

শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যাজনিত নতুন করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ এখন পর্যন্ত বিশ্বের ৩১ লাখের বেশি মানুষের দেহে সংক্রমণ ঘটিয়েছে। এছাড়া প্রাণ কেড়েছে ২ লাখ ১৮ হাজারের বেশি। বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ এবং মৃতের সংখ্যা।

টেলিফোনে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সিরামের প্রধান নির্বাহী পুনাওয়ালা বলেন, অক্সফোর্ডে এক ঝাঁক যোগ্যতাসম্পন্ন এবং বড় মাপের বিজ্ঞানী রয়েছেন...যে কারণে আমরা বলেছি, এটার সঙ্গে আছি এবং আমরা ভ্যাকসিনটির ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।

তিনি বলেন, বেসরকারি কোম্পানি হিসেবে সরকারি বিনিয়োগকারী অথবা ব্যাংকারদের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা নেই। এ জন্য অন্যান্য বাণিজ্যিক পণ্য এবং প্রকল্পের পাশাপাশি আমি এটাতে সামান্য ঝুঁকি নিতেই পারি।

বর্তমানে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির জন্য বিশ্বের প্রায় একশ প্রকল্প চলমান। বিভিন্ন বায়োটেক কোম্পানি এবং গবেষকরা রাতদিন করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ করে চলছেন। এর মধ্যে প্রায় পাঁচটি ইতোমধ্যে মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগও করা হয়েছে; যা ফেস ওয়ান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হিসেবে পরিচিত।

পুনাওয়ালা বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটির ট্রায়াল শেষ এবং এটি সফল হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করছেন। তবে অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা গত সপ্তাহে বলেছেন, প্রাথমিক পরীক্ষায় ভ্যাকসিনটি কার্যকর কিনা সেটি দেখাই তাদের মূল উদ্দেশ্য নয়। বরং ভ্যাকসিনটি প্রয়োগের পর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে কিনা অথবা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা সেটি দেখতে হবে।

বিশ্বের বৃহত্তম টিকা উৎপাদনকারী ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউটের মালিক ধনকুবের সাইরাস পুনাওয়ালা দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পুনের দুটি প্ল্যান্টে ভ্যাকসিনটি উৎপাদনের পরিকল্পনা করেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের মধ্যে ৪০ কোটি ডোজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সিরাম।

সিরামের প্রধান নির্বাহী পুনাওয়ালা বলেন, বিদেশে দেয়ার আগে প্রাথমিকভাবে উৎপাদিত ভ্যাকসিনটির বেশিরভাগ অংশ যাবে আমাদের দেশের মানুষের জন্য। তবে ভ্যাকসিনটি কোন দেশ, কখন, কত পরিমাণে পাবে তা নির্ধারণের দায়িত্ব ভারত সরকারের ওপর ছেড়ে দেবে সিরাম।

তিনি বলেন, সিরাম ভ্যাকসিনটির মূল্য নির্ধারণ করেছে এক হাজার রুপি। তবে সরকার চাইলে জনগণকে তা বিনামূল্যে দিতে পারে। পুনাওয়ালা বলেন, ভ্যাকসিনের উৎপাদন কার্যক্রমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কার্যালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তবে ভ্যাকসিনটির উৎপাদন ব্যয়ে ভারত সরকার সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পুনাওয়ালা।

সিরামের এই প্রধান বলেন, আগামী পাঁচ মাসের মধ্যে সিরাম প্রত্যেক মাসে ৩০ থেকে ৫০ লাখ ডোজ উৎপাদন করবে। এতে ২০ থেকে ৪০ কোটি রুপি ব্যয় করবে সিরাম। সরকার আমাদের সঙ্গে কিছু ঝুঁকি ও তহবিল ভাগাভাগি করতে পেরে খুশি। কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাইনি।

পুনাওয়ালা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বায়োটেক কোম্পানি কোডাজেনিক্স এবং অস্ট্রিয়ার থেমিসের সঙ্গে কোভিড-১৯ এর আরও দু'টি ভ্যাকসিনের সঙ্গে অংশীদারিত্ব রয়েছে সিরামের। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চতুর্থ একটি ভ্যাকসিনের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দেবে সিরাম।

তিনি বলেন, সিরামের নির্বাহী পরিচালনা বোর্ডের গত সপ্তাহের সভায় নতুন একটি কারখানা তৈরির জন্য ৬ বিলিয়ন রুপি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই কারখানায় শুধুমাত্র করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উৎপাদন করা হবে।

সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট, রয়টার্স, নিউইয়র্ক টাইমস।

এসআইএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৮,১৩,৪১৮
আক্রান্ত

৩,৫৭,৮৯৬
মৃত

২৫,১৫,৪১৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪০,৩২১ ৫৫৯ ৮,৪২৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৭,৪৫,৯৩৬ ১,০২,১১৪ ৪,৯০,১৫১
ব্রাজিল ৪,১৪,৬৬১ ২৫,৬৯৭ ১,৬৬,৬৪৭
রাশিয়া ৩,৭৯,০৫১ ৪,১৪২ ১,৫০,৯৯৩
স্পেন ২,৮৩,৮৪৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৬৭,২৪০ ৩৭,৪৬০ ৩৪৪
ইতালি ২,৩১,১৩৯ ৩৩,০৭২ ১,৪৭,১০১
ফ্রান্স ১,৮২,৯৪২ ২৮,৫৯৬ ৬৬,৫৮৪
জার্মানি ১,৮১,৮৯৫ ৮,৫৩৩ ১,৬৩,২০০
১০ তুরস্ক ১,৫৯,৭৯৭ ৪,৪৩১ ১,২২,৭৯৩
১১ ভারত ১,৫৯,০৫৪ ৪,৫৪১ ৬৭,৯২৯
১২ ইরান ১,৪৩,৮৪৯ ৭,৬২৭ ১,১২,৯৮৮
১৩ পেরু ১,৩৫,৯০৫ ৩,৯৮৩ ৫৬,১৬৯
১৪ কানাডা ৮৭,৫১৯ ৬,৭৬৫ ৪৬,১৬৪
১৫ চীন ৮২,৯৯৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,২৮৮
১৬ চিলি ৮২,২৮৯ ৮৪১ ৩৩,৫৪০
১৭ সৌদি আরব ৭৮,৫৪১ ৪২৫ ৫১,০২২
১৮ মেক্সিকো ৭৮,০২৩ ৮,৫৯৭ ৫৪,৩৮৩
১৯ পাকিস্তান ৬১,২২৭ ১,২৬০ ২০,২৩১
২০ বেলজিয়াম ৫৭,৮৪৯ ৯,৩৮৮ ১৫,৫৭২
২১ কাতার ৪৮,৯৪৭ ৩০ ১৩,২৮৩
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৫,৭৬৮ ৫,৮৭১ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৩৯,৮৫৮ ২১৯ ১৬,৬৬০
২৪ ইকুয়েডর ৩৮,১০৩ ৩,২৭৫ ১৮,৪২৫
২৫ সুইডেন ৩৫,০৮৮ ৪,২২০ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৩,২৪৯ ২৩ ১৭,২৭৬
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩২,৫৩২ ২৫৮ ১৬,৬৮৫
২৮ পর্তুগাল ৩১,২৯২ ১,৩৫৬ ১৮,৩৪৯
২৯ সুইজারল্যান্ড ৩০,৭৯৬ ১,৯১৭ ২৮,৩০০
৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫,৯৩৭ ৫৫২ ১৩,৪৫১
৩১ আয়ারল্যান্ড ২৪,৮০৩ ১,৬৩১ ২২,০৮৯
৩২ ইন্দোনেশিয়া ২৪,৫৩৮ ১,৪৯৬ ৬,২৪০
৩৩ কুয়েত ২৪,১১২ ১৮৫ ৮,৬৯৮
৩৪ কলম্বিয়া ২৪,১০৪ ৮০৩ ৬,১১১
৩৫ পোল্যান্ড ২২,৬০০ ১,০৩০ ১০,৫৬০
৩৬ ইউক্রেন ২২,৩৮২ ৬৬৯ ৮,৪৩৯
৩৭ মিসর ১৯,৬৬৬ ৮১৬ ৫,২০৫
৩৮ রোমানিয়া ১৮,৭৯১ ১,২২৯ ১২,৬২৯
৩৯ ইসরায়েল ১৬,৮০৯ ২৮১ ১৪,৬০২
৪০ জাপান ১৬,৬৫১ ৮৫৮ ১৩,৯৭৩
৪১ অস্ট্রিয়া ১৬,৬২৮ ৬৬৮ ১৫,২৮৬
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৫,৭২৩ ৪৭৪ ৮,৭৯০
৪৩ ফিলিপাইন ১৫,৫৮৮ ৯২১ ৩,৫৯৮
৪৪ আর্জেন্টিনা ১৩,৯৩৩ ৫০০ ৪,৩৪৯
৪৫ আফগানিস্তান ১৩,০৩৬ ২৩৫ ১,২০৯
৪৬ পানামা ১১,৭২৮ ৩১৫ ৭,৩৭৯
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৪৮০ ৫৬৫ ১০,১০৬
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৩৪৪ ২৬৯ ১০,৩৪০
৪৯ সার্বিয়া ১১,২৭৫ ২৪০ ৬,২৭৭
৫০ বাহরাইন ৯,৬৯২ ১৫ ৫,১৫২
৫১ কাজাখস্তান ৯,৫৭৬ ৪৮৯ ৪,৮২৭
৫২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,১০৩ ৩১৭ ৬,৩৭৭
৫৩ ওমান ৯,০০৯ ৪০ ২,১৭৭
৫৪ আলজেরিয়া ৮,৮৫৭ ৬২৩ ৫,১২৯
৫৫ নাইজেরিয়া ৮,৭৩৩ ২৫৪ ২,৫০১
৫৬ নরওয়ে ৮,৪০১ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৭ আর্মেনিয়া ৮,২১৬ ১১৩ ৩,২৮৭
৫৮ বলিভিয়া ৭,৭৬৮ ২৮০ ৬৮৯
৫৯ মরক্কো ৭,৬৩৬ ২০২ ৫,১০৯
৬০ মালয়েশিয়া ৭,৬২৯ ১১৫ ৬,১৬৯
৬১ মলদোভা ৭,৫৩৭ ২৭৬ ৪,১২৩
৬২ ঘানা ৭,৩০৩ ৩৪ ২,৪১২
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৫০ ১০৩ ৬,৫৭৯
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৭৪৩ ৩১৩ ৫,৫০০
৬৫ ক্যামেরুন ৫,৪৩৬ ১৭৫ ১,৯৯৬
৬৬ ইরাক ৫,১৩৫ ১৭৫ ২,৯০৪
৬৭ হন্ডুরাস ৪,৬৪০ ১৯৪ ৫০৬
৬৮ আজারবাইজান ৪,৫৬৮ ৫৪ ২,৮৯৭
৬৯ সুদান ৪,৩৪৬ ১৯৫ ৭৪৯
৭০ গুয়াতেমালা ৪,১৪৫ ৬৮ ৪৯৩
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০০১ ১১০ ৩,৭৯১
৭২ হাঙ্গেরি ৩,৮১৬ ৫০৯ ১,৯৯৬
৭৩ তাজিকিস্তান ৩,৪২৪ ৪৭ ১,৫৭৫
৭৪ উজবেকিস্তান ৩,৩৯৬ ১৪ ২,৬৮৫
৭৫ সেনেগাল ৩,৩৪৮ ৩৯ ১,৬৮৬
৭৬ গিনি ৩,২৭৫ ২০ ১,৬৭৩
৭৭ থাইল্যান্ড ৩,০৬৫ ৫৭ ২,৯৪৫
৭৮ গ্রীস ২,৯০৩ ১৭৩ ১,৩৭৪
৭৯ জিবুতি ২,৬৯৭ ১৮ ১,১৮৫
৮০ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,৬৬০ ৬৯ ৩৮১
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৫৫৬ ৩১ ১,৩০২
৮২ বুলগেরিয়া ২,৪৭৭ ১৩৪ ৯৬৫
৮৩ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৬২ ১৫৩ ১,৭৮১
৮৪ গ্যাবন ২,৩১৯ ১৪ ৬৩১
৮৫ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৪ ১০১ ২,০৪৭
৮৬ এল সালভাদর ২,১৯৪ ৩৯ ১,০০২
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,০৭৭ ১২১ ১,৪৮৬
৮৮ কিউবা ১,৯৭৪ ৮২ ১,৭২৪
৮৯ এস্তোনিয়া ১,৮৫১ ৬৬ ১,৫৭৪
৯০ আইসল্যান্ড ১,৮০৫ ১০ ১,৭৯২
৯১ সোমালিয়া ১,৭৩১ ৬৭ ২৬৫
৯২ লিথুনিয়া ১,৬৫৬ ৬৮ ১,১৯৩
৯৩ মায়োত্তে ১,৬৪৫ ২০ ১,৩১৪
৯৪ কিরগিজস্তান ১,৫৯৪ ১৬ ১,০৬৬
৯৫ স্লোভাকিয়া ১,৫২০ ২৮ ১,৩৩২
৯৬ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৭৪
৯৭ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৬
৯৮ শ্রীলংকা ১,৪৭১ ১০ ৭৪৫
৯৯ কেনিয়া ১,৪৭১ ৫৫ ৪০৮
১০০ মালদ্বীপ ১,৪৫৭ ১৯৭
১০১ হাইতি ১,৩২০ ৩৪ ২৯
১০২ ভেনেজুয়েলা ১,২৪৫ ১৬ ৩০২
১০৩ গিনি বিসাউ ১,১৯৫ ৪২
১০৪ লেবানন ১,১৬৮ ২৬ ৬৯৯
১০৫ মালি ১,১১৬ ৭০ ৬৩২
১০৬ আলবেনিয়া ১,০৭৬ ৩৩ ৮২৩
১০৭ তিউনিশিয়া ১,০৬৮ ৪৮ ৯৩৮
১০৮ হংকং ১,০৬৭ ১,০৩৫
১০৯ লাটভিয়া ১,০৬১ ২৪ ৭৪১
১১০ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,০৪৩ ১২ ১৬৫
১১২ নেপাল ১,০৪২ ১৮৭
১১৩ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৪ কোস্টারিকা ৯৮৪ ১০ ৬৩৯
১১৫ নাইজার ৯৫২ ৬৩ ৭৯৬
১১৬ সাইপ্রাস ৯৩৯ ১৭ ৫৯৪
১১৭ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৫০
১১৮ প্যারাগুয়ে ৮৮৪ ১১ ৩৯২
১১৯ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৫ ৫৩ ৬৭২
১২০ ইথিওপিয়া ৮৩১ ১৯১
১২১ সিয়েরা লিওন ৭৮২ ৪৫ ২৯৭
১২২ এনডোরা ৭৬৩ ৫১ ৬৭৬
১২৩ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৪ জর্জিয়া ৭৩৮ ১২ ৫৭৩
১২৫ জর্ডান ৭২০ ৫৮৬
১২৬ চাদ ৭১৫ ৬৪ ৩৫৯
১২৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১২৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭০২ ২৩
১২৯ সান ম্যারিনো ৬৭০ ৪২ ৩২২
১৩০ মাদাগাস্কার ৬৫৬ ১৫৪
১৩১ মালটা ৬১৬ ৫০১
১৩২ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৬৫
১৩৩ কঙ্গো ৫৭১ ১৯ ১৬১
১৩৪ জ্যামাইকা ৫৬৯ ২৭৯
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫১৭
১৩৬ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৭ রিইউনিয়ন ৪৬০ ৪১১
১৩৮ তাইওয়ান ৪৪১ ৪২০
১৩৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪০৬ ১৫০
১৪০ টোগো ৩৯৫ ১৩ ১৮৩
১৪১ কেপ ভার্দে ৩৯০ ১৫৫
১৪২ রুয়ান্ডা ৩৪৬ ২৪৫
১৪৩ বেনিন ৩৩৯ ১৩৪
১৪৪ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৬
১৪৫ মরিশাস ৩৩৪ ১০ ৩২২
১৪৬ ভিয়েতনাম ৩২৭ ২৭৮
১৪৭ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৪৮ মৌরিতানিয়া ২৯২ ১৬ ১৫
১৪৯ উগান্ডা ২৮১ ৬৯
১৫০ ইসওয়াতিনি ২৭২ ১৬৮
১৫১ লাইবেরিয়া ২৬৬ ২৭ ১৪৪
১৫২ ইয়েমেন ২৫৬ ৫৩ ১১
১৫৩ মোজাম্বিক ২২৭ ৭১
১৫৪ মায়ানমার ২০৬ ১২৬
১৫৫ মার্টিনিক ১৯৭ ১৪ ৯১
১৫৬ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৭ গুয়াদেলৌপ ১৬১ ১৪ ১১৫
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৬১ ৪৩
১৫৯ জিব্রাল্টার ১৫৮ ১৪৭
১৬০ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬১ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪০ ৬৭
১৬২ বারমুডা ১৩৯ ৯১
১৬৩ গায়ানা ১৩৯ ১১ ৬৭
১৬৪ জিম্বাবুয়ে ১৩২ ২৫
১৬৫ কম্বোডিয়া ১২৪ ১২২
১৬৬ সিরিয়া ১২১ ৪৩
১৬৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৬৮ আরুবা ১০১ ৯৭
১৬৯ মালাউই ১০১ ৩৭
১৭০ বাহামা ১০০ ১১ ৪৬
১৭১ লিবিয়া ৯৯ ৪০
১৭২ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৭৩ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৪ কমোরস ৮৭ ২৪
১৭৫ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৬ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৭ অ্যাঙ্গোলা ৭১ ১৮
১৭৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪০ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৫ ভুটান ৩১
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৫ ১৪
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ১৯
১৮৯ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯০ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯১ নামিবিয়া ২২ ১৪
১৯২ লাওস ১৯ ১৬
১৯৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮ ১৮
১৯৪ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৫ কিউরাসাও ১৮ ১৪
১৯৬ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০২ সুরিনাম ১২
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।