ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের অবস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:২৭ এএম, ১৯ মে ২০২০

সোমবারই সুপার সাইক্লোনে রূপ নিয়েছে আম্ফান। বঙ্গোপসাগরে শতাব্দীর প্রথম সুপার সাইক্লোন এটি। ভারতের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঘণ্টায় ১৪ কিলোমিটার বেগে এগিয়ে আসছে এই ঘূর্ণিঝড়।

আবহাওয়া দফতর বলছে, সোমবার মধ্যরাত ২ টা ৩০ মিনিটে আম্ফানের অবস্থান ছিল ওডিশার পারাদ্বীপ থেকে ৫৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে, পশ্চিমবঙ্গের দীঘা থেকে ৭২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার খেপুপাড়া থেকে ৮৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে।

আগামীকাল বুধবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের দীঘায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে ভূমিধসের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এদিকে সোমবার ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, আম্ফানের তাণ্ডবে সাইক্লোন ফনির মতোই ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় নেওয়া প্রস্তুতি ও লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ন্যাশনাল ডিজেস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এনডিআরএফ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এনডিআরএফ-এর কমপক্ষে ২৫টি টিম মাঠে নেমেছে এবং আরও ১২টি টিম প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্তি ২৪টি টিম দেশের বিভিন্ন অংশে কাজ শুরু করেছে। এনডিআরএফ ছাড়াও ওডিশা ডিজেস্টার র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (ওডিআরএএফ) এবং দমকল বাহিনীও কাজে নেমে গেছে।

এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতর বলছে, সুপার সাইক্লোন আম্ফান গত রাতের ১২ ঘণ্টায় বাংলাদেশের দিকে এগিয়েছে ১৬৫ কিলোমিটার। অর্থাৎ গড়ে ১৩ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার গতিতে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসছে সুপার সাইক্লোনটি।

মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

টিটিএন/জেআইএম