করোনার যেসব উপসর্গে চিকিৎসকরা অবাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৫৮ এএম, ২৭ মে ২০২০

“এরকম কোনো কিছু আমরা জীবনে কখনও দেখিনি” - কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেছেন এমন ডাক্তারদের মুখে এ কথাটা আপনি বারবার শুনতে পাবেন।

ব্রিটেনের এই ডাক্তাররা – যাদের অনেকেই হাসপাতালগুলোর ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে কাজ করেছেন – তারা কিন্তু চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া এই নতুন ভাইরাসের কথা জানতেন। তাদের অনেকে চীন এবং ইতালিতে থাকা তাদের সহকর্মীদের অভিজ্ঞতা শুনেছেন, পড়েছেন।

তারা জানতেন যে এই রোগ ব্রিটেনে পৌঁছানো সময়ের ব্যাপার মাত্র।

কিন্তু সত্যি যখন করোনাভাইরাস যুক্তরাজ্যে এলো, তখন কিন্তু আইসিইউর সবচেয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তাররাও এই ভাইরাসের সম্মুখীন হয়ে আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীরই উপসর্গ ছিল মৃদু। কারো কারো হয়তো কোনো উপসর্গই ছিল না।

কিন্তু যে হাজার হাজার রোগীর অবস্থা সংকটজনক পর্যায়ে চলে গিয়েছিল –তাদের চিকিৎসা করতে গিয়ে ডাক্তাররা দেখলেন – কোভিড-১৯ আসলে বিস্ময়কর রকমের জটিল একটি ভাইরাস।

কোভিড -১৯ মানবদেহে কীভাবে আক্রমণ করে – এ ব্যাপারে ডাক্তাররা যা জানতে পেরেছেন এবং যা এখনও জানতে পারেননি – তারই বর্ণনা এখানে।

এটি শুধুই ভাইরাল নিউমোনিয়া নয় – তার চেয়েও ভয়ংকর জিনিস

প্যাডিংটনের সেন্ট মেরি‌জ হাসপাতালের কনসালট্যান্ট অধ্যাপক অ্যান্টনি গর্ডন, বলছিলেন, ডাক্তারদের অনেকেই মনে করেছিলেন এটা হবে শ্বাসতন্ত্র আক্রমণকারী ভাইরাস যা নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে। মৌসুমি ফ্লুর মতোই কিন্তু যা আরও ব্যাপক আকারে ছড়াচ্ছে।

কিন্তু খুব দ্রুতই এটা স্পষ্ট হয়ে গেল যে, এ ভাইরাস শুধু রোগীদের শ্বাসতন্ত্র নয় আরও অনেক কিছু আক্রান্ত করছে।

“প্রথমত : কোভিড-১৯এ অনেক বেশি লোক সংক্রমিত হচ্ছে। কিন্তু তা ছাড়াও এটা যে অসুস্থতা তৈরি করছে তা একেবারেই অন্যরকম। আমরা আগে কোনো রোগীর মধ্যে এমন দেখিনি” – বলছিলেন বার্মিংহ্যামের চিকিৎসক রন ডানিয়েলস।

তাছাড়া এই রোগে যারা সংকটাপন্ন অবস্থায় চলে যান তাদের ফুসফুসে এত তীব্র প্রদাহ এবং রক্ত জমাট বাঁধা শুরু হয়ে যায় যে, তাতে অন্যান্য প্রত্যঙ্গগুলোও আক্রান্ত হয়, এবং রোগীর সারা দেহে জীবন বিপন্ন করার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

‍একজন ডাক্তারের চোখে এটা এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। কারণ, আমাদের সামনে এত বেশি রোগীর মধ্যে এ অবস্থা ঘটতে দেখা যাচ্ছে। আমরা এখনও এই ভাইরাসটির আচরণ বুঝতে হিমশিম খাচ্ছি” – বলছিলেন বেভারলি হান্ট, লন্ডনের একটি হাসপাতালের থ্রম্বোসিস বিশেষজ্ঞ।

অক্সিজেন

মার্চ মাস জুড়েই যুক্তরাজ্যের হাসপাতালগুলোতে এমন অনেক রোগী আসছিলেন যাদের শ্বাসকষ্ট ছিল, দেহে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গিয়েছিল। কিন্তু সবচেয়ে গুরুতর অসুস্থদের শুধু ফুসফুস নয়, অন্যান্য প্রত্যঙ্গেরও সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। তাদের দেহের রক্তে এমন কিছু ঘটছিল যার কোনো ব্যাখ্যা মিলছে না।

উত্তর লন্ডনের হুইটিংটন হাসপাতালের অধ্যাপক হিউ মন্টগোমারি বলছেন, “আমরা এখনও জানি না কেন কিছু রোগীর রক্তে অবিশ্বাস্য রকমের কম মাত্রায় অক্সিজেন থাকলেও তারা অসুস্থ বোধ করে না।“

মানুষের রক্তের হিমোগ্লোবিন নামে যে কণিকা আছে – সেটাই অক্সিজেন বহন করে। কোনো কোনো কোভিড-১৯ রোগীর রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ৮০ শতাংশ বা তারও নিচে নেমে যায়।

ডাক্তার এ্যান্টনি গর্ডন বলছেন, “সম্ভবত এর সাথে প্রদাহের একটা সম্পর্ক আছে – যার কারণে রক্তনালীর ওপর প্রভাব পড়ছে। এতে অক্সিজেন রক্তে মিশতে পারছে না কিন্তু ফুসফুসে হয়তো তেমন প্রভাব পড়ছে না – অন্তত প্রাথমিক স্তরে।'

এটি হচ্ছে কোভিড-১৯এর অনেক রহস্যের একটা। এ নিয়ে জরুরিভাবে আরও গবেষণা দরকার।

এ কারণে অনেক ডাক্তার প্রশ্ন করছেন, করেনাভাইরাস রোগীদের ক্ষেত্রে ভেন্টিলেশন সবসময় সঠিক পন্থা কি না। ভেন্টিলেটর দিতে হলে রোগীকে অজ্ঞান করতে হয় এবং তার শ্বাসনালীতে একটা নল ঢোকাতে হয়। এতে অনেক গুরুতর অসুস্থ কোভিড রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে ভেন্টিলেটর ভুল সময়ে ভুল চিকিৎসা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বারবারা মাইলস বলছেন, এই রোগ বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্যে দিযে যায়। তাই কোন পর্যায়ে কীভাবে ভেন্টিলেটর ব্যবহার করতে হবে তা বুঝতে আমাদের আরও সময় লাগবে।

'সাধারণত গুরুতর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীকে এক সপ্তাহ ভেন্টিলেটর দিতে হয়। কিন্তু কোভিড রোগীদের অনেককে আরও অনেক বেশি সময় ধরে ভেন্টিলেটর দিতে হচ্ছে, যার কারণ আমরা ঠিক জানি না' – বলছিলেন বেলফাস্টের রয়াল ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের অধ্যাপক ড্যানি ম্যাকলে।

প্রদাহ এবং রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া

সবাই বলছেন, ফুসফুস বা রক্তনালীর নজিরবিহীন প্রদাহ এটাকে একেবারেই ভিন্ন রকম এক রোগে পরিণত করেছে। এ কারণে রক্ত জমাট বেঁধে যাবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

আর গুরুতর রোগীদের ২৫ শতাংশের দেহেই কোভিড-১৯ অবিশ্বাস্য রকমের ঘন এবং আঠালো রক্ত তৈরি করে, যা এক বিরাট সমস্যা - বলছেন হিউ মন্টগোমারি।

'এর ফলে বিশেষত রোগীর পায়ে রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে, যাকে বলে ডিপ ভেইন থ্রমবোসিস, এবং এটা সারা শরীরে ঘুরে ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে – যার ফরে নিউমোনিয়া আরও গুরুতর চেহারা নেয়' – বলেন বেভারলি হান্ট।

তা ছাড়া জমাট বাঁধা রক্ত মস্তিষ্ক বা হৃদপিণ্ডে রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে – যার ফলে রোগীর হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হতে পারে।

বেভারলি হান্ট বলছিলেন, “রক্তে যে প্রোটিনটি জমাট বাঁধার সমস্যা সৃষ্টি করে তার নাম ফাইব্রিনোজেন। সাধারণত এক লিটার রক্তে এর পরিমাণ থাকে ২ থেকে ৪ গ্রাম।

'কিন্তু কোভিড রোগীর রক্তে লিটার প্রতি ১০ থেকে ১৪ গ্রাম পর্যন্ত ফাইব্রিনোজেন পাওয়া গেছে – যা আমি ডাক্তার হিসেবে আমার জীবনে কখনও দেখিনি।'

'রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি মাপার আরেকটি একক হলো ডি-ডাইমার নামে একটি প্রোটিন। স্বাস্থ্যবান রোগীর রক্তে এটা দশক থেকে শ‌’য়ের হিসেবে মাপা হয়।'

'কিন্তু কোভিড রোগীর দেহে এই স্তর ৬০, ৭০ বা ৮০,০০০ পর্যন্ত উঠতে দেখা গেছে - যা আমরা কখনা শুনিনি', বলছেন হিউ মন্টগোমারি।

রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রত্যঙ্গ

কারও কারও ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ সংক্রমণ এত তীব্র হতে পারে যে, দেহের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেমে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে – যা খুবই বিপজ্জনক।

সংক্রমণ ঠেকানোর অংশ হিসেবে মানবদেহ সাইটোকিন নামে একধরনের অণু তৈরি করে যাকে বলা যায় – এক ধরনের রাসায়নিক সতর্ক সংকেত।

এর ফলে শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি হয় – যা একটা পর্যায় পর্যন্ত ক্ষতিকর নয়। কিন্তু কোনো কোনো রোগীর দেহে কোভিড সংক্রমণ সৃষ্টি করে একরকম ‘সাইটোকিন ঝড়।'

বিপুল পরিমাণে সাইটোকিন শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, আর তাতে আরও বেশি প্রদাহ সৃষ্টি হয়।

ফলে ইমিউন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ রক্তে টি সেলের পরিমাণ কমে যায়, দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট, এবং শরীরের অন্যান্য প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়,' বলছেন অ্যান্টনি গর্ডন।

এ কারণে কোভিড-১৯ শরীরে ঢুকে কী করবে তা আগে থেকে বলা খুবই কঠিন। বিশেষজ্ঞরা একে বলছেন মাল্টি-সিস্টেম রোগ – যাতে রোগীর ফুসফুস, কিডনি, হৃদপিণ্ড, লিভার এমনকি মস্তিষ্ক – যে কোনো কিছু আক্রান্ত হতে পারে।

আইসিইউতে আসা দুই হাজারেরও বেশি কোভিড রোগীর ক্ষেত্রে কিডনি অকেজো হয়ে যাবার সমস্যা দেখা দিয়েছে।

অনেকের মস্তিষ্ক প্রদাহ দেখা দিয়েছে - তাদের মধ্যে বিভ্রান্তি বা উল্টোপাল্টা আচরণ করার সমস্যা দেখা গিয়েছে। অনেকের ভেন্টিলেটর খুলে নেবার পর ঠিকমতো জ্ঞান ফিরছে না – বলছিলেন হিউ মন্টগোমারি।

বলা হয়, যেসব রোগীর আগে থেকে স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে তাদের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে। এর মধ্যে শুধু অ্যাজমা বা হাঁপানি নয়, উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থুলতা, বৃদ্ধ বয়স, এমনকি রোগী পুরুষ না নারী – সবই রয়েছে।

এক হিসাবে দেখা গেছে, ইংল্যান্ড, ওয়েলস আর নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে সংকটাপন্ন রোগীদের ৭০ ভাগই ছিলেন পুরুষ, ৭০ ভাগই ছিলেন মোটা বা ওজন বেশি, দু-তৃতীয়াংশের বয়স ছিল ৬০এর বেশি।

কেউ কেউ, সবাই নয়

কিন্তু তারপরও এটা ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না যে, কেন বেশির ভাগ কোভিড সংক্রমিত লোকের দেহেই মৃদু উপসর্গ দেখা দেয়, এবং কেন কেউ কেউ দ্রুত গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

রন ড্যানিয়েলস বলছেন, 'আমরা এখনও এর কারণ বুঝতে পারছি না।' এ কারণে করোনাভাইরাস নিয়ে নানারকম তত্ত্ব ছড়াচ্ছে, আবার গবেষণাও চলছে।

ড্যানিয়েলসের মতে হয়তো কোনো ব্যক্তির জিনগত গঠন, বা এশিয়ান ও কৃষ্ণাঙ্গদের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য এতে একটা ভূমিকা রাখছে, - কিন্তু এটা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

অনেকে বলছেন, যাদের দেহকোষে এসিই-টু নামের একটি প্রোটিন – যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়ক – বেশি থাকে তাদের কোভিড সংক্রমণের ফলে গুরুতর অসুস্থ হবার ঝুঁকি বেশি থাকে। দেখা গেছে, তাদের ক্ষেত্রে অন্ত্রের সমস্যা বা কিডনি অকেজো হয়ে যাবার ঘটনা বেশি ঘটেছে।

কিন্তু যত উত্তর পাওয়া যাচ্ছে - তার চেয়ে প্রশ্ন অনেক বেশি।

পরীক্ষামূলক চিকিৎসা

আইসিইউর ডাক্তাররা এখনও যেসব প্রশ্ন নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তা হলো:

১.কোভিড-১৯ রোগীদের ভেন্টিলেশন দেবার সঠিক সময় কখন?

২.এন্টি-ভাইরাল ওষুধগুলোর মধ্যে কোনটা সর্বোত্তম, অথবা প্রদাহরোধী এবং রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণের আনার ওষুধগুলোর সঠিক মাত্রা কতটা?

৩.প্লাজমা বা সেরে-ওঠা রোগীদের রক্তের এন্টিবডি ব্যবহার কি এ সমস্যার সমাধান করতে পারে?

ডাক্তারদের মতে, আগামী কয়েক মাসে ব্যাপক পরিমাণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমেই শুধু এর উত্তর পাওয়া সম্ভব।

এ কারণে আইসিইউর ডাক্তাররা অনেক ক্ষেত্রেই তাদের আগেকার জ্ঞানের ভিত্তিতে কোভিড-১৯ রোগীদের ওষুধ দিতে পারছেন না – তাদের বরং একেকজন রোগীর অবস্থা দেখে ঠিক করতে হচ্ছে, কী করবেন।

বেভারলি হান্ট বলছেন, তার ব্যাপারটাকে প্রায় ‘মধ্যযুগীয়’ অবস্থা বলে মনে হয়েছে।

অ্যান্টনি গর্ডন বলেন, তিনি ২০ বছর ধরে আইসিইউতে কাজ করছেন। কিন্তু কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা করতে গিয়ে তার মনে হয়েছে, আজ তিনি হাসপাতালে যা করেছেন তা সঠিক ছিল কি না – তা তিনি জানেন না।

সূত্র : বিবিসি

জেডএ/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,২৪,০৮,৩৭১
আক্রান্ত

৫,৫৭,৮০১
মৃত

৭২,৩৭,৬৪৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৭৮,৪৪৩ ২,২৭৫ ৮৬,৪০৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩২,২০,৫০০ ১,৩৫,৯১২ ১৪,২৬,৪৮৩
ব্রাজিল ১৭,৫৯,১০৩ ৬৯,২৫৪ ১১,৮৫,৫৯৬
ভারত ৭,৯৫,৭৫৫ ২১,৬৩৯ ৪,৯৬,০৪৮
রাশিয়া ৭,১৩,৯৩৬ ১১,০১৭ ৪,৮৯,০৬৮
পেরু ৩,১৬,৪৪৮ ১১,৩১৪ ২,০৭,৮০২
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৪,৬০২ ৩৪৪
চিলি ৩,০৬,২১৬ ৬,৬৮২ ২,৭৪,৯২২
স্পেন ৩,০০,১৩৬ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১০ মেক্সিকো ২,৮২,২৮৩ ৩৩,৫২৬ ১,৭২,২৩০
১১ ইরান ২,৫০,৪৫৮ ১২,৩০৫ ২,১২,১৭৬
১২ পাকিস্তান ২,৪৩,৫৯৯ ৫,০৫৮ ১,৪৯,০৯২
১৩ ইতালি ২,৪২,৩৬৩ ৩৪,৯২৬ ১,৯৩,৯৭৮
১৪ দক্ষিণ আফ্রিকা ২,৩৮,৩৩৯ ৩,৭২০ ১,১৩,০৬১
১৫ সৌদি আরব ২,২৩,৩২৭ ২,১০০ ১,৬১,০৯৬
১৬ তুরস্ক ২,০৯,৯৬২ ৫,৩০০ ১,৯০,৩৯০
১৭ জার্মানি ১,৯৯,১৯৮ ৯,১২৫ ১,৮৩,৬০০
১৮ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ২৯,৯৭৯ ৭৮,১৭০
১৯ কলম্বিয়া ১,৩৩,৯৭৩ ৪,৭১৪ ৫৬,২৭২
২০ কানাডা ১,০৬,৮০৫ ৮,৭৪৯ ৭০,৫৭৪
২১ কাতার ১,০২,১১০ ১৪২ ৯৭,২৭২
২২ আর্জেন্টিনা ৯০,৬৯৩ ১,৭২০ ৩৮,৩১৩
২৩ চীন ৮৩,৫৮৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,৬০৯
২৪ মিসর ৭৯,২৫৪ ৩,৬১৭ ২২,৭৫৩
২৫ সুইডেন ৭৪,৩৩৩ ৫,৫০০ ৪,৯৭১
২৬ ইন্দোনেশিয়া ৭০,৭৩৬ ৩,৪১৭ ৩২,৬৫১
২৭ ইরাক ৬৯,৬১২ ২,৮৮২ ৩৯,৫০২
২৮ বেলারুশ ৬৪,৪১১ ৪৪৯ ৫৩,৬০৯
২৯ ইকুয়েডর ৬৪,২২১ ৪,৯০০ ২৯,১৮৪
৩০ বেলজিয়াম ৬২,৩৫৭ ৯,৭৮১ ১৭,১৭৯
৩১ কাজাখস্তান ৫৪,৭৪৭ ৪৮৯ ৩৫,১৩৭
৩২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫৩,৫৭৭ ৩২৮ ৪৩,৫৭০
৩৩ কুয়েত ৫২,৮৪০ ৩৮২ ৪২,৬৮৬
৩৪ ইউক্রেন ৫২,০৪৩ ১,৩৪৫ ২৪,৮০০
৩৫ ফিলিপাইন ৫১,৭৫৪ ১,৩১৪ ১২,৮১৩
৩৬ ওমান ৫১,৭২৫ ২৩৬ ৩৩,০২১
৩৭ নেদারল্যান্ডস ৫০,৭৯৮ ৬,১৩৭ ২৫০
৩৮ সিঙ্গাপুর ৪৫,৬১৪ ২৬ ৪১,৬৪৫
৩৯ পর্তুগাল ৪৫,২৭৭ ১,৬৪৪ ৩০,০৪৯
৪০ বলিভিয়া ৪৪,১১৩ ১,৬৩৮ ১৩,৩৫৪
৪১ পানামা ৪২,২১৬ ৮৩৯ ২০,৪৩৭
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৪০,৭৯০ ৮৪২ ২০,৪২৬
৪৩ পোল্যান্ড ৩৭,২১৬ ১,৫৬২ ২৬,০৪৮
৪৪ ইসরায়েল ৩৫,৬৩১ ৩৫০ ১৮,৫৪২
৪৫ আফগানিস্তান ৩৪,১৯৪ ৯৭১ ২০,৮৮২
৪৬ সুইজারল্যান্ড ৩২,৫৮৬ ১,৯৬৬ ২৯,৪০০
৪৭ বাহরাইন ৩১,৫২৮ ১০৩ ২৬,৫২০
৪৮ আর্মেনিয়া ৩০,৯০৩ ৫৪৬ ১৮,৭০৯
৪৯ রোমানিয়া ৩০,৭৮৯ ১,৮৩৪ ২০,৯৬৯
৫০ নাইজেরিয়া ৩০,৭৪৮ ৬৮৯ ১২,৫৪৬
৫১ গুয়াতেমালা ২৬,৬৫৮ ১,০৯২ ৩,৭৯৭
৫২ হন্ডুরাস ২৬,৩৮৪ ৭০৪ ২,৭৭৯
৫৩ আয়ারল্যান্ড ২৫,৫৬৫ ১,৭৪৩ ২৩,৩৬৪
৫৪ ঘানা ২৩,৪৬৩ ১২৯ ১৮,৬২২
৫৫ আজারবাইজান ২২,৪৬৪ ২৮৪ ১৩,৫৯১
৫৬ জাপান ২০,৩৭১ ৯৮১ ১৭,৪৬৬
৫৭ মলদোভা ১৮,৬৬৬ ৬২৭ ১২,১৮৮
৫৮ অস্ট্রিয়া ১৮,৬১৫ ৭০৬ ১৬,৭৫৮
৫৯ আলজেরিয়া ১৭,৮০৮ ৯৮৮ ১২,৬৩৭
৬০ সার্বিয়া ১৭,৩৪২ ৩৫২ ১৩,৬৫১
৬১ নেপাল ১৬,৫৩১ ৩৫ ৭,৮৯১
৬২ মরক্কো ১৫,০৭৯ ২৪২ ১১,৪৪৭
৬৩ ক্যামেরুন ১৪,৯১৬ ৩৫৯ ১১,৫২৫
৬৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১৩,৩৩৮ ২৮৮ ১২,০৬৫
৬৫ চেক প্রজাতন্ত্র ১২,৯১৯ ৩৫৩ ৮,১২৮
৬৬ ডেনমার্ক ১২,৯১৬ ৬০৯ ১২,০৪৫
৬৭ আইভরি কোস্ট ১১,৭৫০ ৭৯ ৫,৭৫২
৬৮ উজবেকিস্তান ১১,৭২৩ ৫২ ৭,২৮৭
৬৯ সুদান ১০,১৫৮ ৬৪১ ৫,২০০
৭০ অস্ট্রেলিয়া ৯,৩৭৭ ১০৬ ৭,৫৭৬
৭১ কিরগিজস্তান ৯,৩৫৮ ১২২ ৩,১৩৪
৭২ এল সালভাদর ৯,১৪২ ২৪৯ ৫,৪২৮
৭৩ কেনিয়া ৮,৯৭৫ ১৭৩ ২,৬৫৭
৭৪ নরওয়ে ৮,৯৬৫ ২৫২ ৮,১৩৮
৭৫ মালয়েশিয়া ৮,৬৮৩ ১২১ ৮,৪৯৯
৭৬ ভেনেজুয়েলা ৮,৩৭২ ৮০ ২,৫৪৪
৭৭ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৭,৮৪৬ ১৮৯ ৩,৫১৩
৭৮ সেনেগাল ৭,৭৮৪ ১৪৩ ৫,১৬৯
৭৯ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৭,৫৭২ ৩৬২ ৩,৬২৪
৮০ ফিনল্যাণ্ড ৭,২৭৩ ৩২৯ ৬,৮০০
৮১ ইথিওপিয়া ৬,৯৭৩ ১২০ ২,৪৩০
৮২ বুলগেরিয়া ৬,৬৭২ ২৬২ ৩,২২৯
৮৩ হাইতি ৬,৪৮৬ ১২৩ ২,১৮১
৮৪ কোস্টারিকা ৬,৪৮৫ ২৫ ২,০২৩
৮৫ তাজিকিস্তান ৬,৪১০ ৫৪ ৫,০৬৭
৮৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৬,০৮৬ ২১৪ ২,৮১৫
৮৭ গিনি ৫,৮৮১ ৩৬ ৪,৬৭২
৮৮ গ্যাবন ৫,৮৭১ ৪৬ ২,৬৮২
৮৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫,৫৫৮ ২২ ২,৫৫৫
৯০ ফিলিস্তিন ৫,২২০ ২৭ ৫২৫
৯১ মৌরিতানিয়া ৫,১২৬ ১৪৪ ২,০২৬
৯২ জিবুতি ৪,৯৫৫ ৫৬ ৪,৬৭১
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৪,৭১৯ ১১০ ৪,০৫৬
৯৪ হাঙ্গেরি ৪,২২৩ ৫৯৩ ২,৯৪১
৯৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,২০০ ৫২ ১,১৪২
৯৬ মাদাগাস্কার ৩,৭৮২ ৩৩ ১,৯৫০
৯৭ গ্রীস ৩,৬৭২ ১৯৩ ১,৩৭৪
৯৮ ক্রোয়েশিয়া ৩,৪১৬ ১১৫ ২,৩২৩
৯৯ থাইল্যান্ড ৩,২০২ ৫৮ ৩,০৮৭
১০০ আলবেনিয়া ৩,১৮৮ ৮৩ ১,৮৩২
১০১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৩,০৭১ ৫১ ৮৪২
১০২ সোমালিয়া ৩,০৪৮ ৯২ ১,২০৯
১০৩ নিকারাগুয়া ২,৮৪৬ ৯১ ১,৯৯৩
১০৪ মায়োত্তে ২,৭০২ ৩৭ ২,৪৮০
১০৫ প্যারাগুয়ে ২,৬৩৮ ২০ ১,২২৯
১০৬ মালদ্বীপ ২,৫৫৩ ১৩ ২,২২৭
১০৭ কিউবা ২,৪০৩ ৮৬ ২,২৪৪
১০৮ মালি ২,৩৭০ ১২০ ১,৬২১
১০৯ শ্রীলংকা ২,৩৫০ ১১ ১,৯৭৯
১১০ দক্ষিণ সুদান ২,০২১ ৩৮ ৩৩৩
১১১ এস্তোনিয়া ২,০১৩ ৬৯ ১,৮৯৪
১১২ লেবানন ২,০১২ ৩৬ ১,৩৬৮
১১৩ মালাউই ১,৯৮৪ ২৫ ৩৬৯
১১৪ জাম্বিয়া ১,৮৯৫ ৪২ ১,৩৪৮
১১৫ আইসল্যান্ড ১,৮৮২ ১০ ১,৮৫৪
১১৬ স্লোভাকিয়া ১,৮৭০ ২৮ ১,৪৮১
১১৭ লিথুনিয়া ১,৮৬১ ৭৯ ১,৫৬৯
১১৮ কঙ্গো ১,৮২১ ৪৭ ৫২৫
১১৯ স্লোভেনিয়া ১,৭৯৩ ১১১ ১,৪২৯
১২০ গিনি বিসাউ ১,৭৯০ ২৫ ৭৬০
১২১ সিয়েরা লিওন ১,৫৯৮ ৬৩ ১,১২৩
১২২ কেপ ভার্দে ১,৫৫২ ১৮ ৭৩০
১২৩ নিউজিল্যান্ড ১,৫৪২ ২২ ১,৪৯৭
১২৪ হংকং ১,৩৬৬ ১,১৭৬
১২৫ ইয়েমেন ১,৩৫৬ ৩৬১ ৬১৯
১২৬ লিবিয়া ১,৩৪২ ৩৮ ৩০৭
১২৭ বেনিন ১,২৮৫ ২৩ ৩৩৩
১২৮ তিউনিশিয়া ১,২৩১ ৫০ ১,০৫৫
১২৯ ইসওয়াতিনি ১,২১৩ ১৭ ৬০৯
১৩০ রুয়ান্ডা ১,২১০ ৬২৩
১৩১ জর্ডান ১,১৬৯ ১০ ৯৮২
১৩২ লাটভিয়া ১,১৬৫ ৩০ ১,০১৯
১৩৩ নাইজার ১,০৯৭ ৬৮ ৯৭৬
১৩৪ মোজাম্বিক ১,০৯২ ৩৪০
১৩৫ মন্টিনিগ্রো ১,০১৯ ১৯ ৩২০
১৩৬ সাইপ্রাস ১,০১০ ১৯ ৮৩৯
১৩৭ বুর্কিনা ফাঁসো ১,০০৫ ৫৩ ৮৬২
১৩৮ উগান্ডা ১,০০০ ৯০৮
১৩৯ উরুগুয়ে ৯৭৭ ২৯ ৮৭৮
১৪০ জর্জিয়া ৯৭৩ ১৫ ৮৪৬
১৪১ লাইবেরিয়া ৯৫৭ ৪২ ৩৯৮
১৪২ জিম্বাবুয়ে ৯২৬ ১২ ৩০৬
১৪৩ চাদ ৮৭৩ ৭৪ ৭৮৮
১৪৪ এনডোরা ৮৫৫ ৫২ ৮০২
১৪৫ জ্যামাইকা ৭৫৩ ১০ ৬০৩
১৪৬ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৪৭ টোগো ৭০৪ ১৫ ৪৮৩
১৪৮ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৬
১৪৯ সুরিনাম ৬৯৪ ১৭ ৪৫৬
১৫০ মালটা ৬৭৪ ৬৫৬
১৫১ নামিবিয়া ৬১৫ ২৫
১৫২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৭৭ ৪৮ ৫২৮
১৫৩ রিইউনিয়ন ৫৬৬ ৪৭২
১৫৪ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৫ তাইওয়ান ৪৫১ ৪৩৮
১৫৬ অ্যাঙ্গোলা ৩৯৬ ২২ ১১৭
১৫৭ সিরিয়া ৩৭২ ১৪ ১২৬
১৫৮ ভিয়েতনাম ৩৬৯ ৩৪৭
১৫৯ মরিশাস ৩৪২ ১০ ৩৩০
১৬০ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৬১ মায়ানমার ৩২১ ২৫৪
১৬২ বতসোয়ানা ৩১৪ ৩১
১৬৩ কমোরস ৩১৪ ২৭২
১৬৪ গায়ানা ২৮৬ ২৩ ১২৫
১৬৫ মার্টিনিক ২৪৯ ১৪ ৯৮
১৬৬ ইরিত্রিয়া ২৩২ ১০৭
১৬৭ মঙ্গোলিয়া ২২৭ ১৯৭
১৬৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২০১ ১৯৭
১৬৯ বুরুন্ডি ১৯১ ১১৮
১৭০ ফারে আইল্যান্ড ১৮৮ ১৮৮
১৭১ গুয়াদেলৌপ ১৮৪ ১৪ ১৫৭
১৭২ জিব্রাল্টার ১৮০ ১৭৬
১৭৩ বারমুডা ১৪৯ ১৩৭
১৭৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৫ কম্বোডিয়া ১৪১ ১৩১
১৭৬ লেসোথো ১৩৪ ২০
১৭৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩৩ ১২০
১৭৮ মোনাকো ১০৮ ৯৬
১৭৯ বাহামা ১০৭ ১১ ৮৯
১৮০ আরুবা ১০৫ ৯৮
১৮১ বার্বাডোস ৯৮ ৯০
১৮২ সিসিলি ৯৪ ১১
১৮৩ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮৪ ভুটান ৮০ ৫৫
১৮৫ সিন্ট মার্টেন ৭৮ ১৫ ৬৩
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৭৩ ৫৭
১৮৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৬ ১১
১৮৮ গাম্বিয়া ৬৪ ৩৪
১৮৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৯০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯১ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯২ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯৩ বেলিজ ৩৩ ২০
১৯৪ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৯ ২৯
১৯৫ ফিজি ২৬ ১৮
১৯৬ কিউরাসাও ২৫ ২৪
১৯৭ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৮ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ২২ ১৯
২০০ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
২০১ লাওস ১৯ ১৯
২০২ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৬ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]