এইচ-১বি ভিসা স্থগিত করলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৫০ পিএম, ০৪ আগস্ট ২০২০

চলতি বছরের জুনে এইচ-১বি ভিসা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল মার্কিন প্রশাসন। সোমবার এই ভিসা স্থগিতের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই আদেশের ফলে এখন থেকে দেশটির ফেডারেল এজেন্সিগুলো বিদেশি কর্মী চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে পারবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী এই বছরে মার্কিন কর্মীদের রক্ষায় গত ২৩ জুন বিদেশিদের অন্যান্য ভিসার পাশাপাশি এইচ-১বি ভিসা স্থগিতের ঘোষণা দেয় ট্রাম্প্র প্রশাসন। করোনাভাইরাস মহামারিতে বিপর্যস্ত দেশটিতে বেকারত্ব বাড়তে থাকায় মার্কিন প্রশাসন নতুন এই পদক্ষেপ নেয়। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানিসহ বিভিন্ন খাতের প্রায় ৫ লাখের বেশি বিভিন্ন দেশের মানুষ, যারা আমেরিকায় চাকরি করেন তারা বিপদে পড়েছেন।

সাধারণত আমেরিকার তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানিতে কর্মীরা এইচ-১বি ভিসা ব্যবহার করে থাকেন। দেশটির এসব সংস্থায় কর্মরত তথ্য-প্রযুক্তি কর্মীদের বেশিরভাগই ভারত এবং চীনের নাগরিক।

এইচ-১বি ভিসা স্থগিতের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের আগে হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ফেডারেল গর্ভমেন্টে কাজে নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু মার্কিনিরাই অগ্রাধিকার পাবেন। আমরা একটি সহজ নীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছি- আমেরিকার নাগরিকদের অগ্রাধিকার। কম খরচে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করা যায় বলেই আমেরিকানরা কর্মহীন হয়ে পড়বেন; এমন নীতি তার প্রশাসন মানবে না বলে জানিয়ে দেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘নির্বাহী আদেশের ফলে কোনও আমেরিকানের পরিবর্তে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করা যাবে না। একমাত্র কর্মসংস্থানের সুবিধার কথা ভেবে এইচ-১বি ভিসায় মোটা বেতনে বিদেশী কর্মী নিয়োগ করা যেতে পারে।’

হোয়াইট হাউস বলছে, আপাতত এইচ-১বির সঙ্গেই এইচ-৪ ভিসা স্থগিত রাখা হচ্ছে। এছাড়াও চলতি বছরে এইচ-২বি, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কর্মীদের জন্য কয়েকটি জে ক্যাটেগরি এবং সংস্থার মধ্যে বদলির জন্য এল-১ ভিসাও স্থগিত থাকবে।

এসআইএস/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]