দাবানল থামাতে অস্ট্রেলিয়া-কানাডার সাহায্য চেয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৩১ এএম, ২৩ আগস্ট ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার সহযোগিতা চেয়েছেন অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর গ্যাভিন নিউসম। শুক্রবার দাবানল পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ‘এই আগুন আমাদের সম্পদ ও কর্মকর্তাদের শেষ করে দিচ্ছে।’

সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ায় বিশ্বরেকর্ড গড়া তাপদাহের মধ্যে ১২ হাজারের বেশি বজ্রপাত থেকে এ দাবানলের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কয়েকশ’ অগ্নিকাণ্ডের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা চলছে সান ফ্রান্সিসকোর দক্ষিণ ও পূর্বের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে। দাবানলের ৫৬০টি অগ্নিকাণ্ডের মধ্যে বেশ কয়েকটি ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাসে অন্যতম বড় আগুনের ঘটনা।

jagonews24

শুক্রবার জরুরি পরিষেবা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ড মাত্র একদিনের ব্যবধানেই দ্বিগুণ আকার ধারণ করেছে। এতে অন্তত ১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

দাবানলে দমকলকর্মীসহ অন্তত ৪৩ জন আহত হয়েছেন, মারা গেছেন কমপক্ষে ছয়জন। আগুনে ভস্মিভূত হয়ে গেছে শত শত ঘরবাড়ি, হুমকিতে পড়েছে আরও কয়েক হাজার।

ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানল মোকাবিলায় ওরেগন, নিউ মেক্সিকো, টেক্সাসের মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে থেকে দমকলকর্মী, পর্যবেক্ষণ প্লেন, গাড়ি পাঠানো হচ্ছে। এরপরও অস্ট্রেলিয়া থেকে ‘বিশ্বসেরা দাবানল মোকাবিলা বাহিনী’ পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন গভর্নর নিউসম।

jagonews24

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ক্যালিফোর্নিয়ায়। অঙ্গরাজ্যটিতে অন্তত সাড়ে ছয় লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যক্তি বা পরিবারকে আলাদা তাবুতে আইসোলেশনে রাখা হচ্ছে। অসুস্থদের জন্য আলাদা আশ্রয়কেন্দ্রেরও ব্যবস্থা হয়েছে কিছু কাউন্টিতে। 

সূত্র: বিবিসি
কেএএ/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]