ব্রেওনা হত্যাকাণ্ড: লুইসভিলে বিক্ষোভ থেকে দুই পুলিশ গুলিবিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৫১ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছয় মাস আগে নিজ বাড়িতে পুলিশের গুলিতে ব্রেওনা টেইলর নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ নারীর মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে অভিযুক্ত না করার প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের লুইসভিল। বুধবার রাতে কারফিউ অমান্য করে শহরটির বিভিন্ন অংশে বিক্ষোভ করেছেন কয়েক হাজার মানুষ। এর মধ্য থেকেই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

লুইভিলের পুলিশপ্রধান রবার্ট শ্রোয়েডার জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ দুই কর্মকর্তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

গত ১৩ মার্চ হাসপাতালকর্মী ব্রেওনা টেইলর (২৬) কেন্টাকিতে নিজ বাড়িতে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান। নিরস্ত্র টেইলরকে অন্তত ছয়টি গুলি করা হয়েছিল।

jagonews24

এ হত্যাকাণ্ডে পুলিশ সদস্যদের অভিযুক্ত করা হবে কিনা এ বিষয়ে রায় ঘোষণার আগেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয় লুইসভিলে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বুধবার সেখানে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়।

বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনার পর গ্র্যান্ড জুরি অ্যানি ও’কনেল শুধু পুলিশ কর্মকর্তা ব্রেট হ্যানকিনসনের বিরুদ্ধে সামান্য অপরাধের অভিযোগ এনেছেন। বাকি দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই আনা হয়নি।

জানা গেছে, হ্যানকিসনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ, তাতে ব্রেওনা হত্যাকাণ্ডের কোনও দায় নেই। তার বিরুদ্ধে মূলত প্রতিবেশীর বাড়িতে গুলিবর্ষণের (ওয়ানটন এনডেঞ্জারমেন্ট) অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজার বিধান রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আইনে।

jagonews24

গ্র্যান্ড জুরির এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ব্রেওনার পরিবারের আইনজীবী। নিরস্ত্র নারীকে হত্যার পরেও কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ না আনাকে ‘আপত্তিকর ও অপমানজনক’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

তবে এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্টাকির অ্যাটর্নি জেনারেলের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন তিনি।

কেএএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]