আগামী এক বছরে কাজ হারানোর আশঙ্কায় বিশ্বের অর্ধেক মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:১১ এএম, ২২ অক্টোবর ২০২০

করোনা মহামারির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। অনেক দেশেই ছোট-বড় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা থেকে জানা যায় যে, বিশ্বের অর্ধেকের বেশি কর্মরত প্রাপ্তবয়স্ক কাজ হারানোর আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে ৫৭ শতাংশই ভারতীয়।

পাশাপাশি দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ আশাবাদী যে, কর্তৃপক্ষ নতুন কাজের জন্য সহায়তা করবে প্রশিক্ষণ দিয়ে। একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষা বুধবার এমনটাই জানিয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম তাদের ‘জব রিসেট সামিট’ সমীক্ষা প্রকাশ করেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তথ্য নেওয়া হয়েছিল। সেখানে দেখা গেছে, রাশিয়ায় গড়ে প্রতি চারজনের মধ্যে তিনজন কাজ হারানোর আশঙ্কায় রয়েছে। অন্যদিকে জার্মানিতে সেটা প্রতি চারজনে একজন।

ভারতে ৫৭ শতাংশ জানিয়েছে, তারা তাদের চাকরি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। এদের মধ্যে ২৫ শতাংশ রীতিমতো উদ্বিগ্ন এবং ৩১ শতাংশ মোটামুটি দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

পুরো বিশ্বে ৫৪ শতাংশ উদ্বিগ্ন আগামী ১২ মাসে তাদের চাকরি চলে যেতে পারে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম এই সমীক্ষা চালিয়েছে ২৭টি দেশের ১২ হাজার কর্মীর ওপর।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি চাকরি নিয়ে উদ্বিগ্ন রাশিয়া। সেখানে এ সংখ্যা ৭৫ শতাংশ। তার পরই স্পেন। দেশটিতে ৭৩ শতাংশ এবং মালয়েশিয়ায় ৭১ শতাংশ।

অন্যদিকে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে থাকা জার্মানিতে ২৬ শতাংশ। সুইডেনে ৩০ এবং নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রে ৩৬ শতাংশ।

বিশ্বের ৬৭ শতাংশ কর্মী তাদের ভবিষ্যতের কাজের জন্য বর্তমান মালিকের কাছ থেকে কিছু প্রশিক্ষণ নিতে চায়। স্পেনে প্রতি ১০ জনে ৯ জন চাইছে অত্যাবশকীয় নতুন দক্ষতা অর্জন করতে। সেখানে জাপান, সুইডেন এবং রাশিয়ায় অর্ধেকের কম এমনটাই চাইছেন।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাদিয়া জাহিদী জানিয়েছেন, বর্তমান সঙ্কটের মানে হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টির হার দুই বছর আগের তুলনায় রীতিমতো কমে গেছে। কিন্তু এতো কাজ হারানোর মাঝেও সামগ্রিকভাবে একটা আশাব্যঞ্জক পরিস্থিতি রয়েছে।

টিটিএন

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]