সরকারি প্রকৌশলীর যৌন লালসার শিকার ৫০ নাবালিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:০৭ এএম, ১৮ নভেম্বর ২০২০

ভয়ঙ্কর যৌন লালসা! গত ১০ বছর ধরে পঞ্চাশ জনের বেশি নাবালিকাকে ধর্ষণ। সেই ভিডিও, ছবি তুলে ডার্ক ওয়েবে বিক্রিও করা হচ্ছিল। কুকর্ম ফাঁস হয়ে যায়, তাই নির্যাতিতাদের মুখ বন্ধ রাখতে দেয়া হত দামী-দামী উপহার।

তবে শেষরক্ষা হলো না। মঙ্গলবার ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বা সিবিআইয়ের জালে ধরা পড়ল উত্তরপ্রদেশে সরকারি প্রকৌশলী। জেরায় নিজের কৃতকর্মের কথা স্বীকার করেছে সে।

উত্তরপ্রদেশের বান্দা, চিত্রকূট এবং হামিরপুরে একাধিক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের খবর মিলছিল। চলতি বছরের শুরুতে সিবিআইয়ের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ দায়ের হয়। তারই ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছিল সিবিআইয়ের বিশেষ দল।

অবশেষে ভারতের বান্দা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে তারা। জানা গেছে, অভিযুক্তর বাড়িতে তল্লাশি করে আট লক্ষ নগদ টাকা, বৈদ্যুতিক গ্যাজেটস, ৮টি মোবাইল, সেক্স টয়েজ, নাবালিকাদের যৌন নির্যাতন করার সামগ্রী, একাধিক ল্যাপটপ উদ্ধার হয়েছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি উত্তরপ্রদেশে সেচ দফতরে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত ১০ বছরে ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী প্রায় ৫০ জন নাবালিকাকে ধর্ষণ, যৌন হেনস্তা করেছে সে। এমনকী, সেই ধর্ষণ বা লালসা মেটানোর সেই সমস্ত ভিডিও মোবাইল, ল্যাপটপ বন্দি করত। পরে সেই ছবি, ভিডিও ডার্ক ওয়েবে বিক্রিও করত। এর বিনিময়ে মোটা টাকা পেত অভিযুক্ত।

সিবিআই জানিয়েছে, অভিযুক্তর ই-মেইল খতিয়ে দেখা হয়েছে। তাতে এক ভয়ঙ্কর তথ্য উঠে এসেছে। জানা গেছে, দেশি ও বিদেশি নাগরিকদের নাবালিকাদের যৌনতার ভিডিও, ছবি সরবরাহ করত সে। এর বিনিময়ে মোটা টাকাও নিত।

সেই টাকা দিয়ে দামী দামী উপহার দিয়ে নির্যাতিতাদের মুখ বন্ধ রাখাত। তবে শেষবধি তার সেই চাল কাজ করল না। তাকে জেরা করে এই চক্রের বাকিদের নাম জানার চেষ্টা করছে সিবিআই।

এমআরএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]