কানাডায় করোনায় মৃত্যু সাড়ে ১৮ হাজার : বিভিন্ন প্রদেশে সতর্কতা

আহসান রাজীব বুলবুল
আহসান রাজীব বুলবুল আহসান রাজীব বুলবুল , কানাডা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:১৭ এএম, ২১ জানুয়ারি ২০২১

কানাডায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কানাডার প্রধান চারটি প্রদেশ অন্টারিও, বৃটিশ কলম্বিয়া, আলবার্টা, এবং কুইবেকে মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ৪৬২ জনে পৌঁছেছে।

এ অবস্থায় ২৫ ডিসেম্বর থেকে কুইবেকে আবার লকডাউন শুরু হয়েছে। একমাত্র জরুরি ফার্মেসি, গ্রোসারী ছাড়া সব বন্ধ থাকছে। কুইবেকের জনসাধারণকে বলা হয়েছে একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া গ্রোসারিস্টোরে কেউ যেন একই দিনে একাধিকবার না যান। রেস্টুরেন্টগুলোতে শুধু টেকআউট এবং ড্রাইভথ্রো খোলা থাকবে।

ব্রিটিশ কলম্বিয়াতে করোনা মহামারির দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বেড়েই চলেছে। সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি, সরকার কর্তৃক বিভিন্ন বিধিনিষেধ দেয়ার পরেও করোনাভাইরাস কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

এ নতুন বিধিনিষেধ আরোপে উইন্ডসর-এজেক্স, পিল রিজিয়ন, টরন্টো, ইয়র্ক রিজিয়ন ও হ্যামিলটনে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে কোনো পাঠদান হবে না। সুযোগ থাকলে কর্মীদের বাড়িতে বসে কাজের সুযোগ দিতে হবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে। ঘরের বাইরে পাঁচজনের বেশি মানুষ এক জায়গায় হতে পারবে না।

সব খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রাত আটটার মধ্যে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে এবং কোনোমতেই সকাল সাতটার আগে খোলা যাবে না। তবে খাদ্যপণ্য বিক্রয়কারী দোকান, গ্যাস স্টেশন, ফার্মেসি, কনভিনিয়েন্স স্টোর বা টেক-আউট সেবা প্রদানকারী রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে সময়ের এ বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হবে না।

ইতোমধ্যেই প্রতীক্ষিত ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হয়েছে কানাডাবাসীর মধ্যে। তবুও করোনা নিয়ন্ত্রণে অনেক ক্ষেত্রেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। কানাডায় আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লাখ ২৫ হাজার ৪৯৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৬২০ জন।

এমএইচআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]m