ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:০৭ পিএম, ২৪ জানুয়ারি ২০২১

রাশিয়ায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের ওপর রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনেছে ক্রেমলিন। দূতাবাস থেকে মার্কিন নাগরিকদের রাশিয়ার চলমান বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার জন্য সতর্কতা জারির পর রোববার এ অভিযোগ করে দেশটির সরকার। খবর এএফপির।

কারাবন্দি বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির প্রায় সাড়ে ৩ হাজার সমর্থককে শনিবার বিক্ষোভ করার সময় পুলিশ গ্রেফতার করে। মস্কোতে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিনির পুতিনের ২০ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে নাভালনি তার সমর্থকদের প্রতি এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রশাসনের কড়া নির্দেশের পরেও শনিবার বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। রাশিয়ার শতাধিক শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছে মস্কোর পাশকিন স্কয়ারে। সেখানে ৪০ হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে প্রেসিডেন্ট পুতিনকে চোর আখ্যা দিয়ে স্লোগান দেয়। তবে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, বিক্ষোভকারীর সংখ্যা মাত্র চার হাজার।

এসময় বিক্ষোভকারীরা নাভালনির মুক্তি এবং পুতিনের পদত্যাগের দাবি করে স্লোগান দেয়। বিক্ষোভে অংশ নেয়া এক নারী বিবিসিকে জানিয়েছেন, রাশিয়া ক্রমে কারাগারে পরিণত হচ্ছে। এজন্য তিনি প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছেন।

বিক্ষোভকে সামনে রেখে মার্কিন দূতাবাস রাশিয়ায় অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানিয়েছে। কিন্তু বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি রাশিয়া।

পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘এই ধরনের প্রকাশনা যথাযথ নয়।’ তিনি বলেন, ‘এবং অবশ্যই এটি পরোক্ষভাবে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ।’

পেসকভ আরও বলেন, ‘যদি যুক্তরাষ্ট্রের রুশ দূতাবাস একই ধরনের সতর্কতা জারি করতো তাহলে ওয়াশিংটনও নিশ্চিতভাবে অস্বস্তি বোধ করতো।’

শনিবার রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তারা মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদের তলব করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলবেন।

এদিকে রবিবার মার্কিন দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেছেন, বিশ্বজুড়েই মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো নিয়মিতভাবে তাদের নাগরিকদের সতর্ক বার্তা দিয়ে থাকে।

এমকে/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]