প্রিন্স ফিলিপকে নিয়ে ‘অতিরিক্ত’ কাভারেজ দেয়ায় সমালোচিত বিবিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৪০ পিএম, ১১ এপ্রিল ২০২১

প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যুতে ‘অতিরিক্ত’ কাভারেজ দেয়ায় দর্শক-শ্রোতার কাছ থেকে সমালোচিত হয়েছে যুক্তরাজ্যের শীর্ষ গণমাধ্যম বিবিসি। এই কাভারেজের জন্য বিবিসি তাদের নিয়মিত কিছু অনুষ্ঠান বাদ দেয়, এতে দর্শকরা মন খারাপ করেছেন বলে অভিযোগ করেন।

বাকিংহাম প্যালেস শুক্রবার ফিলিপের মৃত্যুর ঘোষণা দেয়ার একটু পরেই বিবিসি তাদের বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত কিছু অনুষ্ঠান বাদ দেয়। এছাড়া কাভারেজের সময় বের করতে অনেকগুলো অনুষ্ঠান প্রচার সারাদিনের জন্য বাতিল করে।

বিবিসির অভিযোগের ওয়েব পেজ জানায়, ‘প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যুতে অনেক বেশি কাভারেজ দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগ আমরা পাচ্ছি।’

কিছু টুইটার ব্যবহারকারী বিবিসিকে সোভিয়েত ধাঁচের রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমের মতো করে প্রোপাগাণ্ডা চালানোর জন্য সমালোচনা করেছেন। আবার অন্যরা বলেছেন, একটি বড় সংবাদ কাভার করার জন্য বিবিসিকে অন্যায়ভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিবিসির মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

দর্শকের সংখ্যা পরিমাপে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যের তিনটি শীর্ষ টেলিভিশন চ্যানেল- বিবিসি, আইটিভি ও চ্যানেল ফোর শোকবার্তা ও প্রিন্স ফিলিপের জীবন নিয়ে অনুষ্ঠান প্রচার করায় শুক্রবার তাদের দর্শক হারিয়েছে।

যুক্তরাজ্যের সংবাদপত্রগুলোতেও ছিল প্রিন্স ফিলিপের খবরের প্রাধান্য।

অন্যতম জনপ্রিয় পত্রিকা ডেইলি মেইল ১৪৪ পৃষ্ঠার এক বিশেষ ইস্যু প্রকাশ করে। এটিকে তারা ‘যাদুকরী স্মরণিকা ম্যাগাজিন’ হিসেবে উল্লেখ করে, যার হেডলাইন ছিল ‘এক ভীষণ ড্যাশিং ডিউক’। আরেক পত্রিকা দ্য সান-এর হেডলাইন ছিল ‘আমরা সবাই আপনার সঙ্গে কাঁদছি, ম্যাম।’

রানি এলিজাবেথের স্বামী, প্রিন্স ফিলিপ ৯৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে স্ত্রীর পাশে থেকে তিনি ব্রিটিশ রাজতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

এমকে/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]