সৌদি আরামকোর তেল শোধনাগারে হুথি বিদ্রোহীদের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:০১ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২১

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের শহর জাজানে তেল শোধনাগার ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। বৃহস্পতিবার চালানো এই হামলায় দেশটির সর্ববৃহৎ তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর শোধানাগারে আগুন ধরে যায়। খবর রয়টার্সের।

ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে এক হুথি মুখপাত্র বলেছেন, সৌদি আরামকোর তেল শোধনাগারে ১১টি ক্ষেপনাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

হুথিদের মালিকানাধীন আল-মাসিরাহ টেলিভিশনে এক সামরিক মুখপাত্র বলেন, জাজানে সৌদি আরবের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপনাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থা ও অন্যান্য ‘স্পর্শকাতর স্থাপনাকে’ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

তবে সৌদি আরামকোর অগ্নিকাণ্ড বা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপনাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থায় হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ।

ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বধীন জোট জানিয়েছে, সারারাত ধরে ছোড়া চারটি ড্রোন ও পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্রকে প্রতিরোধ করায় কিছু ধ্বংসাবশেষ জাজান বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায় এসে পড়ে এবং সীমিত আকারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলেও জানিয়েছে জোট।

এক বিবৃতিতে সৌদি নেতৃত্বধীন জোট জানায়, এই হামলায় কেউ নিহত হননি। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।

বিবৃতিতে এই হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করা হয়। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, বেসামরিক এলাকা লক্ষ্য করে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ইয়েমেনে হুথিদের শক্ত ঘাটি সাদা থেকে এগুলো নিক্ষেপ করা হয়েছে।

বেসামরিকদের লক্ষ্য করে হুথিদের এই হামলার সমালোচনা করে মালিকি বলেন, এই ‘প্রতিহিংসা পরায়ণ কর্মকাণ্ড যুদ্ধাপরাধ তৈরি করছে’।

এমকে/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]