১৩টি বাজার থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম গুটিয়ে নিচ্ছে সিটিগ্রুপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৩৮ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২১

যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক ও আর্থিক পরিষেবা কর্পোরেশন সিটিগ্রুপ এশিয়া, ইউরোপ এবং মধ্য প্রাচ্যের ১৩টি বাজারে তাদের গ্রাহক ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ করতে যাচ্ছে। খবর বিবিসির।

এর বদলে ব্যাংকিং গ্রুপটি সিঙ্গাপুর, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং লন্ডনের চারটি কেন্দ্র থেকে এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এটি এখানকার বাজারগুলোতে আরও বড় গ্রাহক ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেবা প্রদান করা চালিয়ে যাবে।

সিটিগ্রুপের প্রধান নির্বাহী জেইন ফ্রেজার বলেছেন, এই ১৩টি বাজারে প্রতিযোগিতা করার মতো ‘সক্ষমতা’ তাদের নেই।

সিটি গ্রুপ অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, পোল্যান্ড, রাশিয়া, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে গ্রাহক ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ করে দেবে।

এক বিবৃতিতে ফ্রেজার বলেন, আমাদের কৌশলের চলমান নতুনত্বের কার্যক্রমের ফলে, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা সম্পদ দ্বিগুণ করব। আমরা এশিয়া এবং ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় (ইএমইএ) আমাদের গ্রাহক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করব চারটি সম্পদশালী কেন্দ্র – সিঙ্গাপুর, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও লন্ডন থেকে।

তিনি বলেন, ‘অন্য ১৩টি বাজারে দারুণ ব্যবসা থাকলেও এগুলোতে প্রতিযোগিতা করার মতো সক্ষমতা আমাদের নেই।’

ফ্রেজার বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি আমাদের মূলধন, বিনিয়োগের ডলার এবং অন্যান্য সংস্থানগুলো এশিয়ার আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবসার উচ্চতর মুনাফার সুযোগের জন্য ব্যবহার করাটা আরও ভাল হবে।’

বৃহস্পতিবার সিটিগ্রুপ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে তাদের নিট আয় হয়েছে ৭৯০ কোটি ডলার, যা বিশ্লেষকদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে।

এশিয়ার বাজারে সিটিগ্রুপের শক্তিশালী অবস্থান থাকলেও অন্য প্রতিযোগীরা এই অঞ্চলে তাদের কার্যক্রম বৃদ্ধি করছে।

এইচএসবিসি চীনের সম্পদশালী গ্রাহকদের পেতে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং এজন্য আগামী পাঁচ বছরে তিন হাজার ব্যাংকার নিয়োগ দেবে। মার্কিন ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস ও জেপি মরগ্যানও জানিয়েছে তারা চীনে কার্যক্রম বৃদ্ধি করবে।

এমকে/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]