মঙ্গলে প্রথমবারের মতো নিঃশ্বাসযোগ্য অক্সিজেন তৈরি করল নাসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৩৪ পিএম, ২২ এপ্রিল ২০২১

নাসার পারসিভিয়ারেন্স রোভারের একটি যন্ত্র মঙ্গল গ্রহের কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে নিঃশ্বাসযোগ্য অক্সিজেন তৈরি করেছে। পারসিভিয়ারেন্স মিশনে এটি নাসার দ্বিতীয় সাফল্যের ঘটনা। শুক্রবার মঙ্গলে একটি ড্রোন ওড়াতে সফল হয় সংস্থাটি। খবর বিবিসির।

রোভারের টোস্টার আকারের একটি ইউনিটে এই অক্সিজেন তৈরি করা হয়েছে। ইউনিটটির নাম মক্সি (মার্স অক্সিজেন ইন-সিটু রিসোর্স ইউটিলাইজেশন)। এতে ৫ গ্রাম অক্সিজেন তৈরি করা হয়েছে। এই পরিমাণ অক্সিজেন দিয়ে একজন নভোচারী মঙ্গলে প্রায় ১০ মিনিট ধরে নিঃশ্বাস নিতে পারবেন।

নাসা ধারণা করছে, ভবিষ্যতে মানুষ লাল গ্রহটিতে গেলে পৃথিবী থেকে সঙ্গে করে অক্সিজেন নিয়ে যাওয়ার বদলে মক্সির আরও উন্নত সংস্করণ নিয়ে যাবে। এতে করে সেখানেই প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে পারবেন নভোচারীরা।

মঙ্গলের বাতাসের প্রায় সবটাই কার্বন ডাই অক্সাইড- ৯৬ শতাং। মাত্র ০.১৩ শতাংশ অক্সিজেন। পৃথিবীতে বাতাসের ২১ শতাংশ হলো অক্সিজেন।

কার্বন অনু থেকে মক্সি অক্সিজেন পরমাণু আলাদা করতে সক্ষম। অক্সিজেন তৈরি হওয়ার পর যে বর্জ্য থেকে যায় তা হলো কার্বন মনোক্সাইড যা মঙ্গলের বাতাসে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

মক্সির জন্য নাসার যে টিমটি কাজ করছে তারা এটির কার্যক্ষমতা দেখতে বিভিন্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষা চালাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, এটি প্রতি ঘণ্টায় ১০ গ্রাম করে অক্সিজেন উৎপন্ন করতে পারবে।

নাসার মহাকাশ প্রযুক্তি মিশন পরিচালনার প্রযুক্তিচালনা বিভাগের প্রধান ট্রুডি কর্টেস বলেন, ‘মক্সি শুধু অন্য গ্রহে অক্সিজেন তৈরির প্রথম যন্ত্রই নয়, এটি এ ধরনের প্রযুক্তির প্রথম যন্ত্র যা ভবিষ্যৎ মিশনে ভূমিতে বসবাসের ক্ষেত্রে অন্য গ্রহের পরিবেশের উপাদান ব্যবহারে সাহায্য করবে।’

নাসা বৃহস্পতিবার আবার তাদের ড্রোনটি ওড়ানোর চেষ্টা করবে। শুক্রবার অন্য কোনো গ্রহে প্রথম কোনো আকাশযান উড়িয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে নাসা।

এমকে/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]