সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান মমতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:২৫ পিএম, ০৩ মে ২০২১

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্বাচনের ভোট গণনার ফলাফল সামনে আসতে শুরু করার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষের অভিযোগ আসছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মানুষদের শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বললেন, হিংসা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোভিড মহামারির এই সময়ে মানুষের পাশে থাকতে হবে। শান্ত থাকুন, অভিযোগ থাকলে পুলিশের কাছে জানান। বিজেপি, কেন্দ্রীয় বাহিনী যদিও অনেক অত্যাচার করেছে। তবে শান্তি-শৃঙ্খলার দায়িত্ব পুলিশের।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বর্ধমানে তৃণমূল কর্মীকে খুন করেছে বিজেপি। কোচবিহারে হামলার শিকার হচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। কোচবিহারের এসপি বিজেপির হয়ে কাজ করছেন। কয়েকজন পুলিশ বিজেপির হয়ে আসরে নেমেছিল। সেই সব পুলিশ কর্মকর্তা মনে করেন তারা ঠিক কাজ করেছেন, কিন্তু আমি তা মনে করি না। আইন সামলানোর দায়িত্ব পুলিশের।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের শান্তির, সংস্কৃতির একটা ধারা আছে। সেটাকে বজায় রাখতে হবে। বিজেপি এর পরেও গোলমাল করছে। আমি বলছি শান্ত থাকুন। এখন প্রয়োজন মানুষের পাশে দাঁড়ানো। রাজ্যে করোনা সংক্রমণে প্রচুর মানুষ বিপদে পড়েছেন। এই বিষয়টা আমাদের আগে দেখতে হবে।

মমতা বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, তাদের বুঝতে হবে তারা শাহেন শা নয়। এসব মানুষ ঠিক করে। আমরা ৩৬৫দিন মানুষের কাজ করি। মানুষকে উজ্জীবিত করি। জাত-ধর্ম-বর্ণের বিভেদ তৈরিতে মোদি আর বিজেপির চেষ্টা মানুষ রুখে দিয়েছে। বাংলার মায়েরা ও তরুণরা পারে বিজেপিকে রুখে দিতে। বিজেপিকে রুখে দিতে সব কৃতিত্ব জনগণের।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের প্রধান গুরুত্ব করোনা। আমি নির্বাচনের মধ্যেও করোনা নিয়ে মনিটরিং চালিয়েছি। আমরা এখন কোনও বিজয় উৎসব করছি না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে উৎসব করব। দেশের নেতাদের আহ্বান করা হবে। তবে আজ তৃণমূল ভবনে জয়ী বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করব। শপথ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হবে। আজ সন্ধ্যায় রাজভবনে যাব। তৃণমূল ভবনের এই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সব বিধায়ক হয়তো আসতে পারবেন না , করোও করোও করোনা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাকে ফলাফলের পর ফোন করেননি। টুইট করেছেন তো কী হয়েছে। যদিও এসব নিয়ে কিছু বলতে চাই না। কারণ তিনি কাজে ব্যস্ত থাকতে পারেন।

টিটিএন/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]