পশ্চিমবঙ্গে অক্সিজেনের বরাদ্দ বাড়াতে মোদিকে মমতার জরুরি চিঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৫৫ পিএম, ০৭ মে ২০২১

চিকিৎসা খাতে অক্সিজেনের বরাদ্দ বাড়ানো ও পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদিত অক্সিজেন অন্য রাজ্যে পাঠানো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। চিঠির ওপরে মমতা কলম দিয়ে লিখে দিয়েছেন ‘Very Urgent’(খুব জরুরি)। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

রাজ্যের করোনা রোগীদের জন্য অক্সিজেনের বরাদ্দ বাড়িয়ে দৈনিক কমপক্ষে ৫৫০ মেট্রিক টন করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা লিখেছেন, ‘রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে মেডিক্যাল অক্সিজেনের চাহিদা বেড়েছে। রোজই প্রায় ৪৭০ মেট্রিক টন অক্সিজেন লাগছে। আগামী ৭-৮ দিনে তা বেড়ে হতে পারে ৫৫০ মেট্রিক টন’।

চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করে লিখেছেন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে অক্সিজেনের দৈনিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ৫৫০ মেট্রিক টন করার কথা বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। যদিও পশ্চিমবঙ্গে বরাদ্দ না বাড়িয়ে অন্য রাজ্যকে বেশি বরাদ্দ করছে কেন্দ্র। আর সেটা করছে পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদিত অক্সিজেন থেকেই।

মমতার অভিযোগ, গত ১০ দিনে এ রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাওয়া অক্সিজেন ২৩০ মেট্রিক টন থেকে বেড়ে হয়েছে ২৬০ মেট্রিক টন। আর পশ্চিমবঙ্গের জন্য বরাদ্দ করে রাখা হয়েছে ৩০৮ মেট্রিক টন অক্সিজেন। যদিও চাহিদা রয়েছে ৫৫০ মেট্রিক টন।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার অক্সিজেন বরাদ্দের বিষয়টি যেন খতিয়ে দেখে এবং অবিলম্বে পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদিত মোট অক্সিজেনের মধ্যে দৈনিক ৫৫০ মেট্রিক টন বরাদ্দ করে। কেন্দ্রীয় সরকার বরাদ্দ না বাড়ালে রাজ্যজুড়ে অক্সিজেন সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটবে ও রোগীর মৃত্যু হতে পারে বলেও চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মমতা।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে চলছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত একদিনে রাজ্যটিতে ১১৭ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ হাজার ৯৬৪ জনে। এ সময়ে ১৮ হাজার ৪৩১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৯ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬ জনে। রাজ্যে একদিনে মৃত্যু ও শনাক্তে এটাই সর্বোচ্চ রেকর্ড।

এমকে/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]