কানাডায় করোনার ভ্যাকসিন ‘ম্যাচ অ্যান্ড মিক্স’-এর পরিকল্পনা

আহসান রাজীব বুলবুল
আহসান রাজীব বুলবুল আহসান রাজীব বুলবুল , কানাডা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:১২ এএম, ১১ মে ২০২১

কোভিড মহামারির ভ্যাকসিন নিয়ে বড় দেশগুলোর স্বার্থের খেলার বিপরীতে অন্যান্য দেশ নিজেদের মতো করে পদক্ষেপ নিতে নিচ্ছে। নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রশ্নে কারও মুখের দিকেই তাকিয়ে থাকার সুযোগ নেই। কানাডার কয়েকটি প্রদেশকেই এখন অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রেজেনেকার প্রথম ডোজের সঙ্গে অন্য কোনো ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ মিশ্রণের চিন্তা করতে হচ্ছে।

কুইবেকের পর অন্টারিওতেও এখন ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজের ক্ষেত্রে ‘ম্যাচ অ্যান্ড মিক্স’-এর পরিকল্পনা চলছে। মূলতঃ অ্যাস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিনের সরবরাহের অনিশ্চয়তার কারণেই বিকল্প এই পথে হাঁটতে হচ্ছে বলে সরকারিভাবেই জানানো হয়েছে।

ভ্যাকসিনের জন্য কানাডা চুক্তি করেছিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রেজেনেকার সঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাস্ট্রেজেনেকার কারখানা থেকে কানাডায় ভ্যাকসিন পাঠানোর কথা ছিল। এর মাঝে অবশ্য কানাডীয় সরকারের উদ্যোগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে বেশ কিছু ভ্যাকসিন আনা হয়েছিল। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি নিষেধাজ্ঞার কারণে অ্যাস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন কানাডা কবে পাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফলে প্রথম ডোজ যাদের অ্যাস্ট্রেজেনেকা দেয়া হয়েছিল তাদের দ্বিতীয় ডোজ অন্য কোনো ভ্যাকসিনের কথা চিন্তা করা হচ্ছে।

ভ্যাকসিনের ‘ম্যাচ অ্যান্ড মিক্স’ নিয়ে যুক্তরাজ্যে বড় ধরনের গবেষণার ফলাফলের দিকেও তাকিয়ে আছে কানাডা। এই সপ্তাহে তাদের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার কথা। একই সঙ্গে ফেডারেল ইমিউনাইজেশন প্যানেলের মতামতের অপেক্ষা করছে অন্টারিও।

তবে অন্টারিওর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্রিস্টিনা ইলিয়ট সাংবাদিকদের বলছেন, প্রথম ডোজ যারা অ্যাস্ট্রেজেনেকা নিয়েছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে ফাইজারের ভ্যাকসিন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এসএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]