ফরাসি প্রেসিডেন্টকে থাপ্পড় মারার সাজা চার মাসের জেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:০১ এএম, ১১ জুন ২০২১

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁকে থাপ্পড় মারা যুবককে চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন স্থানীয় একটি আদালত। অবশ্য বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত ড্যামিয়েন ট্যারেলকে ১৮ মাসের দণ্ড দিয়েছিলেন আদালত, পরে ১৪ মাসের সাজা স্থগিত করা হয়। ফলে ফরাসি প্রেসিডেন্ট থাপ্পড় মারার সাজা হিসেবে মাত্র চার মাস কারাগারে থাকতে হবে সেই যুবককে।

গত মঙ্গলবার ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় ড্রোম এলাকা পরিদর্শনে যান ম্যাক্রোঁ। এসময় তিনি স্থানীয় একদল বাসিন্দার সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে ব্যারিকেডের কাছাকাছি যান। সেখানে উপস্থিত ট্যারেল আচমকা সজোরে থাপ্পড় বসিয়ে দেন ফরাসি প্রেসিডেন্টের গালে। সঙ্গে সঙ্গে ম্যাক্রোঁকে সরিয়ে নেয়া হয় এবং আটক করা হয় ওই যুবককে।

আদালতে ট্যারেলের বিরুদ্ধে ‘জনগণের কর্তৃত্বের অধিকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত সহিংসতা’র অভিযোগ আনেন সরকারি প্রসিকিউটররা। তারা এ ঘটনাকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন।

প্রেসিডেন্টকে থাপ্পড় মারার দায়ে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৪৫ হাজার ইউরো জরিমানা হতে পারত। তবে সেই তুলনায় অনেকটাই লঘু দণ্ড পেয়েছেন ট্যারেল।

তিনি আদালতে জানিয়েছেন, ম্যাক্রোঁ ওই এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার কয়েকদিন আগেই তার দিকে ডিম অথবা ক্রিম ছুড়ে মারার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে থাপ্পড় মারার বিষয়টি পূর্বপরিকল্পিত নয়।

বিএফএম টিভির সূত্রমতে, আদালতে ড্যামিয়েন ট্যারেল বলেছেন, ‘আমি মনে করি, ম্যাক্রোঁ খুব স্পষ্টভাবে আমাদের দেশের পতনের প্রতিনিধিত্ব করেন।’

অভিযুক্ত যুবক আরও বলেন, ‘আমি যদি ম্যাক্রোঁকে সূর্যোদয়ের সময় দ্বন্দ্বযুদ্ধের জন্য চ্যালেঞ্জ করতাম, মনে হয় না তিনি রাজি হতেন।’

এদিকে, থাপ্পড় খাওয়াকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। গত বৃহস্পতিবার তিনি বিএমএফ টিভিকে বলেন, এটি ‘বেকুব, হিংসাত্মক একটি কাজ’।

ঘটনাটি ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিষাক্ত পরিবেশের পরিণতি’ বলেও মন্তব্য করেছেন এ নেতা।

সূত্র: আর জাজিরা

কেএএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]