চাকরি ছাড়ার অভিনব উপায়!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:১১ পিএম, ১৮ জুন ২০২১

কাজের চাপ সহ্য করতে না পারা, বেতনে না পোষানো, ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে দ্বন্দসহ আরও কত শত কারণে মানুষ চাকরি ছেড়ে দেয় বা দিতে বাধ্য হয়। আর তাদের চাকরি ছাড়ার পদ্ধতিতেও দেখা যায় ভিন্নতা। সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত ফাস্টফুড চেইন ম্যাকডোনাল্ডসের চাকরি ছেড়েছেন তাদের এক কর্মী। তবে যেভাবে তিনি চলে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তা আলোচনার ঝড় তুলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

সম্প্রতি ম্যাকডোনাল্ডসের ওই কর্মীর চাকরি ছাড়ার বিষয়টি টুইটারে শেয়ার করেন এক ব্যবহারকারী। তার সেই টুইটে দেখা যায়, ম্যাকডোনাল্ডসের একটি আউটলেটের সামনে একটি কালো বস্তুর ওপর টেপ দিয়ে কয়েকটি কাগজ আটকানো। এর একটিতে যা লেখা রয়েছে তার অর্থ দাঁড়ায়, ‘আমরা (আউটলেট) বন্ধ করে দিয়েছি, কারণ আমি কাজ ছেড়ে দিচ্ছি। আর আমি এই চাকরি ঘৃণা করি।’

টুইট করার পরপরই ভাইরাল হয়ে যায় ছবিটি। আর বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো দ্বিবিভক্ত হয়ে পড়েন নেটিজেনরা। অনেকেই মাত্রাতিরিক্ত কাজ ও স্বল্প বেতনে কর্মীদের দুর্ভোগের কথা বলেছেন, আবার কেউ কেউ ওই কর্মীর পেশাদারিত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

ছবিটি প্রথমে পোস্ট করা সেই ব্যক্তি আরেক টুইটে জানান, তিনি ম্যাকডোনাল্ডসের সেই আউটলেটের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। জানা গেছে, ওই কাগজটি সেখানকার এক নাইট শিফট ম্যানেজার লাগিয়েছিলেন, যিনি আচমকা চাকরি ছেড়ে গেছেন।

ভাইরাল টুইটের নিচে নেটিজেনরা বিভিন্ন ধরনের কমেন্ট করছেন। মাত্র একজনকে দিয়ে সারারাত আউটলেট সামলানোর ঘটনায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করে ওই কর্মীকে সমর্থন দিয়েছেন।

একজন নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে লিখেছেন, ১৬ বছর বয়সে আমার প্রথম আনুষ্ঠানিক চাকরি ছিল ম্যাকডোনাল্ডসে, আর সেটিই আজ পর্যন্ত করা অন্যতম কঠিন কাজ। আমি খুশি যে এটি ঘটেছে।

কমেন্টে অনেকেই কর্মীদের দিয়ে অতিরিক্ত কাজ করানোর বিষয়ে উল্লেখ করেছেন। এক ব্যক্তি লিখেছেন, মহামারির আগেই কর্মীরা তাদের সীমায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। এখন এই পরিস্থিতিতে তারা অবশ্যই ভেঙে পড়বেন।

একজন অবশ্য ওই কর্মীর সমালোচনা করে বলেছেন, কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা আমাদের সবার জায়গা নিয়ে নেবে, কারণ আমরা যে কাজের জন্য আবেদন করি তা করতে চাই না।

সূত্র: এনডিটিভি

কেএএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]