ভারতে ‘দেহব্যবসায়ীদের’ খপ্পর থেকে বাংলাদেশি তরুণী উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৫৭ এএম, ১৯ জুন ২০২১ | আপডেট: ১২:০২ পিএম, ১৯ জুন ২০২১
প্রতীকী ছবি

ভারতের তামিলনাড়ুতে একটি দেহব্যবসা চক্রের হাত থেকে দুই নারীকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। এদের মধ্যে একজন বাংলাদেশের নাগরিক এবং ভারতে তাকে ‘যৌনতায় বাধ্য’ করা হতো বলে দাবি করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর অনুসারে, ২০ বছর বয়সী ওই তরুণী ঢাকার বাসিন্দা এবং তিনি ছয় মাস আগে অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিলেন বলে ভারতীয় পুলিশকে জানিয়েছেন।

এক পুলিশ কর্মকর্তা সংবাদম্যধামটিকে জানান, রফিক নামে এক ব্যক্তি ওই তরুণীকে বেঙ্গালুরু নিয়ে যায়, সেখানে তিনি (তরুণী) গৃহকর্মীর কাজ করেন। তিন মাস আগে আশিক নামে এক লোক তাকে ঘরের কাজের কথা বলে কইম্বাতরের গান্ধিপুরমে নিয়ে যায়।

পরে কেরালার পালাক্কাড় জেলার অজিতমোহন (৩২) এবং কর্ণাটকের বিজাপুরের মান্ধেশা (২৬) ওই তরুণীকে সর্বনামপট্টির একটি ভাড়া বাড়িতে নিয়ে যায় এবং যৌনতায় বাধ্য করে। সেখানে পালাক্কাড়ের আরেক নারীকেও একই কাজ করানো হতো।

গত বুধবার রাতে গোপন খবরের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালায় স্থানীয় পুলিশ। এসময় অভিযুক্ত অজিতমোহন ও মান্ধেশাকে গ্রেফতার এবং ভুক্তভোগী দুই নারীকে উদ্ধার করে তারা।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ বেআইনি পাচার (প্রতিরোধ) আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। দুই অভিযুক্তকে রিমান্ডে এবং উদ্ধার নারীদের পুলিশি আশ্রয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধার তরুণীর সঙ্গে নাগরিকত্ব প্রমাণের মতো কোনো কাগজপত্র না থাকায় বিস্তারিত তথ্যের জন্য গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সর্বনামপট্টি পুলিশ। এছাড়া অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে মামলা দিয়ে গত শুক্রবার তাকে চেন্নাইয়ের পুঝাল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কথিত বাংলাদেশি এ তরুণীর তথ্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে। আর চক্রের সঙ্গে জড়িত রফিক ও আশিককে ধরতে দুটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় পুলিশ।

কেএএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]