বন্যার আঘাত না যেতেই চীনের দিকে এগোচ্ছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:২০ পিএম, ২৪ জুলাই ২০২১
ফাইল ছবি

রেকর্ড বৃষ্টিপাত আর তার জেরে সৃষ্টি হওয়া ভয়াবহ বন্যার ক্ষত এখনো শুকায়নি চীনের হেনান প্রদেশে। ধ্বংসস্থূপ সরানো আর নিখোঁজদের অনুসন্ধানে ব্যস্ত সময় কাটছে উদ্ধারকর্মীদের। এর মধ্যেই নতুন বিপদ এগিয়ে যাচ্ছে দেশটির দিকে। আগামী রোববার রাতে চীনের পূর্ব উপকূলীয় প্রদেশ ঝেজিয়াংয়ে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ইন-ফা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবর অনুসারে, তাইওয়ান থেকে ধীরে ধীরে উত্তরপশ্চিম দিকে সরে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়টি। এর বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫৫ কিলোমিটার, যা কখনো কখনো ১৯১ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠছে। তবে এখন পর্যন্ত ইন-ফার আঘাতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা শিনহুয়া জানিয়েছে, ঝড়ের কারণে ঝেজিয়াংয়ের স্কুল, বাজার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় সড়ক যোগাযোগও বন্ধ করা হতে পারে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘূর্ণিঝড় ইন-ফার কারণে তৃতীয় মাত্রার সতর্কতা জারি করেছে।

jagonews24

ঝড়ের আশঙ্কায় এ অঞ্চলের শতাধিক ট্রেনের শিডিউল বাতিল করেছে চায়না রেলওয়ে। প্রাদেশিক রাজধানী হাংঝৌয়ের বিমানবন্দর থেকে রোববারের ৯০ শতাংশ ফ্লাইট ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। সোমবারের ফ্লাইটগুলোও বাতিল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সাংহাইয়ের দক্ষিণাঞ্চলীয় ইয়াংশান বন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। ওই এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে দেড়শ’রও বেশি নৌযান।

jagonews24

এদিকে, গত সপ্তাহে চীনের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ হেনানে আঘাত হানা প্রবল বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ জনে। প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে অন্তত ৪ লাখ ৯৫ হাজার বাসিন্দাকে। অনেকেই বিশুদ্ধ পানি ও খাবারবিহীন অবস্থায় আটকা পড়েছেন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলো ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তাঘাট পরিষ্কারের কাজ অব্যাহত রেখেছে। এবারের বন্যায় কয়েকশ’ কোটি ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছে হেনান সরকার।

কেএএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]