বৈশাখীকে সিঁদুর পরানোয় বাবার ওপর চটেছেন শোভনপুত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:২২ এএম, ১৭ অক্টোবর ২০২১

দুর্গোৎসবে বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন কলকাতার সাবেক মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। এমন ঘটনায় শোভন-বৈশাখীর ওপর চটেছে শোভনের পরিবার। স্ত্রী রত্না ও শ্বশুর দুলাল দাস সমালোচনা করেছেন।

তবে বাবা এবং তার প্রেমিকাকে রীতিমতো আক্রমণ করলেন শোভনের ছেলে সপ্তর্ষি। তিনি বলেন, ‘ওরা চেষ্টা করছেন সম্পর্কটাকে রোমান্টিকভাবে উপস্থাপন করতে। কিন্তু আসলে ওরা বেলেল্লাপনা করে বেড়াচ্ছেন। এসব করে আসলে উনি যেমন নিজেকে অপমান করছেন, তেমনই আমাদের পরিবারকেও আপমান করছেন।’

পিতাকে তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের কথা স্মরণ করিয়ে সপ্তর্ষি বলেন, ‘উনি কলকাতার মেয়র ছিলেন, রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন। তাই তার কোনো কাজ করার আগে ভাবা উচিত, তাকে দেখে আগামী প্রজন্ম কী শিক্ষা পাবে। আমার মনে হয় ওকে (শোভন) এমন কোথাও নিয়ে যাওয়া উচিত, যেখানে সামাজিকতা শেখানো যায়।’

তিন বছরের বেশি সময় শোভন তার বেহালা মহারাণী ইন্দিরা দেবী রোডের বাড়িতে থাকেন না। তার বর্তমান নিবাস গোলপার্কের এক বহুতল ভবন। মায়ের সঙ্গে মহারাণী ইন্দিরা দেবী রোডের বাড়িতেই থাকেন সপ্তর্ষি। নিজের প্রোডাকশনের কাজ সামাল দিয়ে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছে শোভনপুত্রের।

একাদশীর দিন সেই কাজ সামাল দিতে দিতেই সপ্তর্ষি বলেন, ‘সিঁদুর খেলা দুর্গাপূজায় হতেই পারে। কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন রয়েছে। দুর্গাপূজা হিন্দুদের উৎসব। আইনত যখন শোভন চট্টোপাধ্যায় এখনো বিবাহিত, তখন তিনি কী করে এমন একজনের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন, যিনি বর্তমানে অন্যের স্ত্রী। তারও তো বিবাহ বিচ্ছেদ হয়নি।’

সপ্তর্ষি বলেন, ‘শোভন চট্টোপাধ্যায় গোসল করে বেরোনোর পর কালিপূজা করেন। তিনি যখন হিন্দু ধর্ম মানেন, তখন এত বড় আইন কী করে ভাঙেন? দুর্গাপূজায় নারীকে সর্বোচ্চ শক্তি হিসেবে আরাধনা করা হয়। আমরা বলি, সব নারীর মধ্যে দুর্গা রয়েছেন। অথচ আজ তিনি দুর্গাপূজায় নিজের স্ত্রীকে অপমান করে অন্যের স্ত্রীকে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছেন।’

এএএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]