যুক্তরাষ্ট্রের পথে কয়েক হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:১৬ পিএম, ২৪ অক্টোবর ২০২১
ছবি: সংগৃহীত

দুই হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী ও আশ্রয় প্রার্থী দক্ষিণ মেক্সিকোর একটি শহর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের দিকে যাত্রা শুরু করেছেন। তারা সবাই মূলত মধ্য আমেরিকার দেশগুলো নাগরিক। শহরটিতে তারা অনেক দিন ধরে আটকা পড়েছিলেন। রোববার (২৪ অক্টোবর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন। তবে পুলিশ তাদের গতিপথে বাধা তৈরি করে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এক পর্যায়ে তাদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কিও হয়। এ ঘটনায় মাথায় আঘাত লেগে এক শিশু আহত হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের গতিপথ থামাতে পারেনি পুলিশ।

তারা একটি বেসবল মাঠে রাতের জন্য বিশ্রাম নেওয়ার আগে আলভারো ওব্রেগনের নিকটবর্তী একটি গ্রামে পৌঁছায়। এটি শহর থেকে কয়েক মাইল দূরে অবস্থিত।

নিকারাগুয়ান অভিবাসী জোসেফ বলেন, আমরা এখানে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি আছি। আমরা আর কষ্ট নিতে পারছি না। এখানে আমাদের কোনো কাজ নেই। আমাদের নিজ দেশের পরিস্থিতিও খুব খারাপ। সুতরাং আমাদের পরিবারের ভরণপোষণের জন্য এখান থেকে আমরা বেরিয়ে যেতে চাই।

পুলিশ, অভিবাসন এজেন্ট এবং ন্যাশনাল গার্ড চলতি বছরের শুরুতে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একই রকমের একটি প্রচেষ্টা ভেঙে দেয়।

হন্ডুরাস, এল সালভাদর এবং হাইতি থেকে কয়েক হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী অথবা আশ্রয় প্রার্থীরা কাগজপত্রের জন্য মেক্সিকোর দক্ষিণের শহর তাপাচুলাতে অপেক্ষা করছেন। এই কাগজ হাতে পেলে তারা অন্য কোথাও ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন। কিন্তু সে প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় তার ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

মধ্য আমেরিকার অনেক দেশের নাগরিকরাই মেক্সিকোতে এসে বিভিন্ন সময়ে আশ্রয় নিয়েছেন। বেশিরভাগ সময় সেখান থেকেই তারা যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের দিকে যাওয়া চেষ্টা করে থাকেন।

গত আগষ্টে মেক্সিকোর ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা হাইতি, কিউবা ও মধ্যে আমেরিকার দেশগুলোর কয়েকশ নাগরিকের এ ধরনের যাত্রা বন্ধ করে দিয়েছিল। মূলত এসব নাগরিক যেখানে আটকা রয়েছে সেখান থেকে মাঝে মধ্যেই বের হয়ে মহাসড়ক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের দিকে যাত্রা শুরু করেন।

এমএসএম/টিটিএন/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]