তেলের চাহিদা মহামারির আগের অবস্থানকে ছাড়িয়ে যাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:০২ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২২
ছবি: সংগৃহীত

তেলের চাহিদা বর্তমানে মহামারির আগের অবস্থানের কাছাকাছি রয়েছে। অর্থাৎ মহামারির আগে যেরকম চাহিদা ছিল বর্তমানে প্রায় সেরকম অবস্থানে চলে এসেছে। তবে ২০২২ সালের শেষের দিকে তেলের চাহিদা মহামারির আগের অবস্থানকে ছাড়িয়ে যাবে। সৌদির তেল কোম্পানি আরামকোর নির্বাহী প্রধান দাম্মামে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

নির্বাহীর প্রধান আমিন এইচ নাসের বলেন, আরামকো চাহিদার ব্যাপারে খুবই আশাবাদী। গ্যাসোলিন ও ডিজেলসহ কিছু পণ্যের চাহিদা এরই মধ্যে বেড়েছে। অন্যদিকে এখনো বিভিন্ন ধরনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে জেট ফুয়েলের চাহিদা কম রয়েছে। তারপরেও খুব দ্রুতই জেট ফুয়েলের চাহিদা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, করোনা মহামারি শুরু হওয়ার আগে চাহিদা যেরকম ছিল এখন প্রায় তার কাছাকাছি চলে এসেছে। বিশ্বব্যাপী উৎপাদকরা সরবরাহে খুব কম বিনিয়োগ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

২০২০ সালে করোনার মহামারি যখন ছড়িয়ে পড়ে তখন বিশ্বে ক্রুড তেলের চাহিদা কমে দৈনিক প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল। কারখানা বন্ধ ও লকডাউনের কারণে তেলের চাহিদায় এ নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

চাহিদা বাড়ায় চলতি বছরে তেলের দাম বেড়েছে ১৩ শতাংশ। ব্যারেল প্রতি তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫ ডলারে। করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন অর্থনীতিকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে না এমন ধারণা থেকেই তেলের চাহিদা বেড়েছে। যদিও সরবরাহ ব্যবস্থা সংকুচিত হয়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো তেলের উৎপাদন বাড়াতে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করছে। সৌদি আরবও ক্রুড তেলের উৎপাদন বাড়ানো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৭ সালের মধ্যে দেশটি দৈনিক এক কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করার পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে দেশটির সক্ষমতা রয়েছে দৈনিক এক কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করার।

সূত্র: ব্লুমবার্গ, আরব নিউজ

এমএসএম/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]