ইউক্রেন ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৪৮ পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২২
ফাইল ছবি

রাশিয়ার আচরণকে ‘আশঙ্কাজাগানিয়া’ উল্লেখ করে ইউক্রেন ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষেদের জরুরি বৈঠক ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী সোমবার (৩১ জানুয়ারি) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। জাতিসংঘে ওয়াশিংটনের প্রতিনিধি লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের সীমান্তে এক লাখের বেশি সেনা মোতায়েন করেছে ও দেশটিকে লক্ষ্য করে নানা অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও জাতিসংঘ সনদের জন্য সুস্পষ্ট হুমকি।

তিনি বলেন, আমরা উত্তেজনা কমাতে নিরলস কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদকেও ইউক্রেন, রাশিয়া ও ইউরোপের জন্য কী কী ঝুঁকি রয়েছে এবং রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করলে আন্তর্জাতিক নীতি কেমন হবে তা অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে।

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার ‘হুমকিমূলক আচরণ’ এবং ইউক্রেন সীমান্ত ও বেলারুশে রুশ সেনাদের উপস্থিতিতে আশঙ্কা বাড়ছে উল্লেখ করে মার্কিন প্রতিনিধি বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বিষয়ের মুখোমুখি হয়েছে নিরাপত্তা পরিষদ।

তিনি বলেন, এখন বসে বসে অপেক্ষা করার সময় নয়। এখনই পরিষদের পূর্ণ মনোযোগ দরকার। আমরা সোমবার সরাসরি ও উদ্দেশ্যমূলক আলোচনা হবে আশা করছি।

মূলত শুক্রবারই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠক ডাকতে চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এদিন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁর টেলিফোনে আলাপ হওয়ার কথা। এটিকে বাধাগ্রস্ত না করতেই পরিষদের বৈঠক পিছিয়ে সোমবার ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের একটি হওয়ায় উত্থাপিত যেকোনো প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ার অধিকার রয়েছে রাশিয়ার। এরপরও লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড মনে করছেন, সবার সামনে রাশিয়ার কর্মকাণ্ড তুলে ধরা ও ইউক্রেনের প্রতি আগ্রাসী আচরণের জন্য ক্রেমলিনকে একঘরে করতে এটি একটি বড় সুযোগ।

তিনি বলেন, আমার মনে হয় না রাশিয়া অন্য দেশ আক্রমণ করলে নিরাপত্তা পরিষদের কোনো সদস্য তা মেনে নেবে ও চুপচাপ বসে থাকবে। রাশিয়ার ভেটো ক্ষমতা থাকলেও আমরা যদি নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব উত্থাপন করি ও তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জোট দেখাতে পারি, তবে তারা (রাশিয়া) বিচ্ছিন্ন অনুভব করবে।

সূত্র: এএফপি, এনডিটিভি

কেএএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]