মহামারি সত্ত্বেও বৈশ্বিক সামরিক ব্যয়ে রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:৪৪ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০২২

দ্বন্দ্ব-সংঘাত ও মহামারিতে বিপর্যস্ত বিশ্ব। তারপরও প্রতিবছর দেশে দেশে বাড়ছে সামরিক ব্যয়। জানা গেছে, ২০২১ সালে বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় বেড়ে রেকর্ড ছুঁয়েছে। এসময় বিশ্বের সামরিক ব্যয় দুই ট্রিলিয়ন ডলার বা দুই লাখ কোটি ডলারে পৌঁছায়। গত সাত বছর ধরেই এ ব্যয় বাড়ছে। সুইডেনভিত্তিক প্রতিরক্ষা থিংক ট্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর আল-জাজিরার।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) এ বিষয়ে সোমবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, প্রতিরক্ষা ব্যয়ে শীর্ষ দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া। বৈশ্বিক সামরিক ব্যয়ের ৬২ শতাংশই করে এ দেশগুলো।

এসআইপিআরআইয়ের জ্যেষ্ঠ গবেষক দিয়াগো লোপেস দা সিলভা বলেন, পরপর সাত বছর বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় বেড়ে ২০২১ সালে এসে দুই লাখ কোটি ডলারের বেশি হয়েছে। এটা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

সংস্থাটি জানায়, করোনা মহামারিতে অর্থনীতি বিপর্যস্ত হওয়ার পরও দেশগুলো অস্ত্রের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছে। গত বছর বিশ্বের সামরিক ব্যয় বেড়েছে শূন্য দশমিক সাত শতাংশ।

এসময়ে রাশিয়ার সামরিক ব্যয় দুই দশমিক নয় শতাংশ বেড়ে প্রায় ৬৬ বিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। এটি দেশটিতে পরপর তৃতীয় বারের মতো বৃদ্ধি। রাশিয়া মোট জিডিপির চার দশমিক এক শতাংশ সামরিক খাতে ব্যয় করে। তাছাড়া সামরিক ব্যয়ে দেশটির অবস্থান বিশ্বে পঞ্চম।

তাছাড়া ২০২০ সালে মস্কো সামরিকখাতে ব্যয় করে প্রায় ৬২ বিলিয়ন ডলার। দেশটিতে অস্ত্র ব্যবসায় এক হাজার ৩০০ কোম্পানি অন্তর্ভুক্ত। যাতে প্রায় ২০ লাখ মানুষ কর্মরত রয়েছেন। রাশিয়ার সবচেয়ে বড় অস্ত্র কোম্পানি হলো রোসটেক। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এটি ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেন।

এমএসএম/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]