রুশ সেনাদের মরদেহ সংগ্রহ করছে ইউক্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:০৯ পিএম, ১৪ মে ২০২২

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ গড়িয়েছে তৃতীয় মাসে। থেমে থেমে চলছে রুশ ও ইউক্রেন সেনাদের লড়াই। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বেসামরিক লোক হতাহতের পাশাপাশি অনেক ইউক্রেন ও রাশিয়ার সৈন্য নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এবার যুদ্ধে নিহত রুশ সেনাদের মরদেহ সংগ্রহ করা শুরু করেছে ইউক্রেন।

খবর পাওয়া গেছে, ইউক্রেনে নিহত রাশিয়ান সৈন্যদের মৃতদেহ কিয়েভের বাইরে একটি রেল ইয়ার্ডে আনা হচ্ছে এবং একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রেনে রাখা হচ্ছে। রুশ সেনাদের মরদেহ নিজ দেশে তাদের স্বজনদের কাছে ফেরত পাঠাবে ইউক্রেন সরকার।

ইউক্রেনের প্রধান বেসামরিক ও সামরিক যোগাযোগবিষয়ক কর্মকর্তা ভলোদিমির লিয়ামজিন বলেছেন, রুশ সেনাদের বেশিরভাগ মরদেহ পাওয়া গেছে কিয়েভ অঞ্চলে। এ ছাড়া চেরনিহিভসহ আরও কয়েকটি অঞ্চলেও পাওয়া গেছে তাদের মরদেহ।

jagonews24

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনজুড়ে অন্যান্য অঞ্চলে অবস্থান করা রেফ্রিজারেটেড ট্রেনগুলো একই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

যদিও ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সঠিকভাবে জানা যায়নি তবে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হামলা চালানোর পর থেকে অধিক সংখ্যক রুশ সেনার মৃত্যু প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে একটি অস্বস্তিকর ব্যাপার হতে পারে।

jagonews24

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানা এক মাস ধরে উত্তেজনা চলার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আগ্রাসন চালায় রাশিয়া। বহু মানুষ হতাহতের খবর পাওয়া গেছে দেশটিতে। এর মাঝে কয়েকটি অঞ্চলে গণকবরের সন্ধান পাওয়ার দাবিও করেছে ইউক্রেন। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে প্রায় ৫০ লাখ ইউক্রেনীয়। যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিলেও থামতে নারাজ পুতিন সরকার। অন্যদিকে হার মানতে রাজি নন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও।

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও। অধিকাংশ দেশে বেড়েছে সব পণ্যের দাম। ইউক্রেন, রাশিয়া থেকে খাদ্যপণ্য আমদানি করতে না পারায় খাদ্য সংকটও তৈরি হয়েছে কয়েকটি দেশে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ না হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে।

সূত্র: রয়টার্স

এসএনআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]