ইউক্রেনে ৩৭৫২ বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:১৪ পিএম, ১৮ মে ২০২২
ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেন সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৭৫২ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘ। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে হামলা চালায় রাশিয়া। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত বহু বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছে আরও কয়েক লাখ মানুষ। খবর আল জাজিরার।

জাতিসংঘ হাই কমিশনের হিউম্যান রাইটস (ওএইচসিএইচআর) তাদের সর্বশেষ আপডেটে নিশ্চিত করেছে যে, ইউক্রেন যুদ্ধে ৭ হাজার ৮১৪ বেসামরিক হতাহত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৭৫২ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে আরও ৪ হাজার ৬২ জন।

ওএইচসিএইচআর জানিয়েছে, রেকর্ড করা বেশিরভাগ বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরক অস্ত্র ব্যবহার বিশেষ করে ভারী কামান এবং একাধিক লঞ্চ রকেট সিস্টেম থেকে গোলাবর্ষণ এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলায়। তবে সংঘাত চলমান থাকায় অনেক স্থান থেকেই মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাই নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হয়ে থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে মারিউপোলের আজোভস্তাল স্টিল কারখানায় অবরুদ্ধ আড়াইশর বেশি ইউক্রেনীয় সেনা আত্মসমর্পণ করেছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া। মঙ্গলবার (১৭ মে) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের ২৫৬ সৈন্য অস্ত্র ফেলে আত্মসমর্পণ করেছে, যাদের মধ্যে ৫১ জন গুরুতর আহত।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেস্কভ বলেছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আত্মসমর্পণ করা ইউক্রেনীয় সেনাদের সঙ্গে ‘আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী’ আচরণ করার গ্যারান্টি দিয়েছেন।

এর আগে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানায়, অবরুদ্ধ মারিউপোলে নিজেদের শেষ ঘাঁটি থেকে সব সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে তারা।

ইউক্রেনীয় উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হান্না মালিয়ার জানান, আহত সেনাদের মারিউপোল থেকে প্রায় ৩০ মাইল পূর্বে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত শহর নোভোয়াজভস্কের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাকিদের মানবিক করিডোরের মাধ্যমে প্রায় ৫৫ মাইল উত্তরে ওলেনিভকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রুশ সামরিক বন্দিদের সঙ্গে বিনিময়ের মাধ্যমে তাদের ঘরে ফিরিয়ে আনা হবে।

টিটিএন/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]