সংকটের মধ্যে গমের দাম ৪০ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৪৪ পিএম, ২০ মে ২০২২

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে খাদ্যপণ্যের বাজারে। দেশে দেশে হু হু করে বাড়ছে খাবারের মূল্য। কারণ বিশ্বের খাদ্য চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রাশিয়া-ইউক্রেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গমের দাম ব্যাপকভাবে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম আরটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, চলতি বছর প্রতি টন গমের দাম বেড়ে ৭০০ ডলারে দাঁড়াতে পারে, যা বর্তমানের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি। এখন প্রতি টন গম বিক্রি হচ্ছে ৪৩০ ডলারে। বিশ্ব সম্প্রদায়কে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইউক্রেনের কৃষিনীতি ও খাদ্যমন্ত্রী মাইকোলা সলস্কি এসব কথা বলেন।

সলস্কি বলেন, প্রতি টন গম ৫০০, ৬০০ কিংবা ৭০০ ডলারে কিনতে কি আমরা প্রস্তুত? খাদ্যের সংকটের ফলে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। কারণ এ অঞ্চলের দেশগুলো সিংহভাগ শস্য ইউক্রেন থেকে আমদানি করে বলেও জানান তিনি।

সতর্ক করে ইউক্রেনীয় এ মন্ত্রী বলেন, চলতি বছর দেশের ফসল গত বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমে যেতে পারে।

তিনি বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান হামলার কারণে গত বছরের তুলনায় ফসল সংগ্রহ কমতে পারে ৫০ শতাংশ। ঝুঁকি রয়েছে সামনের শীতের রোপণ মৌসুম নিয়েও।

এর আগে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, বিশ্ব সম্প্রদায় ইউক্রেনের শস্য, রাশিয়া ও বেলারুশের সার ছাড়া সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না। তাছাড়া রাশিয়া থেকে সার ও খাদ্যপণ্য বিশ্ববাজারে কোনো বাধা ছাড়াই আসা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইউক্রেন ও রাশিয়া বিশ্বব্যাপী খাদ্যের ১০ ভাগের এক ভাগ সরবরাহ করে। তারা বিশ্বের গম রপ্তানির ৩০ শতাংশের পাশাপাশি সূর্যমুখী তেলের ৬০ শতাংশ উৎপাদন করে। কমপক্ষে ২৬টি দেশ তাদের অর্ধেকেরও বেশি খাদ্যশস্যের জন্য রাশিয়া ও ইউক্রেনের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর মস্কোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে পশ্চিমাদেশগুলো।

এমএসএম/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]