বন্যা-ভূমিধসে আসাম, মেঘালয়ে মৃত্যু বেড়ে ৪২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৪১ এএম, ১৯ জুন ২০২২

ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ জনে। এদের মধ্যে ২৪ জন আসামের এবং ১৮ জন মেঘালয় রাজ্যের। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ৩০ লাখ মানুষ।

দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় ত্রিপুরায় ১০ হাজার মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। তবে সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সরকারি সূত্র বলছে, আগরতলায় গত ৬০ বছরের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে এবার। সেখানে বন্যার কারণে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে।

মেঘালয়ের মাওসিনরাম ও চেরাপুঞ্জিতেও ১৯৪০ সালের পর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বন্যায় নিহতদের পরিবারকে ৪ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

আসামে চার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া এক লাখ ৫৬ হাজার মানুষ ৫১৪টি অস্থায়ী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন। রাজ্যের অধিকাংশ রাস্তাঘাট ও কালভার্টসহ সব ধরনের স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

India-flood-1.jpg

নৌকাযোগে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আসামের হোজাই জেলায় এখনো তিন শিশু নিখোঁজ রয়েছে এবং ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে টেলিফোন করে বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন এবং কেন্দ্র থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

প্রতিবেশী অরুণাচল প্রদেশের সুবানসিরি নদীর একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য নির্মাণাধীন বাঁধ ডুবে গেছে। আসাম সরকার বন্যা ও ভূমিধসের কারণে আটকে পড়া লোকজনের জন্য গুয়াহাটি ও শিলচরের মধ্যে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে।

গত বুধবার পর্যন্ত আসাম ও মেঘালয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে ২৭২ মিলিমিটার অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সপ্তাহ শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্য দুটিতে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ।

সূত্র: এনডিটিভি

এসএনআর/টিটিএন/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]