নিষেধাজ্ঞার পরও বাংলাদেশসহ কয়েক দেশে ১৮ লাখ টন গম রপ্তানি ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:১৬ পিএম, ২৬ জুন ২০২২
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের মে মাসে গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত। তবে কয়েকটি দেশে রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখে দেশটি। নিষেধাজ্ঞার পর বাংলাদেশ-আফগানিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশে ১৮ লাখ টন গম রপ্তানি করেছে ভারত। দেশটির খাদ্য সচিব সুধাংশু পান্ডে এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর দ্য ইকোনমিক টাইমসের।

তিনি বলেন, আফগাস্তানে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে প্রায় ৩৩ হাজার টন গম সরবরাহ করা হয়েছে। এর আগে সেখানে ৫০ হাজার টন গম সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

জার্মানির বার্লিনে মিনিস্টারিয়াল সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি আও বলেন, ভারত সব সময় বিশ্বের চাহিদা বিবেচনায় নিয়েছে। যদিও ভারতকে তার বিপুল সংখ্যাক নাগরিককে খাদ্য চাহিদা মেটাতে নজর দিতে হচ্ছে।

সুধাংশু পান্ডে বলেন, ভারত কেন শস্যটি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তা স্পষ্ট করে বলাটা খুব জরুরি। অভ্যন্তরীণ খাদ্য চাহিদা নিশ্চিত ও প্রতিবেশী কিছু দেশ, যাদের খাদ্য নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা রয়েছে তাদের কথা মাথায় রেখে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত মাসে অর্থাৎ ১৩ মে হঠাৎ বিশ্বজুড়ে গম রপ্তানি নিষিদ্ধ করে ভারত সরকার। তবে জানানো হয়, যেসব দেশ এর আগে লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) ইস্যু করেছে ও খাদ্য নিরাপত্তায় রপ্তানি অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেছে সেসব দেশে গম রপ্তানি করা হবে।

২০২০-২১ অর্থবছরে ভারতের মোট গম রপ্তানির ৫৪ শতাংশই এসেছে বাংলাদেশে। ওই বছর ভারতীয় গমের শীর্ষ ১০ ক্রেতা ছিল বাংলাদেশ, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা, ইয়েমেন, আফগানিস্তান, কাতার, ইন্দোনেশিয়া, ওমান ও মালয়েশিয়া।

বিশ্বের মোট গম রপ্তানির ২৯ শতাংশই সরবরাহ করে রাশিয়া ও ইউক্রেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক ভোগ্যপণ্যের বাজারে রীতিমতো আগুন লেগেছে। হু হু করে দাম বেড়েছে গমেরও।

এমএসএম/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]