আমেরিকার শ্বেতাঙ্গবাদী দুই সংগঠনকে সন্ত্রাসী ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২২ এএম, ০২ জুলাই ২০২২
ছবি: সংগৃহীত

অডিও শুনুন

যুক্তরাষ্ট্রের উগ্র শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী দুই সংগঠন দ্য প্রাউড বয়েজ এবং দ্য বেজকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড সরকার। এ তালিকায় আইএসসহ আরও ১৮টি সংগঠনকেও যুক্ত করেছে কিউই প্রশাসন। এখন থেকে নিউজিল্যান্ডে এসব সংগঠনের পক্ষে তহবিল বা লোকবল সংগ্রহ অথবা সমাবেশ আয়োজন পুরোপুরি নিষিদ্ধ। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

যুক্তরাষ্ট্রের উগ্র ডানপন্থি সংগঠন দুটি নিউজিল্যান্ডে সক্রিয় বলে খুব একটা শোনা যায় না। তবুও, ২০১৯ সালে ক্রাইস্টচার্চের একাধিক মসজিদে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদে বিশ্বাসী এক ব্যক্তির হামলায় ৫১ মুসল্লি নিহত হওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে বাড়তি সতর্ক জেসিন্ডা আরডার্নের সরকার।

নিউজিল্যান্ডের ওই বর্বর হত্যাযজ্ঞ বিশ্বের অন্য প্রান্তের শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদেরও উদ্বুদ্ধ করে, যার জেরে নিউইয়র্কের একটি সুপারমার্কেটে হামলা চালিয়ে ১০ কৃষ্ণাঙ্গকে হত্যা করেন এক শ্বেতাঙ্গ বন্দুকধারী।

যুক্তরাষ্ট্র কেবল বিদেশি সংগঠনগুলোকেই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করে। তবে গত বছর প্রাউড বয়েজকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। আর দ্য বেজকে আগেই নিষিদ্ধঘোষিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া।

প্রাউড বয়েজকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ঘোষণার কারণ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) নিউজিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ বলেছে, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনে সহিংস হামলায় এই সংগঠনের জড়িত থাকার বিষয়টি সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড বলে গণ্য হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্যাপিটল হিলের হামলায় একাধিক সশস্ত্র সংগঠন জড়িত থাকলেও জনতাকে উসকানো, নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর হামলার সমন্বয় এবং অন্য দাঙ্গাবাজদের ভবনে ঢোকার পথ দেখিয়েছিল দ্য প্রাউড বয়েজ।

দ্য বেজকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে নিউজিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ বলেছে, এদের মূল লক্ষ্য ছিল ‘চরমপন্থিদের একটি দলকে ত্বরণবাদী সহিংসতায় সক্ষম করে তোলার প্রশিক্ষণ দেওয়া’। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্য বেজের প্রতিষ্ঠাতা রিনাল্ডো নাজারো সহিংসতা, অস্ত্র সংগ্রহ এবং মার্কিন সরকারের পতন ত্বরান্বিত করতে ও সহিংসতার সময় টিকে থাকার কৌশল সম্পর্কে সদস্যদের বহুবার অনলাইনে পরামর্শ দিয়েছেন।

কেএএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]