থাইল্যান্ড যাচ্ছেন গোতাবায়া রাজাপাকসে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৫৫ পিএম, ১০ আগস্ট ২০২২
ফাইল ছবি

শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে সিঙ্গাপুর ছেড়ে এবার থাইল্যান্ডে যাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতেও সাময়িক আশ্রয় চাইতে পারেন তিনি। দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে কলম্বো গেজেট জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) থাইল্যান্ডে পৌঁছাতে পারেন গোতাবায়া। 

গত ১৪ জুলাই ৭৩ বছর বয়সী গোতাবায়া রাজাপাকসে মালদ্বীপ থেকে সৌদি আরবের একটি ফ্লাইটে চাঙ্গি বিমানবন্দরে নামার পর তাকে ১৪ দিনের ভিজিট পাস দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এর মেয়াদ আরও দুই সপ্তাহ অর্থাৎ ১৪ দিন বাড়ানো হয়।

সরকারবিরোধী তুমুল বিক্ষোভের মুখে গত ১৩ জুলাই শ্রীলঙ্কা থেকে পালিয়ে মালদ্বীপে যান গোতাবায়া। এরপর সিঙ্গাপুরে গিয়ে পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি। গোতাবায়ার সিঙ্গাপুরে প্রবেশের পর দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জানায়, তিনি ব্যক্তিগত সফরে গেছেন।

তবে তার থাইল্যান্ডে যাওয়ার বিষয়ে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখনো কিছু জানায়নি। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে রয়টার্সের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি থাই সরকারের মুখপাত্র রাতচাদা থানাদিরেক।

আগামীতে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আর্থিক সম্ভাবনার অন্যতম দেশ হতে পারতো দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। কিন্তু তেমনটি না ঘটে বরং ফল হয়েছে উল্টো। দিন দিন বেড়েছে ঋণের বোঝা। ভেঙে পড়েছে দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজার ব্যবস্থা। খাদ্য সংকট, বেকার সমস্যা, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সংকট তীব্র আকার ধারণ করে গত কয়েক মাস ধরে।

এই সংকটের পেছনে রাজাপাকসে পরিবারকে দায়ী করে আন্দোলনে নামে শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষ। জনরোষে অবশেষে দেশত্যাগে বাধ্য হন গোতাবায়া রাজাপাকসে। তার ভাই মাহিন্দা রাজাপাকসে এর আগেই পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে।

এরপর দেশের হাল ধরেন কয়েকবারের প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। তবে পাঁচ হাজার একশ কোটি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ শ্রীলঙ্কার সরকার গত এপ্রিলেই নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছিল। সম্ভাব্য ঋণছাড়ের জন্য এখন রনিল বিক্রমাসিংহের সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সামনে দিকে এতো দ্রুত সংকটের সমাধান দেখছেন না অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: কলম্বো গেজেট, রয়টার্স

এসএনআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।