কে-ড্রামা দেখায় দুই কিশোরকে গুলি করে মারলো উত্তর কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:০৭ পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ান ও আমেরিকান সিনেমা-সিরিজ দেখার কারণে দুই হাইস্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে উত্তর কোরিয়া। তাদের বয়স ১৬ ও ১৭ বছর। গত অক্টোবর মাসে উত্তর কোরিয়ার রায়ংগাং প্রদেশে জনসম্মুখে গুলি করে কথিত অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে কিম জং উনের প্রশাসন।

স্বৈরাশাসিত উত্তর কোরিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ান বা কে-ড্রামা দেখা ও বিতরণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। রেডিও ফ্রি এশিয়ার খবর অনুসারে, দেশটিতে কেউ বিদেশি ড্রামা দেখার সময় ধরা পড়লে বাধ্যতামূলক শ্রম শিবিরে পাঠানো হয়। যদি এরপর আবারও ধরা পড়ে, তাহলে পাঁচ বছর ওই শিবিরে কাটাতে হবে। তবে এবার আর একা নয়, সঙ্গে থাকবে বাবা-মাও। সন্তানকে ‘সঠিক শিক্ষা’ দিতে না পারার অপরাধে তাদেরও সাজা পেতে হবে।

রেডিও ফ্রি এশিয়া, দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট, দ্য মিরর, এনডিটিভিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উত্তর কোরিয়ায় দুই কিশোরের মৃত্যুদণ্ডের খবর জানানো হয়েছে। মিরর জানিয়েছে, দুই কিশোরকে একটি খোলা মাঠের মধ্যে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। আর তা দেখতে বাধ্য করা হয় স্থানীয়দের।

এই নৃশংস ঘটনা গত অক্টোবরে ঘটলেও খবরটি জানা গেছে গত সপ্তাহে। পিয়ংইয়ং প্রশাসনের দাবি, দুই কিশোর যে অপরাধ করেছে তা ‘অশুভ’ ছিল।

ঘটনাস্থল হাইসান শহরের এক বাসিন্দা রেডিও ফ্রি এশিয়াকে বলেন, তারা (প্রশাসন) বলেছে, যারা দক্ষিণ কোরিয়ার সিনেমা ও নাটক দেখে বা বিতরণ করে, তাদের ক্ষমা করা হবে না। তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।

গত বছর কিম জং উনের বাবা কিম জং ইলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১১ দিনের শোক ঘোষণা করেছিল উত্তর কোরিয়া। এই সময়ের মধ্যে নাগরিকদের হাসতে, কেনাকাটা করতে ও মদ্যপান নিষিদ্ধ ছিল।

কেএএ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।