৭ ব্যাংকে নিয়োগ: প্রার্থীদের অনেকের প্রবেশপত্র না পাওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩৯ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

সাত ব্যাংক ও এক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষার জন্য যথাযথ নিয়ম মেনে ফি জমা দেওয়ার পরও অনেক প্রার্থী প্রবেশপত্র না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিলেকশন কমিটির সিদ্ধান্ত মতে, ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে। এরপর প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে না। তবে এখন পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক আবেদনকারী প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারেননি।

তথ্য বলছে, সিনিয়র অফিসার নিয়োগে মোট আবেদনকারী এক লাখ ৮০ হাজার। তাদের মধ্যে এক লাখ ৬০ হাজার ৯৭৩ জন প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সুযোগ পেয়েছেন। এসব আবেদনকারী প্রবেশপত্র তুলতে পারলেও বাকিরা এ নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। দীর্ঘ সময় প্রস্তুতি নিয়েও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন কি-না তা নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তা কাটছে না।

আবু আদনান নামে এক আবেদনকারী বলেন, ‘নিয়ম মেনে আমি সাত ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার পদে আবেদন করি। যেখানে আমার আইডি ও সিভি আইডি নম্বর দেওয়া আছে। কিন্তু আমি প্রবেশপত্র তুলতে গেলে সেখানে লেখা আসছে আপনি এই পদের জন্য আবেদন করেননি।’

প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে না পারা সাফিয়া নামে আরেক আবেদনকারী বলেন, ‘অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বলেছি, আমি পরীক্ষায় অংশ নিতে চাই। আমার পেমেন্ট সাকসেস ফুল অথচ কার্ড ডাউনলোড করতে পারছি না। বিষয়টি নিয়ে আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সেক্রেটারিয়েট (বিএসসিএস) বরাবর আবেদন করি। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আমাকে কল করে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দুঃখপ্রকাশ করা হয়।’

সিরাজুল ইসলাম নামে আরেকজন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি নিজেই আমার আবেদন করেছি। কিন্তু গতকাল প্রবেশপত্র তুলতে গিয়েও সেটা সম্ভব হয়নি। অথচ আর মাত্র একদিন সময় বাকি রয়েছে। ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি বরাবর আবেদনও করেছি কিন্তু আশ্বাস পাচ্ছি না। আমার মতো আরও প্রায় ২০ হাজার আবেদনকারীর অবস্থা একই, পরীক্ষা দিতে পারবো কি-না জানি না।’

এ বিষয়ে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সেক্রেটারিয়েট (বিএসসিএস) অফিসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অনেক সময় রকেট বা অন্য মাধ্যমে তারা টাকা পরিশোধ করেনি এমনটা হয়েছে হয়তো। আবার ইন্টারনেট সমস্যা হয় মাঝে মাঝে, সেটাও কারণ হতে পারে।’ তবে প্রবেশপত্র ডাউনলোড দিতে পারেনি তাদের সংখ্যা ২০ হাজার নয়, হাজার দুয়েক হতে পারে বলে জানান তিনি।

ইএআর/এআরএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]