Jago News logo
ঢাকা, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০১৭ | ১৩ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ

এসআই জাহিদসহ পাঁচজনের পক্ষে বাদীকে জেরা ৪ এপ্রিল


নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬:২৪ পিএম, ২০ মার্চ ২০১৭, সোমবার
এসআই জাহিদসহ পাঁচজনের পক্ষে বাদীকে জেরা ৪ এপ্রিল

রাজধানীর পল্লবীতে জনি হত্যা মামলায় পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমানসহ পাঁচ আসামিকে জেরার জন্য ৪ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার মামলার বাদী ও নিহত জনির ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকিকে জেরার দিন ধার্য ছিল। এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা পেছানোর জন্য সময় আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা সময় আবেদন মঞ্জুর করে জেরার জন্য ৪ এপ্রিল দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ১১ নং সেক্টরে স্থানীয় সাদেকের ছেলের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশের সোর্স সুমন অনুষ্ঠানে মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। এ সময় জনি ও তার ভাই পুলিশের সোর্স সুমনকে চলে যেতে বলেন। সুমন চলে গেলেও পরদিন এসে আবার আগের মতো আচরণ করতে থাকে। তখন জনি ও তার ভাই তাকে চলে যেতে বললে সুমন পু্লিশকে ফোন করে তাদের ধরে নিয়ে যায়। তাদের নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন ধাওয়া দিলে পুলিশ গুলি ছুড়ে চলে যায়।

পরে তাদের থানায় নিয়ে জনিকে অমানবিক নির্যাতন করা হয় এবং জনির অবস্থা খারাপ হলে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থা আরও খারাপ হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহত জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, তৎকালীন পল্লবী থানার এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদ, পল্লবী থানার এসআই আবদুল বাতেন, এসআই রাশেদ, এসআই শোভন কুমারসাহা, পুলিশ কনস্টেবল নজরুল, সোর্স সুমন ও রাসেল। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মারুফ হোসেন পাঁচজনকে অভিযুক্ত এবং পাঁচজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তকালে পুলিশের এএসআই রাশেদুল ও কামরুজ্জামান মিন্টুকে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান জাহিদ, এএসআই রাশেদুল, এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু, সোর্স সুমন ও রাশেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা।

জেএ/ওআর/পিআর

আপনার মন্তব্য লিখুন...