রাজউকের সাবেক হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা চলবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৫ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
ফাইল ছবি

রাজউকের হিসাবরক্ষক (সাময়িক বরখাস্তকৃত) মো. তাহমিদুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে আগামী ৬ মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আসামির অব্যাহতির ফৌজদারি রিভিশন আবেদন খারিজ করে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন।

এর ফলে বিচারিক আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন দুদক আইনজীবী। সরকারি চাকরির পদ গোপন রেখে ব্যবসায়ী পরিচয়ে পাসপোর্ট গ্রহণ করে বিদেশ সফর করায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হয়।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক, দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. নওশের আলী মোল্লা। আসামিপক্ষে ছিলেন মোহাম্মদ সাজ্জাদ আলী চৌধুরী।

দুদকের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. নওশের আলী মোল্লা জানান, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ বিচারিক আদালতে চার্জ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ হাইকোর্টে ফৌজদারি রিভিশন দায়ের করে। পরে হাইকোর্ট এ মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। এরপর আজ এ মামলার শুনানি শেষে জারি করা রুল খারিজ করে স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে আগামী ৬ মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঘটনার বিবরণী থেকে জানা গেছে, ১৯৯১ সালের ১৯ আগস্ট রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকে কনিষ্ঠ হিসাব সহকারী হিসেবে চাকরি নেন মো. তাহমিদুল ইসলাম মিলন। পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে তিনি তত্ত্বাবধায়ক/ হিসাবরক্ষক পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি প্রতারণা ও মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নিজের পরিচয় গোপন করে চাকরিজীবীর স্থলে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করে পাসপোর্ট অধিদফতরে আবেদন করেন।

পরে ব্যবসায়ী হিসেবেই তার নামে পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। সেই পাসপোর্ট নিয়ে তাহমিদুল ইসলাম ২০০৯ সালের ৯ অক্টোবর থেকে ২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংকক, কাঠমান্ডু, কুয়ালালামপুর এবং কলম্বো সফর করেন।

পরে বিষয়টি তদন্ত করে দুদকের উপ-পরিচালক মো. নূর-ই-আলম ২০১৫ সালের ৫ অক্টোবর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এফএইচ/এসআর/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :