বাফুফের কিরণ মুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:২৯ পিএম, ২০ মার্চ ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিনে মুক্তি পেলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কার্যনির্বাহী সদস্য ও নারী ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ।

বুধবার দুপুর ২টায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয় বলে জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন তার আইনজীবী লিয়াকত হোসেন।

গতকাল মঙ্গলবার মাহফুজা আক্তার কিরণের আইনজীবী লিয়াকত হোসেন তার জামিনের আবেদন করলে ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় আগামী ২ এপ্রিল পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

গত ১৬ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ওইদিন থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

গত ১২ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী মামলা আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেফতার-সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রেফায়েতুল করিম লেলিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করার অভিযোগে কিরণের বিরুদ্ধে ১২ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবু হাসান চৌধুরী প্রিন্স একটি মানহানি মামলা করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়ামোদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে হীন মানসিকতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বাংলাদেশ ফুটবল সংগঠকদের মানহানির উদ্দেশ্যে মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেন, পিএম হিসেবে সব খেলাই তার কাছে সমান। সেখানে কেন দু’চোখে দেখবে? মেয়েরা ব্যাক টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন। গিফট তো পরের কথা, অভিনন্দন তো দিতে পারেন, মিডিয়ায় কি কোনো অভিনন্দন জানাইছেন? বিএফএফের টাকা কেন প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে দেয়াব? বিসিবির অনেক স্বার্থ আছে। বিসিবি সরকারের অনেক ফ্যাসিলিটিজ নেয়। চুন থেকে পান খসলেই প্লট পেয়ে যায়, গাড়ি পেয়ে যায়! বিএফএফ সরকারের কাছ থেকে কোনো ফ্যাসিলিটিজ নেয় না।’

কিরণের এমন বক্তব্য বেসরকারি টেলিভিশন, পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত হয়। তার এমন বক্তব্যে বাদীর ৫০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে মর্মে আদালতে মামলাটি করা হয়।

জেএ/এমএআর/জেআইএম